Subscribe For Free Updates!

We'll not spam mate! We promise.

Showing posts with label যৌন. Show all posts
Showing posts with label যৌন. Show all posts

Bangla sex problem: নারী ও পুরূষের যৌন আগ্রহ


যৌনমিলনের আগে:
যৌনমিলনের আগে নারী পুরুষ উভয়ের পূর্ণাঙ্গ মাত্রায় যৌনতার ব্যাপারে ধারনা জন্মাতে হয়। তা না হলে চরমপুলক লাভ সম্ভব হয় না। কাজেই পূর্ণ মাত্রায় যৌন আনন্দ পেতে চাইলে যৌনতার ব্যাপারে আগ্রহ এবং যৌনতার পূর্ণ ইচ্ছা থাকতে হবে। আমাদের মস্তিষ্ক সর্ব প্রথম যৌনতার ব্যাপারে উদ্দীপনা জাগায়। এটি পরবর্তীতে সারা শরীরে চলে আসে ও এর জন্য পুরুষ কিংবা নারী যৌন উত্তেজিত হতে থাকে। এই পর্যায়ে আগ্রহ যৌন ইচ্ছা নারীও পুরুষকে আরো উত্তেজিত করে তোলে এবং চূড়ান্ত যৌনমিলন ও চরমপুলক সম্ভব হয়। প্রতিটি নারী এবং পুরুষের জীবনে যৌনতার প্রয়োজন রয়েছে এবং তা আনন্দপূর্ণ এবং সুস্থ যৌনতা হওয়া উচিত। যৌনাতার আগ্রহ একেক বয়সে একেক রকম হয়ে থাকে। তবে সব নারী , পুরুষের ক্ষেত্রে এই বিষয়টি প্রযোজ্য না। অনেকের ব্যক্তিগত শারীরিক স্বাস্থ্য কিংবা মানসিক সমস্যার জন্য যৌনতার প্রতি আগ্রহ থাকে না, থাকলেও তা কমে যেতে শুরু করে। শারীরিক নানা সমস্যা বিশেষ করে দীর্ঘ শারীরিক অসুখ বিসুক নারী এবং পুরুষের যৌনতাকে ক্ষতিগ্রস্থ করতে পারে। তেমনি মানসিক নানা চাপ ও মনোদৈহিক কোনো অসুবিধা বা কোনো রোগ থাকলে ও তা নারী পুরুষের যৌন জীবনের উপর প্রভাব ফেলে। মোট কথা যৌনতার ব্যাপারে আগ্রহ এবং শারীরিক ও মানসিক সামর্থ্য সুখী যৌন জীবনের জন্য একান্ত প্রয়োজন হয়। যৌন আগ্রহ ব্যাপারে আরেকটি বিষয় হলো মধ্য বয়সে নারী , পুরুষের যৌনাঙ্গ সবচেয়ে তীব্র থাকে। এটি হলো ৩০-৩৫ বা ৪০ বছর বয়সসীমা। মনোপজের পরবর্তী সময়ে নারীর যৌনতার ব্যাপারে আগ্রহ একেবারে কমে যায় । কিন্তু এও দেখা যায় যে মনোপজ পরবর্তী সময়ে ও বহু নারীর যৌন ইচ্ছা বা আগ্রহ আগের মতোই থাকে এবং বহু নারীর যৌন ইচ্ছা বা আগ্রহ থাকে এবং তারা যৌনমিলনের আনন্দ পায়। যৌনতার আগ্রহ অনেক ক্ষেত্রে ক্ষতিগ্রস্ত হয় যদি নারী-পুরুষের যৌনতা সংক্রান্ত কোনো ভুল ধারণা থেকে থাকে। নারী, পুরুষের জানার ক্ষেত্রে বা যৌনশিক্ষার ক্ষেত্রে অজ্ঞতা যৌন ইচ্ছাকে ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে। জীব-বিজ্ঞানভিত্তিক ব্যাখ্যা মতে নারী এবং পুরুষের যৌন ইচ্ছা এবং আগ্রহ সমার্থক । সবগুলো ইন্দ্রিয়ের ব্যবহার হলেই কেবল যৌন উত্তেজনা বেড়ে যেতে পারে। প্রথমে চিন্তা করা, তারপরে আগ্রহ পরে দেখা শোনা গন্ধ নেয়া এবং স্পর্শের দ্বারা উত্তেজিত হয়ে উঠাই হচ্ছে প্রকৃতপ েযৌন উত্তেজনার ধারা। যৌন উত্তেজনার পর্যায়ে পুরুষের এবং নারীর উত্তেজিত হবার বিষয়ে কিছু পার্থক্য থাকে। নারী সহজেই উত্তেজিত হয় না এবং উত্তেজিত হলে তা দীর্ঘণ নারীকে উদ্দীপনা যোগায়। পুরুষ উত্তেজিত হয় তাড়াতাড়ি এবং তার উত্তেনাও তাড়াতাড়ি কমে যায়। আবার পুরুষ যৌন উত্তেজক ছবি , মুভি বা অন্যান্য নগ্ন নারীর ছবি দেখে উত্তেজিত হয়ে পড়তে পারে। কিন্তু স্বাভাবিক ভাবেই নারী যৌন উত্তেজক ছবি দেখে খুব সহজেই যৌন কাতর হয়ে উঠে না। ১৯৬৬ সালে মাস্টার এবং জনসন নামক দুজন যৌন বিজ্ঞানী এবং গবেষক নারীর যৌন উত্তেজনার ব্যাপারে দীর্ঘ গবেষনা করেন। তাদের মতে নারীর যৌন ইন্দ্রিয়ের সাড়া আসে
এবং ধীরে ধীরে তা নারী পুরো শরীরে বিস্তার করে।
Related posts:যৌনতার জানা-অজানা নানা বিষয়
শারীরিক মিলনের বিভিন্ন দিক

Bangla sex problem: যৌন আসনের কৌশল সমূহ

 যৌন আসনের কৌশল সমূহ

যৌনমিলনের আসন কৌশল নিয়ে অনেক পুরুষ এবং নারী অতৃপ্ত থাকে। দেখা যায় যে অনেক স্থুলকায় স্বামীর ক্ষীণকায় স্ত্রী বা দীর্ঘদেহী স্ত্রীর বেটে স্বামীর যৌনমিলনের আসন নিয়ে নানাবিধ সমস্যার সৃষ্টি হয়ে থাকে। এরকম আসন খুঁজে বের করা উচিত। পুরুষের উচিত যৌনমিলনের আসনের পছন্দটি নারীর উপর ছেড়ে দেওয়া।নারী যখন তার পছন্দের আসন নিজে ঠিক করে তখন নারীর চরমপুলক অনায়াসে চলে আসে। আবার কোনো কোনো ক্ষেত্রে দেখা যায় যে পুরুষ বা নারী উভয়েই কোনো একটি আসন খুব পছন্দ করে এবং এ আসনে দীর্ঘদিন যৌনমিলন করেও তারা একঘেয়ে হয়ে উঠে না। নারীর শারীরিক এবং মানসিক পরিতৃপ্তি আসে যদি যৌন আসনের কৌশল ঠিক থাকে।
Related posts: দৈহিক মিলনে উত্তেজনার বিভিন্ন ধারা
শারীরিক মিলনের বিভিন্ন দিক

Bangla Sex Problem: ছেলে মেয়েদের যৌন অক্ষমতা এবং তার সহজ মেডিকেল সমাধান




Sex Problem
বাংলাদেশ একটি কনসারভেটিভ দেশ, তবে বর্তমানে এদেশের সেক্স কালচার অনেক ফাস্ট, অনেক কম বয়স থেকেই ছেলে মেয়েরা সব কিছু জানে, বুঝে এবং করে ( বিশেষ করে শহরে )।, কিন্তু সেক্সের এট্রাকটিভ দিক গুলোতেই সবার সাভাবিক ভাবেই আকর্ষন বেশি এবং এসব সমন্ধে জানার আগ্রহ থাকে, বেশি। তবে সেকসু্যাল সমস্যার বেপারে রয়ে গেছে ভয়ানক অগ্যতা, এবং যা জানা থাকে তার বেশিরভাগি ভুল তথ্য। আমি এই পোস্টে এইডস এর বেপারে কোনো আলোচনা করবো না কারন বিদেশি ফান্ডের সুবাদে এই সমন্ধে যথেষ্ঠ প্রচারনা হয়। কিন্তু এইডস হচ্ছে একটি রেয়ার প্রবলেম, এর থেকে কমন কমন সমস্যা সমন্ধে বেশিরভাগ মানুষের কোন আইডিয়া নাই, যেসব সমস্যা ঘরের কাছের সমস্যা। আর কমন সমমস্যার নিয়ে অনেক আরটিকেল পেপার মেগাজিনে পরলেও এর সঠিক মেডিকাল সমাধান খুব কমি পরসি। তাই আমি চেষ্টা করবো কমন লেংগুয়েজে শুধু মাত্র মোস্ট কমন কারোন গুলো উল্যেখ করার এবং সহজ সমাধান গুলো তুলে ধরার চেস্টা করলাম। ছেলেদের কমন সেকসুয়াল সমস্যা এবং তার সমাধান।

মেইল ইমপোটেন্স:

ছেলেরা যেই বেপারে সবচাইতে বেশি চিন্তিত থাকে সেটা হচ্ছে ইরেকশন প্রবলেম। যদিও এই সমস্যা মধ্যবয়সিদের মাঝে বেশি দেখা দেয়, কিন্তু অনেকগুলো কারোনের জন্য দেশের যুবক শ্রেনিদের মাঝেও এখন এই সমস্যা টা একটি বরো সমস্যা।

ধুমপান:

 ইউথ ইমপোটেন্স বা যুবকদের যৈন অক্ষমতার প্রধান কারন গুলোর মধ্যে একটি হচ্ছে ধুমপান, বাংলাদেশের মোটামুটি সবাই ধুমপান করে যা নাকি ওয়ার্ল্ডের ওয়ান অফ দা হাইয়েস্ট। দেশে অনেক আজিরা কথা প্রচলিত আছে যেমন গোল্ড লিফ খেলে সেক্স পাওয়ার কমে যায়, আর বেনসন খেলে তেমন একটা খতি হয় না। ইটস আ বুলশিট। নিকোটিন সব সিগারেটেই আছে কম বেশি আর সিগারেটের অন্যান্য খতিকারক কেমিকাল গুলো সব সিগারেটেই সমপর্যায়ে থাকে। যেসবের কারনে পেনিসের রক্তনালি সংকচিত হতে থাকে।

স্ট্রেস: 

এটি পশ্চমা দেশ গুলোতে ইমপোটেন্সের প্রধান সমস্যা তবে দেশেও এটি একটি উল্যেখযোগ্য কারন। বিভিন্য কারনে যদি মাথায় বিভিন্য ধরনের টেনশন থাকে তাহলে ব্রেইন সেক্সের দিকে যথেষ্ঠ এটেনশন দিতে পারেন না। আপনার যদি সেক্স করার সময় ( এনাফ ) ইরেকশন না হয়ে থাকে, কিন্তু মর্নিং ইরেকশন ঠিক থাকে তাহলে মনে করবেন আপনার ফিসিকাল পাওয়ার ঠিকি আছে কিন্তু স্ট্রেস বা অন্য কোন মানসিক সমস্যার কারনে মেন্টাল কনসেনট্রেশন টা নেই। ড্রাগস: ড্বাগসের মধ্যে বিশেষ করে হেরোইন এর জন্য ইমপোটেন্স হতে পারে। কোকেইন সেবনে প্রথম দিকে সাময়িক ইরেকশন হলেও পরে সেটা আর হয় না এবং উল্টো খতি করে।

ওভার এক্সপেকটেশন: 

এটি আসলে কোন সমস্যা না। এটি ভুল বুঝা বা জানার জন্য হয়। সেক্স কালচার বেশি অপেন হওয়াতে পর্ন দেখে বা মৈখিক মিথ্যরচনার কারনে দেশ বিদেশ সব খানেই সেক্স পাওয়ার সমন্ধে ৯০ ভাগ মানুশের একটি ভুল ইমেজ তৈরি হয়েছে। এই বেপারে দেখা যায় যে মানুশ মনে করে তার হয়তো সেক্স পাওয়ার কম, কিন্তু ডাক্তারের কাছে গেলে কোনকিছু ধরা পরে না ( যদিও দেশের ডাক্তাররা অযথা অনেক টেস্ট করাবে)।, ডাক্তার জিগ্যেশ করার পর দেখা যায় তার সেক্সয়াল একটিভিটি নর্মালি আছে, কিন্তু পেশেন্ট সেটা নিয়ে সন্তুষ্ট নয়। মানুস মনে করে যে ডেইলি এবং লং এনাফ সেক্স করতে না পারাটাই অক্ষমতার লক্ষন। আবার অনেকে তার পেনিসের লেনথ নিয়ে খুশি নয়। এসব হচ্ছে অযথা টেনশন, পর্ন মুভিতে যা দেখানো হয় সেটা নর্মাল সেকসুয়াল একটিভিটি নয়। আপনার বউ ( সেক্সুয়াল পার্টনার) কে জিগ্গেশ করুন যে সে সেটিসফাইড নাকি, তাহলেই কিস্সা খতম। এক্সেসিভ পর্ন দেখার বদৈলতে আবার নিজের বউ বা সেকসুয়াল পার্টনারের প্রতি এট্রাকশন কমে যায় অনেকের।
জেনে রাখা ভালো, এভারেজ সেক্সয়াল ফ্রিকয়েন্স হলো সপ্তাহে ৩ বার।
ডিইরেশন ১৫ মিন। পেনিস লেনথ রেস অনুযায়ি ভেরি করে। ইউরোপ এমেরিকা: ১৪,৫ সে. মি. চায়না/ জাপান: ১২ সে.মি. সাবকন্টিনেন্ট ( ইন্ডিয়া/ বাংলাদেশ): ১৩ সে.মি. থেরাপি:
সবচে এফেকটিভ থেরাপি হচ্ছে চেন্জ অফ লাইফ স্টাইল
-ধুমপান বন্ধ করুন। বেপারটি খুবি কঠিন, এই বেপারেও আপনি সঠিক মেডিকাল গাইড পেতে পারেন আপনার ডাক্তারের কাছ থেকে।
-যথেষ্ঠ বেয়াম করুন। ফিসিকাল মুগমেন্ট ভায়াগরা বা অন্যান্য অষুধ থেকে অনেক বেশি এফেকটিভ, বিশেষ করে ইয়াং দের জন্য। -সেক্স বেপারটাকে স্পোর্টসের মতন দেখবেন না যে এটা তে আপনাকে ফার্সট প্রাইজ আনতেই হবে। বাট হালকা / রিলেক্স ভাবে নেন দেখবেন ফার্সট প্রাইজ থেকা বেশি এনজয় পাচ্ছেন।
-ভায়াগ্রা থেরাপি ডাক্তারের পরামর্শ ছারা শুরু করবেন না। এতে সাময়িক উপকারিতা পেলেও লং টার্মের জন্য এফেকটিভ থেরাপি নয়। -আল্টারনেটিভ ( ফুটপাথের সপ্নে পাওয়া ) ওৈষধ থেকে ১০০ মাইল দুরে থাকুন )

মেয়েদের কমন যৈন অক্ষমতার সমস্যা:

মেয়েদের যৈন অক্ষমতার বেপারে রয়েছে আরো বেশি নলেজের অভাব। এটা যে হয় সেটাই ৯০ ভাগ মানুশ জানে কিনা সন্দেহ আছে, এমনকি স্বয়ং মেয়েরাও জানে না অনেক সময়। দেশে আমি এই পর্যন্ত কোথাও এই বেপারে কোনো আরটিকেল দেখি নাই।

ভাজাইনাল ড্রাইনেস এবং পেইনফুল ইন্টারকোর্স:

মেয়েদের বেলায় সেক্সুয়াল এরাউসালের ( যৈন উত্যেজনার ) সময় লুব্রিকেশন (যোনিরস) হয় যার ফলে ভাজায়না ভিজে যায় এবং সেক্স করতে ( পেনিস ঢুকতে ) সুবিধা হয়। লুব্রিকেশনের বেশির ভাগ ফ্লুইড (রস) ভাজাইনার দেয়াল থেকে নির্গত হয় তবে ছোট একটি গ্লেন্ড ( থলি )থেকেও কিছু বর হয়। অনেক মেয়েদের সমস্যা দেখা দেয় যে লুব্রিকেশন হয়না বা সময়মত হয়না, যার ফলে সেক্স এনজয়ের বদলে পেইনফুল হয় ( পেইনফুল ইন্টারকোর্স)।,বেশিরভাগ মেয়েরা সেটা তার হাসবেন্ড কে জানায় না নিজের অক্ষমতা মনে করে। কিনতু এখানে খোলামেলা কথা না বললে সমস্যার সমাধান সম্ভব নয়। ভাজাইনাল ড্রাইনেসের সবচে বরো কারনটা আসলে ছেলেদেরই দোষ। ইন্টারকোর্স ( ভাজিনাতে পেনিস প্রবেশে) এর পুর্বে যথেষ্ঠ স্টিমুলেশন ( যৈন উত্যেজনা ) না থাকলে লুব্রিকেশন সময় মতন হয় না। ইন্টারকোর্সের আগে যথেষ্ঠ সময় আর এটেনশন নিয়ে সেক্সয়াল স্টিমুলশন ( কিসিং, সাকিং ) করলেই বেশিরভাগ বেলায় এর সমাধান সম্ভব। ছেলেদের যেমন পেনিসে রক্তনালিতে ফেট ( চর্বি ) জমার কারনে ইমপোটেন্সি হয় তেমনি মেয়েদের বেলাতেও তেমনি ভাজাইনাল ব্লাড ভেসেলের ( রক্তনালিতে ) চর্বি জমলে এই সমস্যা হতে পারে। তাই ব্লাড ভেসেলের চর্বি কমানোর চেস্টা করতে হবে। ফেট কম খাওয়া, বেয়াম করা, সিগারেট না খাওয়া হল এর উপায়।

আর্টফিসিয়াল লুব্রিকেশন: 

এরপরেয় যদি এনাফ লুব্রিকশন না হয় এবং সেক্স পেইনফুল হয় তাহলে আর্টিসিয়াল লুব্রিকেশন ( নকল যোনিরস) ইউজ করা যায়। দেশের মেয়েরা সাধারনত তেল বা ভেসলিন ইউজ করে থাকে কিন্তু এতে সমস্যা হচছে যে বেশি ইউজ করলে ভাজাইনার নরমাল বেকটেরিয়াল ফ্লোরা ( শরিরের জন্য উপকারি বেকটেরিয়া ) নষ্ট হয় এবং তাতে ঘন ঘন ভাজাইনাল ইনফেকশন হতে পারে। এর জন্য স্শেপয়াল আর্টিফিসিয়াল লুব্রিকেশন পাওয়া যায় যা নাকি ঘন পানির মতন হয়। ( বাংলাদেশে আছে কিনা জানিনা )।, যদি তেল বা ভেসেলিন ইউজ করা হয় তাহলে সেটা সেক্সের পরে পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলতে হবে।

Bangla sex problem: দৈহিক মিলনে উত্তেজনার বিভিন্ন ধারা

নারী এবং পুরুষ যখন দৈহিক মিলনে উপনিত হয়ঃ
তখন তাদের শরীরে দৈহিক উত্তেজনা চলে আসে । নারী এবং পুরুষ উভয়ের ক্ষেত্রেই এই উত্তেজনার চারটি ধারা হলো-
উত্তেজনার ধারা।
যৌনমিলনের ধারা।
চরমপুলকের ধারা।
শিথিলতার ধারা।

যৌন উত্তেজনার স্তরে পুরুষ এবং নারী একে অন্যের স্পর্শে বা আদরে উত্তেজিত হতে পারে।
যৌন উত্তেজনার ধারাটি সবচেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ যৌন আনন্দ পাবার ক্ষেত্রে। যদি কেউ যৌনমিলনের আগে পূর্ণাঙ্গ উত্তেজিত না হয় তবে যৌন চরমপুলক সে সম্পূর্ণ পায় না। এজন্য উত্তেজিত হবার দরকার আছে। নারী্রা সাধারণত মাসিক চলাকালীন সময়ে যৌনমিলন পছন্দ করে। কেননা এই সময়ে শরীর অবসন্ন হয়ে যায় এবং নারীর স্তন যৌনকাতর হয়ে উঠতে পারে। স্বাভাবিক ভাবে যৌনমিলনের ক্ষেত্রে পুরুষ এবং নারী উভয়ের যৌন উত্তেজনার মাত্রা বাড়তে থাকলে এক সময় উভয়েই চূড়ান্ত মিলন আশা করে। নারীর নিতম্ব, স্তন, স্তনবৃন্ত এবং যোনি মিলনের আনন্দে উত্তেজিত হয়ে উঠে। এই পর্যায়ে পুরুষের লিঙ্গ দৃঢ় হয় এবং লিঙ্গ যৌনমিলনের জন্য উন্মুখ হয়ে উঠে। জেনে রাখা ভালো যে কোনো কোনো নারী যৌনমিলনের আগে উত্তেজনার স্তরেই তার যৌনি থেকে তরলের রণ হতে পারে। এটা নারী যে উত্তেজিত তার প্রমাণ এবং এটি যৌনিকে পিচ্ছিল করে তোলে, যাতে করে লিঙ্গ চালনা সহজ হয়। পুরুষের লিঙ্গের মাথাতেও এই সময় সাদাটে পানির মতো পদার্থ বের হতে দেখা যায়। এ থেকে বোঝা যায় যে পুরুষ যৌন উত্তেজনার চরমে উঠেছে এবং এ পর্যায়ে পুরুষও নারী চূড়ন্ত যৌনমিলনে স্তরে পুরুষের লিঙ্গ নারীর যোনির ভেতর চালনার ফলে নারীর যৌন আনন্দ ঘনিভূত হয়। এবং এই পর্যায়ে পুরুষের র্বীযপাত হবার সম্ভাবনা দেখা দেয়। পুরুষ মোটামুটি ভাবে নারীর যোনিতে অর্থাৎ প্রবেশের পর থেকেই যৌন আনন্দ পায়। প্রথম প্রথম যৌনমিলনের সময় নারীর যৌনাঙ্গে ব্যথার সৃষ্টি হলেও পরে অবশ্য তা এমনিতেই কেটে যেতে পারে। যৌনমিলন যখন চলতে থাকে তখন উভয়েরই শারীরিক এবং মানসিক অবস্থা চূড়ান্ত উত্তেজিত পর্যায়ে পোঁছে যায়। এই সময়ে নারীর এবং পুরুষের শ্বাস-প্রশ্বাস দ্রুত এবং রক্ত চলাচলের গতি বেড়ে যায়। এরপর চরমপুলকের ধারায় পুরুষ এবং নারী যৌন আনন্দ পায়। পুরুষের মতো নারীর বীর্যপাত না হলেও তার যোনির ভেতরে তরলের রণ হয়। পুরুষের বীর্যপাত ঘটলে তার চরমপুলক এসে যায়। কোনো কোনো নারী একবার যৌনমিলনেই কয়েকবার যৌন আনন্দ লাভ করে। একে মাল্টিপোল অর্গাজম বলে। কিন্তু পুরুষের ক্ষেত্রে এ রকম ঘটতে দেখা যায় খুব কম। পুরুষের বীর্যপাত হলে তার লিঙ্গ শিথিল হয়ে পড়ে এবং নারীর যোনি ধীরে ধীরে শুষ্ক হয়ে উঠতে থাকে। এই পর্যায়ে শিথিল ধারায় আবির্ভাব ঘটে। অর্থাৎ পুরুষ এবং নারী উভয়ের দেহই শিখিল হয়ে পড়ে। কেননা যৌনমিলনের সময় যে শারীরিক এবং মানসিক গতির সঞ্জার হয় তা ধীরে ধীরে কমে আসে এবং সেই সাথে হৃদপিন্ডের ক্রিয়া ও শ্বাস-প্রশ্বাসের গতি স্বাভাবিক হয়। চরমপুলকের পরে পুরুষ এবং নারীর দৈহিক শিখিলতা অবস্থা শারীরবৃত্তীয় স্বাভাবিক কারণেই সংঘটিত হয়।
পুরুষ এবং নারী শিথিল অবস্থার পরবর্তী সময়ে আবার যৌনমিলনের জন্য উত্তেজিত হয়ে উঠতে পারে । নারীর ক্ষেত্রে যৌনমিলনের আনন্দ কোনো কোনো সময় খুব বেশি কাঙিত আবার কোনো কোনো সময় ততোটা কাঙিত হয়ে উঠে না। পুরুষের ক্ষেত্রে অবশ্য কোনো শারীরিক এবং মানসিক চাপ না থাকলে পুরুষের যৌন উত্তেজনা বৃদ্ধি পায়।
Related posts:যৌন উত্তেজনা বাড়ানোর ১০ উপায়

Bangla sex problem: বিবাহোত্তর যৌনতা

যৌবন প্রাপ্তির পর
যৌবন প্রাপ্তির পর পুরুষ যখন বিয়ে করে তখন নতুন করে যৌনজীবন শুরু হয়। বিবাহোত্তর যৌনতার ফলে পুরুষ এবং নারীর স্বাভাবিক জীবনে যৌন নানা বিষয়ে পরিবর্তন দেখা দিয়ে থাকে। যেমন আগে যখন পুরুষ হস্তমৈথুনের দ্বারা যৌন ইচ্ছার সমাপ্তি ঘটাতো তখন যৌনতার চিত্র ছিল এক রকম। কিন্তু বিয়ের পর যৌনতার ভিন্ন চিত্র দেখা দেয়। বিয়ের পরে পুরুষ এবং নারীর ব্যক্তিত্ব সংক্রান্ত পরিবর্তন এবং শারীরিক ও আবেগীয় পরিবর্তন দেখা দেয়। পাশাপাশি যে বিষয়টি লক্ষণীয় হয় তা হলো বিয়ের পরে পুরুষের নৈতিক চিন্তা ধারার ক্ষেত্রে পরিবর্তন দেখা দেয়। ফ্রয়েড এর মতে, বিয়ের পরে এবং বিয়ের পূর্বে পুরুষের যৌন চিন্তা চেতনা থাকে সম্পূর্ণ ভিন্ন রকম। এই সময়ে পুরুষের যৌন ইচ্ছার এবং যৌনতার অংশ গ্রহণের ব্যাপারেও পরিবর্তণ লক্ষণীয় হয়। বিবাহোত্তর যৌনতার বাহিরেও বেশ কিছু ক্ষেত্রে পুরুষকে যৌন জীবনে অভ্যস্ত হতে দেখা যায়। যেমন কেউ কেউ পতিতাদের সাথে সঙ্গমে অভ্যস্ত হয়, আবার কেউ কেউ অন্য যে কোনো উপায়ে যৌন ইচ্ছা অবদমন করে থাকে।
Related Posts: কিভাবে নারীর স্তনে চুম্বন করবেন ?
নারীর যৌনাঙ্গ

Bangla sex problem: নারী-পুরুষের কয়েকটি লক্ষ্যণীয় বিষয় সমূহ


যৌবন প্রাপ্তির পর পরই পুরুষ নানা প্রকার যৌন সঞ্চয় করে
যৌবন প্রাপ্তির সময়ে পুরুষের যৌনতা ব্যাপারে তীব্র আকর্ষণ জন্মায় । যাতে করে পুরুষ হস্তমৈথুন থেকে শুরু করে সমকামিতা এমনকি পতিতা সঙ্গম পর্যন্ত যৌনতার অভ্যস্ত হয়। পুরুষের এই সময়কার কিছু যৌন অভিজ্ঞতা হলো এ রকম-
কিছু কিছু পুরুষ এই সময়ে জন্ম নিরোধকের ব্যবস্থা নিয়ে যৌনমিলন করে থাকে।
অনেকেই কয়েকটা ইন্টেরেপ্টাস পদ্ধিতি গ্রহণ করে যাতে করে গর্ভাবস্থার ঝুকি কমানো যায়। এই পদ্ধতিতে পুরুষ যৌনমিলনের চূড়ান্ত পর্যায়ে নারীর যোনি থেকে তার লিঙ্গ অপসারণ করে। যাতে করে পুরুষের বীর্য নারীর জরায়ুতে  না পৌঁছায়।
কোনো কোনো পুরুষ এই সময়ে যৌন অভিজ্ঞতা সঞ্চয় করে গাড়ির ভেতরে বা নির্জন এলাকায়। অনেকে আবার বন্ধুর বাড়িতে বা অন্য কোনো আত্নীয়ের বাসায় প্রথম যৌন অভিজ্ঞতা সঞ্চয় করে। কোনো কোনো ক্ষেত্রে এমনো দেখা যায়। শারীরিক এবং মানসিক চাপের জন্য অনেক পুরুষ হোটেলে বা সমুদ্র তীরবর্তী অঞ্চলে যৌনমিলনে রত হয়। এ ক্ষেত্রে তাড়াতাড়ির জন্য অনেক পুরুষ এবং নারী কেবল মাত্র একে অন্যের যৌনাঙ্গ স্পর্শের দ্বারা যৌন তৃপ্তি লাভ করে।
পতিতা সহবাস যৌবন প্রাপ্তির পরে পুরুষের যৌন অভিজ্ঞতা সঞ্চয়ের একটি অন্যতম উপায়। সাধারণত অতিরিক্ত মাত্রায় এলকোহল সেবনের পরে অনেক পুরুষ স্বাভাবিকভাবেই স্ত্রীর কাছ থেকে বেমুখ হয়ে পতিতার সাথে সঙ্গম ঘটায়। এই সময়ে পুরুষের কার্যত বাহ্যিক কোনো জ্ঞান থাকেনা বিধায় অতি অল্প সময়ের মধ্যে পুরুষের বীর্যপাত ঘটায় এবং তাতেই সে তৃপ্তি লাভ করে।
এই জাতীয় অভিজ্ঞতা ছাড়াও স্বমেহন পুরুষকে স্বল্প মাত্রাই যৌন অভিজ্ঞতা এনে দিতে পারে । আবার অনেক পুরুষ যৌনতার চাইতে বরং অন্যান্য নেশা দ্রব্যের প্রতি আকৃষ্টি হয়, যেমন এলকোহল বা মারিজুয়ানা। ক্রমাগত এই জতীয় নেশা দ্রব্য ব্যবহারের ফলে বহু পুরুষের যৌন ই্‌চ্ছা একেবারে কমে যায় এবং তারা পুরুষত্বহীনতায় ভোগে।
সমকামিতা ও কিন্তু যৌন অভিজ্ঞতা সঞ্চয়ের একটি উপায়। সমকামিতা হলো পুরুষের অন্য পুরুষের প্রতি এবং নারীর অন্য নারীর পতি যৌন আকর্ষণ অনুভব করা। পুরুষ এবং নারীর সমকামিতায় যৌনমিলনের মতোই আনন্দ লাভ করে থাকে। এটি যৌবন প্রাপ্তির পরে বহু পুরুষের যৌন তৃষ্ণা নিবারণের একমাত্র উপায় হয়ে দাঁড়ায়।




Bangla sex problem: নারীর যৌনাঙ্গ

নারীর যৌনাঙ্গের অভন্তরে

নারীকে পুরুষের চাইতে আরো যে বিষটি স্বতস্ফূর্তভাবে পৃথক করেছে ,তা হলো নারীর অভন্তরীণ যৌনাঙ্গ ,তথা যোনি । পুরুষের লিঙ্গ বহিঃমুখী অথচ নারীর যৌন লিঙ্গ নেই , তবে যৌনাঙ্গ হিসেবে রয়েছে যোনি । এই যোনির মাধ্যমেই নারী পুরুষের সাথে যৌন মিলনে মিশে যায়। যোনি যৌন উত্তেজনার সময় পিচ্ছিল হয়ে উঠে। কেননা যৌন উত্তেজনার সময় নারীর ভেতর তরলের রণ হতে থাকে । নারীর যৌন স্বাভাবিক আকারে ৯ সেঃমিঃ প্রায় সাড়ে তিন ইঞ্চি। তবে এটি বিভিন্ন সময়ে পরিবর্দিত হয় যেমন যৌনমিলনের সময় , সন্তান জন্মের সময় এমনকি হস্তমৈথুনের বা স্বমেহনের সময়। যোনির সাথে সম্পর্কযুক্ত একই মাত্রার অঙ্গ হলো সারবিঙ । যোনিতে প্রায় ত্রিশ রকমের কৌশিক কলা রয়েছে । এগুলো গভীর এবং যৌনমিলনের সময় লিঙ্গের চাপ এটি সহ্য করে নিতে পারে । যোনি থেকে সাধারণত ল্যাকটিক এসিড রিত হয়। একে যৌনরস বা মিউকাস বলা হয় । এটি যৌন উদ্দিপক এক প্রকার তরল । নারীর যৌন উত্তেজনার চূড়ান্ত পর্যায়ে এই তরল যোনি বেয়ে বাইরে চলে আসতে পারে। নারীর অপরাপর আভ্যন্তরীণ যৌনাঙ্গগুলো হলো , জরায়ু , পেলভিস, ওভারি ইত্যাদি। জরায়ুবা ইউটেরাস নারীর যৌন জীবনের জন্য সবচেয়ে বেশি প্রয়োজনীয় । একই সাথে এটি গুরুত্বপূর্ণ ও বটে । নারীর যৌন জীবনের ততোথিক গুরুত্বপূর্ণ যৌনাঙ্গ হলো ওভারি বা ডিম্বাসয় । যৌনমিলনের পরে পুরুষের লিঙ্গ নিঃসৃত বীর্য নারীর ওভারিতে ডিম্বাশয়ে জমা হয় এবং তার পরে এটি ফ্যালোপিয়ান টিউব বেয়ে উপরিস্থিতি অংশ হলো ওভিডাক্ট। এটি ফ্যালোপিয়ান টিউবের সাথে সম্পর্কযুক্ত একটি অঙ্গ । মোটা মুটি এই হচ্ছে নারীর অভ্যন্তরীণ যৌনাঙ্গ । যার দ্বারা নারীর যৌন জীবন পূর্ণাঙ্গ হয়।


নারীর বহিঃ যৌনাঙ্গ

অন্যান্য অঙ্গ প্রত্যঙ্গের বাইরে পুরুষের চেয়ে নারীর স্বতন্ত্র কিছু যৌনাঙ্গ রয়েছে । প্রথমত এটি হচ্ছে স্তন বা ব্রেস্ট । নারীর স্তন যুগল একই সাথে নারীরত্বকে ফুটিয়ে তোলার পাশাপাশি এটি যৌন জীবনে এবং মাতৃত্বকালীন সময়ে বিশেষ ভূমিকা রাখে। নারীর নারীত্ব পূর্ণ মাত্রায় ফুটে উঠে তার স্তনের বিকাশের সাথে সাথে । পুরুষের নারীর মতো স্তন নেই তবে স্তনের স্পর্শে পুরুষও আবেদিত বা উত্তেজিত হয়। যৌন জীবনের প্রধান ভূমিকা রাখে নারীর স্তন। স্তনের স্পর্শের দ্বারা নারী সবচেয়ে মৌলিক এবং চূড়ান্ত যৌন উত্তেজনার পর্যায়ে পৌঁছে যায়। নারীর বহিঃ যৌনাঙ্গের মধ্যে সবচেয়ে আবেদনশীল যৌনাঙ্গ হলো তার কিটোরিস। এটি নারীর বাইরের যৌনাঙ্গ। কিটোরিসকে বাংলাতে ভগাংকুর বলা হয় । বিভিন্ন পরীক্ষায় দেখা গেছে যে ভগাংকুরের দৈঘ্য এবং প্রস্থ সব নারীর একই সমান নাও হতে পারে তবে সব নারীর ক্ষেত্রেই ভগাংকুরের স্পর্শের আনন্দ অপরিসীম ।

কিটোরিস এর মাথা নরম চামড়ার দ্বারা বা ত্বকের আবৃত থাকে। একে কিটোরাল হুড বা ভগাংকুরের আবৃত মাথা বলা যেতে পারে । এই মাথাকে আস্তে সরিয়ে নিলেই লালচে কিংবা সাদাটা যে নরম মাংসের ছোট পিন্ড দেখা যাবে সেটি হলো কিটোরিস নারী এখানে স্পর্শে আনন্দ অনুভব করে । এই আনন্দ চরমপুলকের মতো আনন্দ দিতে পারে । কোনো কোনো নারীকে দেখা যায় যে তারা যৌনমিলনের আনন্দের চাইতে ভগাংকুরের বা কিটোরিসের স্পর্শে আনন্দ উপভোগ করে বেশি এবং জীবনব্যাপী তারা যৌন আনন্দ এর মাঝে খুজে পায় । কিটোরিসে যদি নিজ হাতে স্পর্শ করে শারীরিক আনন্দ পাওয়া যায় তবে তাকে স্বমেহন বলা যেতে পারে । কিন্তু বা স্বামির যৌন সঙ্গীর স্পর্শে উক্ত শারীরিক আনন্দ পেলে তাকে আউটার কোর্স বা বাইরের যৌনতা বলা হয় । কিটোরিসের পরে নারীর বহিঃযৌনাঙ্গের মধ্যে যৌনির মুখ এবং যৌনির ঠোঁটের ব্যাপারটি চলে আসে । নারীর যোনির অর্থাৎ যৌনমিলনের প্রধান অঙ্গের উপরিভাগে দুটো ঠোঁট থাকে । এর একটির নাম ল্যাবিয়া ম্যাজোরা এবং অন্যটির নাম ল্যাবিয়া ম্যানোরা । ল্যাবিয়া ম্যাজোরা হলো অপোকৃত বড় ঠোঁটটির নাম এবং ল্যাবিয়া ম্যানোরা হলো অপোকৃত ছোট ঠোঁটটির নাম। যৌন উত্তেজনার সময় যোনির এই দুটি ঠোঁট এমনিতেই একটু ফাঁক হয়ে যায় বা সরে যায় । কিটোরিসের নিচে মূত্র নালীর একটি জায়গা আছে । এখান দিয়ে নারীর মূত্র ত্যাগ করতে হয় । মোটা মুটি নারীর বহিঃযৌনাঙ্গের ধারণা হলো এমন । নারীর এই বহিঃযৌনাঙ্গের পুরো অঞ্চলটিকে বলা হয় ভাবলা এই অঞ্চলে প্রচুর যৌন কেশ বা যৌন লোমের বিকাশ




Bangla sex problem: নারীর স্বমেহন প্রক্রিয়া

যৌনমিলন ছাড়া ও নারী চূড়ান্ত যৌন আনন্দ পেতে পারেএটি হচ্ছে নারীর স্বমেহন প্রক্রিয়া । নারী যদি স্বমেহন বা হস্তমৈথুন করে তবেও তার যৌন আনন্দ পেতে পারে । নারীর ভগাংকুরের অংশটি সবচেয়ে বেশি উত্তেজক অংশ এখানে নারী হাতের স্পর্শে বা যৌনির ভেতরে লিঙ্গ সদৃশ্য কোনো কিছু ঢুকিয়ে নারী যৌন আনন্দ পেতে পারে । অনেকে মনে করেন যৌনমিলন ছাড়া যৌন আনন্দ পাওয়া আদৌ সম্ভব নয় । কিন্তু এটি সত্য যে স্বমেহন যৌন জীবনের একটি স্বাভাবিক অংশ । এটি শারীরিক কোনো তি করে না । এটি দিনে রাতে যে কোনো সময় যৌন সঙ্গি বা সঙ্গিনীর সাহায্য ছাড়াই করা যেতে পারে । যৌন বিশেষজ্ঞ হ্যাভলক এলিস মনে করেন হস্তমৈথুন বা স্বমেহন বহু নারী কে অন্য মাত্রার যৌনানুভূতি এনে দিতে পারে । হয়তো নারী ঠিক এভাবে এর আগে কখনো যৌন আনন্দ অনুভব করেনি । স্বমেহন ক্ষেত্রে যে ব্যাপারটি ঘটে সেটি হলো নারী তার যৌন অনুভূতিকে নিজে নিজেই নিয়ন্ত্রণ করতে পারে । কৈশোরকালিন সময়ে সাধারণত একজন নারী বা পুরুষ স্বমেহনের ব্যাপারে জানতে পারে । স্বমেহন নারীর যৌন আনন্দের তীব্রতা বাড়াতে পারে । এটি পুরুষের জন্য ও সমানভাবে আনন্দজনক । পুরুষ গড়ে নারীর চাইতে বেশি হস্তমৈথুন করে থাকে । পুরুষ এবং নারীর স্বমেহনের পর পার্থক্য হলো পুরুষ শতকরা ৮১ জন এবং নারী শতকরা ৫৯ জন । নারী এবং পুরুষ যৌন আনন্দের বিকল্প উপায় হিসাবে স্বমেহনকে বেছে নেয় । আবার কেউ কেউ স্বমেহনকালীন সময়ে যৌন ফ্যান্টাসিকে গ্রহন করে । এতে করে যৌন অনুভূতি আরো বেড়ে যেতে পারে । বয়ঃসন্ধিকালীন সময়ে নারীর স্বমেহনের ব্যাপারে অতি উৎসাহ দেখা যেতে পারে ।তার প্রধান কারণ এই সময়ে নারীর শরীরে হরমোন নিঃসরণের পরিমান বেড়ে যায় । অনেক বাবা মা তাদের ছেলে বা মেয়ে কে যৌনতা একটি নোংরা ব্যাপার এই বিষয়ে ধারণা দিয়ে থাকেন । এরকম ধারণায় পরবর্তী সময়ে বিশ্বাসী হয়ে অনেক নারী এবং পুরুষ যৌনতার ব্যাপারে অনাগ্রহি হয়ে উঠে । মনে রাখা উচিত যৌনতা আদৌ কোনো খারাপ বিষয় নয় । এটি মনোদৈহিক এবং শারীরিক উৎকর্ষতা তৈরি করে । তবে পাশা-পাশি এটিও সত্য যে অতিরিক্ত স্বমেহনে নারীর এবং পুরুষের স্ব্যাস্থগত সমস্যারও সৃষ্টি করতে পারে । এটি ততোক্ষন ভাল যতকক্ষন পর্যন্ত শরীরে প্রয়োজনীয় পুষ্টি এবং ভিটামিনের স্থিতিস্থাপকতা বজায় থাকে ।
নারীর জন্য কোনো কোনো সময় স্বমেহনের প্রয়োজনীয়তা দেখা দিতে পারে । এটি সুস্থ্য যৌনতারই প্রকাশ ঘটায় । তবে পুরুষদের হস্তমৈথুন সংক্রান্ত কিছু ধারণা হলো –
হস্তমৈথুন যৌন উত্তেজনা কমায় না ।
হস্তমৈথুনে বীর্যপাত হয় সামান্য ।হস্তমৈথুনের সময় যৌন উত্তেজক ছবি দেখা ভলো ।হস্তমৈথুনে লিঙ্গের দৃঢ়তা বাড়ে ইত্যাদি ।
পাশাপাশি বহু পুরুষের যৌনতা এবং হস্তমৈথুন সম্পর্কে কিছু ভ্রান্ত ধারণা আছে এবং তারা হস্তমৈথুনকে পাপ মনে করেন । সাধারণত এই বিশ্বাসগুলো সৃষ্টি হয় বিভিন্ন কারণে । যেমন-বৃদ্ধ বয়সে ধর্মীয় বিশ্বাস ।ডাক্তারী ভ্রান্ত কৌশল অবলম্বন ।পিতা মাতার কঠোর শাসন ।সব নারীকেই পবিত্র মনে করা ।ডাক্তারদের ভুল ব্যাখ্যা ।কুসংস্কার ইত্যাদি ।
এর পাশপাশি একজন হস্তমৈথুনকারী আরো বিভিন্ন বিষয় চিন্তা করে দুশ্চিন্তাগ্রস্ত হয়ে পড়ে অন্যান্য ক্ষেত্রে তার চিন্তা ভাবনা ও বিশ্বাসগুলো হলো:এটি শারীরিক ও মানসিক অসুস্থতার সৃষ্টি করে ।এটি চোখের দৃষ্টি কমিয়ে দেয় ।এক ফোঁটা বীর্যে চল্লিশ ফোঁটা রক্ত থাকে ।অতিরিক্ত হস্তমৈথুন পুরুষকে পুরুষত্বহীন করে তোলে ।হস্তমৈথুন লিঙ্গের ্লায়ু এবং রক্তচলাচলের কোষকে দুর্বল করে তলে ।এটি পিঠ ব্যথার সৃষ্টি করে ।এটি সামাজিকতার চোখে নিন্দনীয় ।এটি একজন পুরুষকে সমকামী করে তুলতে পারে ।
উপরের সবগুলোই চিন্তা ভ্রান্ত এবং বাস্তবতা বহির্ভূত । হস্তমৈথুন কোনো কোনো সময় মানসিক চাপ সৃষ্টি করে ঠিকই কিন্তু এর ফলে দৈহিক এবং মানসিক কোনো পরিবর্তন হয় না । হস্তমৈথুনের ব্যাপ্যারে কিনসে প্রকাশিত আসল তথ্যগুলো হলো -পরিমিত মাত্রার হস্তমৈথুন ভালো।২৫ বছরের পর দৈনন্দিন হস্তমৈথুন তিকর নয় ।এটি একটি স্বাভাবিক শারীরিক প্রক্রিয়া ।
এটি আত্নবিশ্বাস বাড়ায় ।
মাত্রা অতিরিক্ত হস্তমৈথুন (যেমন দিনে একাধিক বার) খারাপ ।এটি যৌন অনুভূতি চাঙ্গা করে ।হস্তমৈথুন যৌনমিলনের কৌশল বাড়াতে সাহায্য করে ।এটি আত্মতৃপ্তিদায়ক যৌন অভ্যাস ।
স্বাভাবিকভাবে হস্তমৈথুনের ফলে কেউ যদি মানসিক এবং শারীরিক ভাবে দুর্বল হয়ে পড়ে এবং ব্যাপারটি নিয়ে উদ্বিগ্ন হয়ে পড়ে তবে নিচের ব্যবস্থাপত্র গ্রহন করা উচিত – বি কমপ্লেঙ ইনজেকশন প্রতি দিন একটি করে পনের দিন ।ট্যাবলেট এম ভি এফ এঙ এক মাস সেবন করতে হবে ।প্রতিদিন ঘুমের আগে ৫মিলি গ্রাম ডায়াজিপাম একটি করে সেবন করতে হবে।ট্যাবলেট সেট্রা-৫০ মিলিগ্রাম প্রতিদিন একটি করে সেবন করতে হবে ।ধন্যবাদ




Bangla sex problem: শারীরিক মিলনের বিভিন্ন দিক


ভালোবাসা প্রকাশের এক গুরুত্বপূর্ণ দিক শারীরিক মিলন

শারীরিক প্রয়োজনীয়তার একপ্রকার বহিঃপ্রকাশ সেক্স্যুয়াল অ্যাক্টিভিটি৷ কিন্তু আপনি জানেন কি শারীরিক চাহিদা বা ভালোবাসা প্রকাশের দিক ছাড়াও এর অনেক গুণ আছে যার ফলে আপনার ব্যক্তিজীবন আনন্দে ভরপুর হয়ে উঠতে পারে—
* ভালো ব্যায়াম : শারীরিক মিলনের সময়ে অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ যেভাবে সঞ্চালিত হয় তার মাধ্যমে ব্যয়াম কার্য খুব ভালো ভাবে সম্পাদিত হয়৷ এর দ্বারা প্রচুর ক্যালোরি খরচ হয়, ফলে কোলেস্টেরলের মাত্রা কম হয়, রক্তপ্রবাহ ভালো হয়, শারীরিক মিলন কার্যে আপনি 30 মিনিট লিপ্ত থাকলে আপনার 85 ক্যালোরি খরচ হয়৷ আপনি এক সপ্তাহ নিয়মিত হাঁটা-চলা করলে যে পরিমান ক্যালোরি খরচ হয়, সপ্তাহে তিন দিন নিয়মিত ভাবে শারীরিক মিলনে লিপ্ত হলে আপনার সেই পরিমান ক্যালোরি খরচ হবে৷ সারা বছর নিয়মিত রূপে শারীরিক মিলনে লিপ্ত হতে পারলে 75 মাইল জগিং করার সমান ক্যালোরি আপনার শরীর থেকে নির্গত হবে৷
* রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাঁড়ায় :
রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতার ক্ষেত্রে অর্থাত আমাদের ইমিয়্যুন সিস্টেম ঠিক রাখতে সাহায্য করে আমদের শারীরিক মিলন প্রক্রিয়া৷ রোগ প্রতিরোধের ক্ষেত্রে এটি থেরাপির মত কাজ করে, এর মাধ্যমে পাচন কার্য ঠিক হওয়ার ফলে রোগ প্রতিরোধক ক্ষমতা সুদৃঢ় হয়৷
* জীবন কাল বাড়ে :
নিয়মিত সেক্স্যুয়াল অ্যাক্টিভিটি আপনার আয়ু বাঁড়ায়৷ এর মাধ্যমে শরীরের সব অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ এবং সব তন্ত্র খুব ভালো ভাবে কাজ করে৷ কারণ শারীরিক কার্যকলাপ শরীরের বিভিন্ন কোষের মধ্যে অক্সিজেনের মাত্রা বৃদ্ধি করে বিভিন্ন অঙ্গগুলিকে সচল রাখতে সাহায্য করে৷ একদিকে যেখানে সেক্স্যুয়াল অ্যক্টিভিটির দ্বারা শরীরে কোলেস্টেরলের মাত্রা সঠিক থাকে তেমনি কোলেস্টেরলের মাত্রা ধীরে ধীরে কমতে থাকে৷ সপ্তাহের তিন বার বা তার থেকে বেশী বার শারীরিক মিলন হার্টঅ্যাটাকের সম্ভাবনা কমিয়ে দেয়৷
* ব্যাথা থেকে মুক্তি পাওয়া যায় :
বিভিন্ন অধ্যয়নের দ্বারা জানা গেছে শারীরিক মিলনের ফলে মাথা এবং হাড়ের জয়েণ্টের ব্যাথার ক্ষেত্রে আরাম পাওয়া যায়৷ ওর্গাজমের আগে অক্সিটোসিন হর্মোনের স্তর সামান্য থেকে পাঁচ গুন বেঁড়ে যাওয়ায় এণ্ড্রোফিন হর্মোন নিংসৃত হতে থাকার ফলে মাথা ব্যাথা, মাইগ্রেন আর আর্থারাইটিসএর ব্যাথা থেকে আরাম পাওয়া যায়৷ তাই ব্যাথা কমানোর ওষুধ না খেয়ে শারীরিক মিলনের আনন্দ উপভোগ করুন আর ব্যাথা থেকে নিষ্কৃতি পান৷
* পিরিয়ডের সময় ব্যাথা কম হয় :
যে সব মহিলাদের সেক্স্যুয়াল লাইফ খুব ভালো হয় তাদের পিরিয়ডের ক্ষেত্রে সমস্যা কম হয়৷ সাধারণতঃ পিরিয়ডের সময় মহিলাদের খুব বেশী ব্যাথা হযে থাকে৷ যাদের সেক্স্যুয়াল লাইফে কোন প্রকার অসুবিধা থাকে না তাদের এই সময়ে ব্যাথার অনুভুতি কম হয়৷ আর শরীরিক মিলনের দিক ঠিক থাকলে পিরিয়ডের আগে মহিলাদের মধ্যে অনেক সময় যে সমস্যা দেখা যায় তাও থাকে না৷
* মানসিক অশান্তি থেকে মুক্তি :
মানসিক প্রশান্তি আনার দিক থেকে নিয়মিত শারীরিক মিলনের অভ্যাস সবথেকে ভালো৷ কারণ শারীরিক মিলনের ফলে মন উত্ফুল্ল থাকে ফলে মানসিক অশান্তি কম হয়৷
* ভালোবাসা বাড়ে :
শারীরিক মিলনের আকর্ষনের ফলে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে দূরত্ব কম হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে মনে খুশী সঞ্চারিত হয়৷ মনের উদাসিনতা দূর করতে এই কার্যকারীতা ভীষণ জরূরী৷ মানসিক দিক থেকে বিরক্তির নানা কারণ শারীরিক মিলনের ফলে দূর হয়ে যায়৷ এই সান্নিধ্যের ফলে সঙ্গীর সঙ্গে সম্পর্ক ভালো হয় এবং দুজনের মধ্যে ভালোবাসা বাড়ে৷ যে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে শারীরিক সম্পর্ক উন্নতমানের তারা তাদের সম্পর্কের ক্ষেত্রে কোন সমস্যায় পড়লে তার সমাধান একসঙ্গে করতে পারেন৷
* কাজ করার ক্ষমতা বাড়ে :
শারীরিক মিলনের সময় হরমোন নিঃসরণ হয় তাই মন শান্ত থাকে আর নিরন্তর কাজের ক্ষমতা বাড়তে থাকে৷ নিয়মিত ভাবে শারীরিক মিলনের ফলে ব্যক্তির যৌবন অনেক দিন পর্যন্ত বর্তমান থাকে৷ এর মাধ্যমে ফিটনেস লেবেল বাড়ে৷ শারীরিক মিলনের ফলে ব্যক্তি সারাদিন স্ফুর্তি অনুভব করে৷ সারাদিনের কাজে এই স্ফুর্তির প্রভাব দেখা যায়৷ এর দ্বারা সারাদিনের ক্লান্তি থেকে এবং নানা রোগের হাত থেকে মুক্তি পাওয়া যায়৷
* ভালো ঘুম হয় :
শারীরিক মিলনের ফলে অক্সিটোসিন হরমোন রিলিজ হয়, ফলে মিলনের পরে ঘুমও খুব ভালো হয়৷ তাই যাদের ঘুমের ক্ষেত্রে কোন অসুবিধা আছে তারা অতি অবশ্যই এই পদ্ধতি অবলম্বন করে দেখতে পারেন৷
* আত্মবিশ্বাস বাড়ে :
শারীরিক মিনলের ফলে ব্যক্তির মনে স্বকারাত্মক চিন্তা করার ক্ষমতা বাড়ে৷ তার ভেতর কার সন্তুষ্টি তার মানসিক প্রশান্তি তার মধ্যে আত্মবিশ্বাসের পরিমান বাড়িয়ে তোলে৷
* ওজন কমে :
শারীরিক মিলনের ফলে প্রচুর পরিমান ক্যালোরি কম হয় তার ফলে ব্যক্তির ওজন কম হয়৷ নিয়মিত ভাবে শারীরিক মিলনের ফলে পেটের স্থূলতা কম হয়, আর মাংসপেশীতে জড়তা কম দেখা যায়৷
* সৌন্দর্য্য বাড়ে :
শারীরিক মিলন কালে হরমোন নিঃসরনের ফলে রক্তপ্রবাহের মাত্রা বেড়ে যাওয়াতে তার প্রভাব পড়ে ত্বকের ওপরে৷ তার ফলে সৌন্দর্য্য বেড়ে ওঠে৷ আপনার সারা শরীরের মাদকতা আপনার মধ্যে গ্লো আনে৷ শারীরিক মিলন কালে মহিলাদের শরীর থেকে এস্ট্রোজেন হরমোন নিংসৃত হতে থাকে, যার দ্বারা তাদের চুল এবং ত্বক আকর্ষনীয় হয়ে ওঠে৷
* ভালো ত্বক :
শারীরিক মিলনের সময় সারা শরীরে একপ্রকার ম্যাসাজ চলে তার দ্বারা রিল্যাক্সেশনের ফলে শরীরে কোন প্রকার দাগ থাকে না বা তা ধীরে ধীরে লুপ্ত হতে থাকে৷
* প্রোস্টেটে ক্যান্সার প্রবণতা কম হয় :
নিয়মিত শারীরিক মিলনের ফলে প্রোস্টেটে ক্যান্সার হওয়ার সম্ভাবনা কমে যায়৷
* হাপানি বা জ্বর থেকে মুক্তি :
শারীরিক মিলনকে ন্যাচারাল অ্যাণ্টি হিস্টামাইন রূপে দেখা হয়৷ এর দ্বারা নাক বন্ধ থাকলে তা খুলে যায়৷ আর যাদের ফুসফুসের সমস্যা বা জ্বর হয় তাদের সমস্যার সমাধানও হয়ে থাকে৷
* কার্ডিওভাস্কুলার এর ক্ষেত্রে উন্নতি :
মহিলারা শারীরিক মিলনের সময় উত্তেজিত হয়ে উঠলে তাদের হার্টের গতি বেড়ে যায়, ফলে তাদের কার্ডিওভাস্কুলার এর সমস্যার সমাধান হয়ে থাকে৷
* বিস্বস্ত তা বাড়ে :
স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে শারীরিক মিলনের বোঝা পড়া ঠিক থাকলে তার একে ওপরকে কখনও ঠকায় না৷ তাদের ঘনিষ্ঠতা তাদের এমন কাজ করতে দেয় না৷
* রক্তের প্রবাহ বৃদ্ধি পায় :
শারীরিক মিলনের সময় ব্যক্তির উত্তেজনা বৃদ্ধি পাওয়ার ফলে তার সারা শরীরে রক্তপ্রবাহের মাত্রা বেড়ে যায়৷ এর ফলে সারা শরীরের প্রতিটি কোষে সঠিক মাত্রায় অক্সিজেন পৌঁছায়৷




৫ টি গর্ভকালীন সাধারণ সমস্যা এর সমাধান

মা হওয়ার সময় একটি মেয়ের শরীর ও মনে ঘটে নানা স্বাভাবিক পরিবর্তন ও প্রতিক্রিয়া। প্রায় প্রতিটি মেয়েরই এমন কিছু শারীরিক সমস্যা দেখা দেয়, যা সহজে মানিয়ে নেওয়ার জন্য চাই কিছু বাড়তি যত্ন। চলুন জেনে নিই এমন পাঁচটি পরিচিত সমস্যার কথা।

সকালে…
সকালবেলা বিছানা ছাড়ার পরই প্রচণ্ড বমি ভাব, বমি, মাথা ঘোরা—এই উপসর্গের নাম মর্নিং সিকনেস। প্রথম সন্তান ধারণের সময় এটি বেশি হয় এবং দেখা দেয় প্রথম ও দ্বিতীয় মাসেই, তিন মাসের পর সাধারণত সেরে যায়। ২৫ শতাংশ নারীর এই সমস্যা একেবারে নাও হতে পারে। গর্ভাবস্থায় রক্তে কিছু হরমোনের মাত্রা বেড়ে যাওয়াই এর কারণ।
মর্নিং সিকনেস থেকে রক্ষার উপায়
১. সকালে একবারে বেশি কিছু না খেয়ে অল্প অল্প করে শুকনো খাবার, যেমন টোস্ট বিস্কুট ও আমিষসমৃদ্ধ খাবার খান।
২. তৈলাক্ত খাবার এড়িয়ে চলুন, যে খাবার দেখলে বা খেলে বমির উদ্রেক হয় তাও এড়িয়ে চলুন।
৩. চিকিৎসকের পরামর্শে ওষুধ সেবন করতে পারেন।
৪. অতিরিক্ত বমি হলে বা পানিশূন্যতা বা লবণশূন্যতা দেখা দিলে অবশ্যই চিকিৎসকের শরণাপন্ন হন।
পায়ে পানি আসা
গর্ভাবস্থায় পায়ে অল্প পানি জমাটা স্বাভাবিক। এ জন্য আতঙ্কিত হওয়ার বা চিকিৎসা নেওয়ারও কিছু নেই।
১. বেশিক্ষণ পা ঝুলিয়ে বসে থাকবেন না, পায়ের নিচে মোড়া বা টুল দিন।
২. খাবারে অতিরিক্ত লবণ এড়িয়ে চলুন।
৩. বিশ্রাম বা ঘুমের সময় পায়ের নিচে বালিশ দিতে পারেন।
৪. পা অনেক বেশি ফুলে গেলে, যদি দৃষ্টি ঝাপসা হয়ে আসে, মাথা ব্যথা হয় বা রক্তচাপ বেড়ে যায় তবে দ্রুত চিকিৎসকের শরণাপন্ন হন।
কোমর ব্যথা
৫০ শতাংশ মেয়ে কোমর ব্যথায় আক্রান্ত হয়। ওজন বৃদ্ধি ও অস্থিসন্ধির শিথিলতা এর জন্য দায়ী। তবে উঁচু হিলের জুতা পরা, প্রস্রাবে সংক্রমণ বা কোষ্ঠকাঠিন্যও এর কারণ হতে পারে। পা উঁচু করে বিশ্রাম নিলে কিছুটা আরাম পাবেন। সঠিক ভঙ্গিতে শোয়া বা বসা, শক্ত বিছানা ব্যবহার করা, কোমরে মালিশ বা সেঁক এবং বেশি ব্যথা হলে পরামর্শ অনুযায়ী ওষুধ খেতে পারেন।
ঘন ঘন প্রস্রাব
৮ থেকে ১২ সপ্তাহে এই বিরক্তিকর সমস্যা দেখা দেয়। জরায়ুর আকার বড় হওয়ার কারণে মূত্রথলিতে চাপ দেয় বলে এমন ঘটে। ১২ সপ্তাহের পর সেরে গেলেও শেষ দিকে শিশুর মাথা নিচে নামতে শুরু করলে মূত্রথলিতে চাপ দিলে আবার দেখা দেয়। প্রস্রাবে জ্বালাপোড়া বা তলপেটে ব্যথা না থাকলে এ নিয়ে দুশ্চিন্তার কিছু নেই।
পেট শক্ত হয়ে আসা
মাঝেমধ্যে পেশির সংকোচনের জন্য পেট শক্ত হয়ে আসে। সাধারণত ব্যথা থাকে না এবং একটু পর নিজেই চলে যায়। তবে ব্যথা যদি থাকে ও তীব্রতা বাড়তে থাকে সে ক্ষেত্রে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। কোষ্ঠকাঠিন্য বা প্রস্রাবে সংক্রমণ থাকলে চিকিৎসা করুন।

Bangla Sex Problem: মাসিকঃযা একান্তই মেয়েদের


অনেক মহিলাই চরমপুলক পান না বলে অভিযোগ করেন। এর পেছনে কাজ করে কিছু মানসিক এবং দৈহিক কারণ। নিম্নের পরামর্শগুলো আপনাদের কাখিত লক্ষ্যে পৌঁছতে সাহায্য করবে-
(ক) মানসিক পরামর্শ
১. দৈহিক মিলনের পূর্বে মানসিক প্রস্তুতি গ্রহণ করুন।  প্রেম বা আদি রসের গল্প করুন প্রেম সঙ্গীত শুনুন অথবা ভিডিও দেখুন এসব কিছুই আপনাকে দৈহিক এবং মানসিকভাবে উত্তেজিত করবে। শুরুর এই উত্তেজনাই আপনাকে চরমপুলক লাভে সাহায্য করবে।
২. দুশ্চিন্তা দূর করুন। মানসিক দুশ্চিন্তা চরমপুলক পেতে বাধা দেয়। শান্ত হন, গান শুনুন, গরম পানিতে গোসল করুন, বই পড়ূন, অথবা পছন্দমত যে কোনো কাজ করুন যা আপনাকে দৈহিক মিলন সংক্রান্ত দুশ্চিন্তা দূর করবে। দুশ্চিন্তাবিহীন দৈহিক মিলন আপনাকে দেবে চরমপুলক।
৩. দৈহিক মিলনের সময় মনোযোগ নষ্টকারী উপাদান দূর করুন। অনেক মহিলাই দৈহিক মিলনের সময় অন্য কিছু চিন্তা করেন। যেমন- কোনো কাজের কথা, কেউ দেখে ফেলছে কি-না ইত্যাদি ভেবে উৎকন্ঠিত হন। এমনকি উজ্জ্বল আলো, শব্দ, পোষা প্রাণীর উপস্থিতি ইত্যাদি যে কোনো কিছুই আপনার মনকে বিক্ষিপ্ত করতে পারে। এসব কিছুই দূর করুন। চরমপুলক অবশ্যই লাভ করবেন।
৪. রাগ দূর করুন। রাগ মানুষের মাঝে দূরত্ব সৃষ্টি করে। আপনার পার্টনারের প্রতি বিদ্বেষ নিয়ে দৈহিক মিলনে চরমপুলক পাবেন না। তাই দৈহিক মিলনের আগেই আপনার পার্টনারের সাথে হৃদয়ের মিলন ঘটান।
৫. শারীরিক ত্রুটি নিয়ে উৎকন্ঠিত হবেন না। আপনার রূপ, রস, গন্ধ আপনার পার্টনারকে প্রভাবিত করতে পারবে কি-না এ নিয়ে উৎকন্ঠিত হলে চরমপুলক প্রাপ্তি বাধাগ্রস্ত হবে। আপনার যতটুকু আছে তাই আপনার পার্টনারকে সন্তু্তুষ্ট করতে সক্ষম। মনে রাখবেন একটি সুন্দর দেহের চেয়ে একটি মজার মেয়েই দৈহিক মিলনে পুরুষের কাছে আকর্ষণীয়। সুতরাং চরম পুলক পেতে চাইলে ‘স্মাট’ হন।
৬. দৈহিক মিলনে উত্তেজিত অবস্থা ধরে রাখুন। দৈহিক মিলনের সময় আপনার পার্টনার আপনার সাথে কি করছেন তা গভীরভাবে চিন্তা ও উপভোগ করুন। প্রয়োজনে চোখ বন্ধ করে কল্পনা করুন।
৭. মনোযোগী হন। আপনার দেহের উত্তেজক স্থানের পুলকে মনোনিবেশ করুন। যেমন- ভগাঙ্কুর, যোনিপথ, নিপল ইত্যাদি।
৮. যোনিপথ চরমপুলক লাভের প্রধান পথ নয়। অধিকাংশ মহিলার ধারণা যোনিপথ ছাড়া চরমপুলক পাওয়া যায় না। এটি সম্পর্ণ ভুল ধারণা। একজন মহিলা শুধুমাত্র ভগাঙ্কুরের মাধ্যমেই চরমপুলক পেতে পারেন। কিন্তু্তু যোনিপথে চরমপুলক কখনই ভগাঙ্কুরের সাহায্য ছাড়া পাবেন না। সুতরাং পূর্বের ভুল ধারণা ত্যাগ করুন।
৯. সঠিক সময় নির্বাচন করুন। সাধারণত সবাই গভীর রাতকেই দৈহিক মিলনের জন্য বেছে নেন। সে সময় দৈহিক অবসন্নতা ও ঘুম ঘুম ভাব চলে আসে, যা চরমপুলক লাভে বিশেষভাবে মহিলাদের ক্ষেত্রে অন্তরায় হয়ে দাঁড়ায়। এমন সময় নির্বাচন করুন যখন আপনার দেহ থাকবে সজিব এবং চটপটে।
(খ) দৈহিক পরামর্শ
১. নিজের শরীরকে জানুন। দৈহিক মিলনের সময় কোনো বিশেষ স্থানের এবং কোনো বিশেষ ধরনের সপর্শ আপনাকে বেশি আনন্দ দিচ্ছে তা খেয়াল করুন। এটা আপনার পার্টনারকে বলুন, প্রয়োজনে তাকে শিখিয়ে দিন। দুজনেই দুজনার শারীরিক ব্যাপারে বিশেষজ্ঞ হয়ে উঠুন। বেশিরভাগ মহিলাই চরমপুলক পান না শুধুমাত্র তাদের দৈহিক চাহিদা পরণের উপায় না জানার জন্য।
২. সরাসরি আলোচনা করুন। লজ্জা করবেন না। আপনার পার্টনারকে আপনার চাহিদা সরাসরি জানান। প্রয়োজনে তাকে গাইড করুন।
৩. আপনার পার্টনার সঠিকভাবে এগোচ্ছে কি-না নিশ্চিত হন। আপনাকে দৈহিকভাবে উত্তেজিত করার সময় পার্টনার সঠিক স্থানে এবং সঠিকভাবে সপর্শ করছেন কিনা খেয়াল করুন। ভুল শুধরে দিন। ভুল পথে এগোলে চরমপুলক পাবেন না।
৪. যৌন টান বৃদ্ধি করুন। চরমপুলক প্রাপ্তির আগে মাংসপেশি টান টান হয়ে আসে। এটি বেশি ঘটে মেয়েদের ক্ষেত্রে। দৈহিক মিলনের সময় মাংসপেশি টান টান রাখুন।
৫. যোনির চারপাশের মাংসপেশিতে চাপ প্রদান করুন। যৌন মিলনের সময় চরমপুলক পেতে যোনির চারপাশের মাংসপেশিতে চাপ প্রদান করে টান টান উত্তেজনা আনুন।
৬. মাথা বিছানার পাশে ঝুলিয়ে দিতে পারেন। কোনো কোনো মহিলা যৌন সঙ্গমের সময় মাথা বিছানার এক পাশে ঝুলিয়ে রেখে বেশি পুলক অনুভব করেন।
৭. বিভিন্নভাবে শ্বাসপ্রশ্বাস গ্রহণ করুন ও ছাড়ূন। নিশ্বাসে ও প্রশ্বাসে বৈচিত্র্যতা আপনাকে দিতে পারে আরো আনন্দ আরো পুলক।
৮. আপনার পার্টনারকে আপনার সপর্শকাতর ও আনন্দপূর্ণ স্থানগুলোতে বারবার আলতো সপর্শ করতে বলুন যা আপনার আনন্দ প্রাপ্তিকে আরো বাড়িয়ে দেবে।
৯. অর্গাজম রিহার্সেল। কেউ কেউ চরম পুলক প্রাপ্তি নিয়ে উদ্বিগ্ন থাকেন। তাদের জন্য সমস্যা হয় এমতাবস্থায় তারা বিভিন্ন ধরনের শব্দ সৃষ্টি করে আনন্দ পেতে পারেন এবং উদ্বিগ্নতা কমাতে পারেন।
১০. যারা সঙ্গম প্রক্রিয়া নিয়ন্ত্রণ ও নিজের মতো করে করতে চান তারা তাদের পার্টনারের নিচে না থেকে ওপরে উপগত হতে পারেন তাতে বরং বেশি আনন্দ পাবেন।

যৌনতার জানা-অজানা নানা বিষয়


প্রশ্ন: জোলোফট এবং ভায়াগ্রা ব্যবহারে কি যৌন ক্ষমতা বাড়তে পারে?
উত্তর: অধিকাংশ ক্ষেত্রে জোলোফট ব্যবহৃত হয় ভারী মাত্রার ডিপ্রেশনের ওষুধ হিসেবে। এটা মানসিক চাপ বা স্ট্রেসকেও নিয়ন্ত্রণ করতে পারে। তবে এর যৌন ক্ষমতা বৃদ্ধির কোনো ভূমিকা নেই। তবে ভায়াগ্রা যৌন ক্ষমতা বাড়াতে পারে। কিন্তু্তু এটি ব্যবহারের কিছু শর্ত আছে। অধিকাংশ ক্ষেত্রে এটি নেতিয়ে পড়া যৌনাঙ্গকে মোটামুটি সবল করে তাকে যৌনমিলনের জন্য উপযুক্ত করে তোলে।
প্রশ্নঃ আমার যোনির ভেতরে যৌনমিলনের পরে তীব্র ব্যথার সৃষ্টি হয়। আমি জানি না এর কারণ কি? এ ব্যাপারে আপনার পরামর্শ চাই।
উত্তর: যোনির ভেতরে কোনো টিসু ছিড়ে গেলে বা নষ্ট হয়ে গেলে এরকম সমস্যা হতে পারে। তবে আমার মনে হয় এর জন্য উপযুক্ত চিকিৎসা গ্রহণ একান্তই প্রয়োজন।
প্রশ্নঃ আমার বয়স ২৮ বছর। আমার বিয়ে হয়েছে গত দু’বছর। আমি কিজেল ব্যায়ামের সাথে পরিচিত। ইদানীং আমি যৌনমিলনে দীর্ঘস্থায়ী চরমপুলক অনুভব করি না। এর কারণ কি? আমি আপাতত কোনো ওষুধ গ্রহণ করছি না।
উত্তরঃ চরমপুলকের ব্যাপারে বিভিন্ন সময় বিভিন্ন ব্যাখ্যা দেয়া হয়েছে। আসলে চরমপুলক একটা মানসিক অনুভূতির ব্যাপার। এ ব্যাপরে মানসিক একটা প্রশান্তি রাখা দরকার। আপনি যদি মনে করেন আপনার চরমপুলক তীব্র হয় না তাহলে আপনাকে দু’একটি মেডিকেশনের ব্যাপারে উৎসাহী হতে হবে। তবে কিজেল ব্যায়াম কিন্তু এক্ষেত্রে উপকারী।
প্রশ্নঃ গত চার মাস পূর্বে আমার স্ত্রীর সাথে আমি জন্মনিরোধক ছাড়া যৌনমিলন ঘটিয়েছি। আমার স্ত্রীর বয়স ৪৭ বছর। তার এখন মেনোপজ চলছে। আমি কি ধরে নিতে পারি এতে করে তার গর্ভাবস্থা হতে পারে?
উত্তরঃ মেনোপজের পরেও কিন্তু্তু নারীদের গর্ভবতী হয়ে পড়ার সম্ভাবনা একেবারে কমে যায় না। আপনার ক্ষেত্রে আপনার স্ত্রীর গর্ভাবস্থার ঝুঁকি কিছুটা রয়েছে। গাইনোকলজিস্ট এ ব্যাপারে আপনাদের আরো বেশি সাহায্য করতে পারবেন বলে মনে করি।
প্রশ্নঃ মেনোপজ কতদিন স্থায়ী হয়?
উত্তরঃ এটা উপসর্গের ওপর নির্ভর করে। কারো কারো ক্ষেত্রে দু’চার মাস কারো কারো ক্ষেত্রে দু’চার বছর পর্যন্ত স্থায়ী হয়।
প্রশ্নঃ মেনোপজের উপসর্গগুলো কি কি?
উত্তরঃ মেনোপজ শুরু হবার পূর্বে কিছু কিছু উপসর্গ লক্ষণীয় হতে পারে। আবার অনেক নারীদের ক্ষেত্রে প্রাক মেনোপজ উপসর্গ পরিলক্ষিত হয় না। বিশেষ করে মেনোপজকালীন সময় রাতে অতিরিক্ত গরম লাগা একটি সাধারণ উপসর্গ। তবে এছাড়াও মেনোপজ শুরুর পূর্বে কয়েকটি সাধারণ উপসর্গ দেখা দেয় যেমন-
  • মানিসক চাপ
  • ঘুমের ব্যাঘাত
  • শারীরিক এলার্জি সমস্যার বৃদ্ধি
  • বিষণ্নতা বা ডিপ্রেশন
  • মুড ডিসঅর্ডার
  • অন্যান্য ডাক্তারি সমস্যা।
প্রশ্নঃ আমার মত্র ত্যাগের সময় তলপেটে ব্যথা করে। এটা গত কিছুদিন যাবত বেড়ে গেছে। আমি কি করলে এ সমস্যা থেকে মুক্তি পাবো?
উত্তরঃ মত্র ত্যাগের সময় তলপেটে ব্যথার বিভিন্ন কারণের মধ্যে প্রধান হলো কিডনির ইনফেকশন। তবে এছাড়াও ব্লাডার মত্রথলির সমস্যার জন্য এরকম পরিস্থিতির সৃষ্টি হতে পারে।
প্রশ্নঃ আমি ট্যাম্পুন ব্যবহার করি। ইদানীং লক্ষ্য করছি আমার মত্র সমস্যার সৃষ্টি হচ্ছে। এটা হলো আমার মত্র ত্যাগের সময় জ্বালাপোড়ার সৃষ্টি হয়। এটার কারণ কি? আমি কি ট্যাম্পুন ব্যবহার বন্ধ করে দেবো?
উত্তরঃ ট্যাম্পুন ব্যবহারের জন্য এই সমস্যা হচ্ছে বলে মনে হয় না। তবে মত্র ত্যাগের সময় জ্বালাপোড়ার কারণ কোনো প্রকার ইনফেকশন হতে পারে। আপনার উচিত হবে গাইনোকলজিস্টের পরামর্শ গ্রহণ করা।
প্রশ্নঃ আমার ইউরিনারী ব্লাডার সার্জারি হয়েছে গত ছ’মাস। আমার সমস্যা হলো আমি প্রস্রাবের সময় মৃদু ব্যথা অনুভব করি এর কারণ কি?
উত্তরঃ এই জাতীয় অপারেশন বা সার্জারির পর সামান্য ব্যথা বেশ কিছুদিন থেকে যেতে পারে। সেজন্য উদ্বিগ্ন হবার কোনো কারণ নেই। তবে আপনার ডাক্তারের দেয়া মেডিকেশনের ব্যাপারে সতর্ক থাকুন এবং যে কোনো প্রকার নতুন উপসর্গ দেখা দিলে সাথে সাথে তার পরামর্শ নিন।
প্রশ্নঃ ব্লাডার ইনফেকশন হলে একমাত্র অপারেশনই কি উপযুক্ত চিকিৎসা?
উত্তরঃ এটা আক্রান্ত ব্যক্তির বয়সের ওপর নির্ভর করে। অনেক ক্ষেত্রে এই ইনফেকশন ওষুধের সাহায্যেই সেরে যায়। আবার অনেক সময় সার্জারি জরুরি হয়ে পড়ে।
প্রশ্নঃ সিসটোমেট্রোগ্রাম কি?
উত্তরঃ সিসটোমেট্রোগ্রাম হলো মত্রথলির চাপ প্রবাহকে নিয়ন্ত্রিত করার একটি বিশেষ যন্ত্র। সিসটোমেট্রোগ্রাম মত্র থলির সার্জারির ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়।
প্রশ্নঃ মত্র সমস্যার জন্য কি কি ব্যবস্থা গ্রহণ বিশেষভাবে জরুরি?
উত্তর: কি কি সমস্যা হচ্ছে তার ওপর ব্যবস্থার মাত্রা নির্ধারিত হবে। নানা ধরনের মত্র সমস্যার জন্য প্রাথমিকভাবে বিভিন্ন ডায়াগনোসিস করা হয়ে থাকে।
প্রশ্নঃ আমি লক্ষ্য করছি ইদানীং আমার যোনি থেকে সাদা এক প্রকার তরলের ক্ষরণ হচ্ছে এবং কিছু গন্ধ রয়েছে। অধিকাংশ সময় রাতে শয়নাবস্থায় এই জাতীয় তরলের ক্ষরণ হচ্ছে বেশি। ব্যাপারটি কি?
উত্তরঃ হতে পারে এটা ইস্ট ইনফেকশন। অধিকাংশ ক্ষেত্রে ইস্ট ইনফেকশন ছাড়া এ জাতীয় অবস্থার সৃষ্টি হয় না। আপনি গাইনি ডাক্তারের পরামর্শ নিলে ভালো করবেন।
প্রশ্ন: আমার যোনি থেকে যৌনমিলনের সময় তীব্র দুর্গন্ধ বের হয়। আমার স্বামী ইদানীং কনডমের ব্র্যান্ড বদল করেছে। আমি জানতে চাই এরকম হচ্ছে কেন?
উত্তরঃ যোনির দুর্গন্ধ সমস্যা, আর্দ্রতা, যোনিতে ঘামাচির মতো দানা উঠতে থাকা এগুলো হলো ইস্ট ইনফেকশনের প্রভাব। তবে অনেক ক্ষেত্রে পিরিয়ডজনিত সমস্যার জন্যও এরকম হতে পারে। তবে অনেক ক্ষেত্রে এই সমস্যা সাময়িক।
প্রশ্ন: আমার যোনি থেকে সাদা তরল ক্ষরিত হয় মাঝে মধ্যেই। যৌনমিলনের সময় এবং পরেও এরকম কিছুক্ষণ চলতে থাকে। এটা কি স্বাভাবিক নাকি কোনো প্রকার ইনফেকশনের প্রভাব?
উত্তরঃ এই জাতীয় তরলের ক্ষরণ স্বাভাবিক। যোনির এপিথেলিয়াম কোষ পুরনো হয়ে গেলে স্বাভাবিকভাবেই এই জাতীয় তরলের ক্ষরণ ঘটতে থাকে। এটা কোনো ইনফেকশন নয় আদৌ।
প্রশ্নঃ আমার বয়স ২৪ বছর। আমি ইস্ট ইনফেকশনে আক্রান্ত। এই সমস্যার জন্য আমি ডিফলুকান ওষুধ সেবন করছি। অন্য কোনো ব্যবস্থা গ্রহণের প্রয়োজন আছে কি?
উত্তরঃ ডিফলুকান ওষুধের ব্যাপারে আমার পরামর্শ হলো এর অনেক রকমের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া আছে এবং অধিকাংশ ক্ষেত্রে ডায়াবেটিসজনিত সমস্যাকে বাড়াতে পারে। এর চেয়ে বরং টেরাজল ওষুধ আপনার চিকিৎসকের পরামর্শ মতো গ্রহণ করতে পারেন।
প্রশ্নঃ আমার শারীরিক গঠনের অনুপাতে আমার ভালভা তেমন বৃদ্ধি পেয়েছে বলে মনে হয় না। আমার যোনির আকারও একেবারে ছোট। এর কারণ কি আমার বৃদ্ধিজনিত সমস্যা? উলেস্নখ্য আমার বয়স ২১ বছর এবং আমার উচ্চতা চার ফুট ৭ ইঞ্চি।
উত্তরঃ যোনির আকারের গঠনের তেমন কোনো পার্থক্য দীর্ঘাঙ্গী বা ক্ষুদ্রাঙ্গী নারীদের মধ্যে হয় না। আপনার বয়স এবং শারীরিক উচ্চতা সবই ঠিক আছে। বর্তমানে বাংলাদেশের নারী এবং পুরুষের গড় উচ্চতা কিছুটা হ্রাস পেয়েছে। আর আপনার যোনির আকার স্বাভাবিক আছে বলেই আমি মনে করি।
প্রশ্নঃ আমার ক্লাইটোরিস বা ভগাঙ্কুরে সাদা দানার মতো দেখতে পাচ্ছি এগুলো কি?
উত্তর: এগুলো ক্লাইটোরিস ইনফেকশন। আপনার উচিত শীঘ্রই কোনো গাইনোকোলজিস্টের শরণাপন্ন হওয়া।
প্রশ্নঃ আমার বয়স ২৭ বছর। আমি চিকিৎসা বিজ্ঞানের ছাত্রী। আমার ভালভা ইনফেকশনের জন্য টিমোভেট খাচ্ছি। এটা কি ঠিক আছে?
উত্তরঃ সাধারণত ভালভা সিরোসিসের জন্য টিমোভেট সেবন করা যেতে পারে। আপনার ইনফেকশনের ধরন কেমন তা একবার ডায়াগনোসিস করে নিলে ভালো হতো বলে আমি মনে করি।
প্রশ্নঃ আমি জানতে চাই সেবোরেক কেরাটোসিস এর কারণ কি?
উত্তর: এখন পর্যন্ত সেবোরেক কেরাটোসিস সমস্যার কারণ অজ্ঞাত রয়েছে।
প্রশ্নঃ ভালভার ক্যান্সারে ডায়াগনোসিস কিভাবে সম্ভব?
উত্তরঃ অভিজ্ঞ গাইনোকলজিস্টের শরণাপন্ন হলেই তিনি এ ব্যাপারে সঠিক পরামর্শ দিতে পারবেন।
প্রশ্নঃ আমি গর্ভবতী। আমার গর্ভাবস্থার ছয় মাস চলছে। আমার ভালভার (যোনিতে নয়) অস্বাভাবিক স্ফীতি লক্ষ করছি এর কারণ কি?
উত্তরঃ এটা কেবলমাত্র অনুমানের ওপর বলা মুশকিল আপনার সমস্যা কি হয়েছে। তবে গর্ভাবস্থায় এই জাতীয় সমস্যা গুরুতর হতে পারে। আপনার উচিত হবে গাইনোকলজিস্টের পরামর্শ নেয়া।
প্রশ্নঃ ভ্যাজিনাটাইটিস কি?
উত্তরঃ এটা হলা যোনির প্রদাহ। এই সমস্যা হলে যোনির স্ফীতি বাড়ে সেই সাথে ব্যথা হতে পারে। যোনি থেকে গন্ধযুক্ত তরলের ক্ষরণ হতে পারে।
প্রশ্নঃ আমি বেনাড্রিল এবং ন্যাপরোসিন সেবন করছি গত ছ’মাস যাবত। এটি কি আমার পিরিয়ডজনিত সমস্যার কারণ হতে পারে?
উত্তরঃ ন্যাপারোসিন আর্থ্রাইটিস এবং বেনাড্রিল সাধারণত এলার্জির জন্য ব্যবহৃত হয়। এসব ওষুধ সেবনে মাসিক চক্রের ওপর কোনো প্রভাব পড়ে না।
প্রশ্নঃ আমার বয়স ২৪ বছর। পিরিয়ডকালীন সময় আমার প্রচুর রক্তপাত হয় এবং এটি এক সপ্তাহের বেশি স্থায়ী হয়। আমি কিছুটা শুকিয়ে যাচ্ছি আমার জন্য পরামর্শ কি?
উত্তরঃ অতিরিক্ত পিরিয়ডকালীন রক্তপাত শারীরিক কোনো সমস্যার উপসর্গ এবং পিরিয়ডের সময়কাল বেশিদিন স্থায়ী হওয়ায় নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। এজন্য গাইনোকলজিস্টের পরামর্শ নিতে হবে।
প্রশ্নঃ নারীদের জন্য ভায়াগ্রা কি কোনো কাজ করে এবং ভায়াগ্রা কি পিরিয়ডের ওপর কোনো প্রভাব ফেলে?
উত্তরঃ নারীদের জন্য ভায়াগ্রা তেমন কোনো কাজ করে না এবং এটি পিরিয়ডের উপরও কোনো প্রভাব ফেলে না।
প্রশ্নঃ জন্মনিয়ন্ত্রণ পিল দীর্ঘদিন সেবন করলে কি পিরিয়ডের রক্তপাত কমে যায়?
উত্তরঃ এমন কোনো ব্যাখ্যা এখন পর্যন্ত পাওয়া যায়নি। তবে পিরিয়ডের সাথে জন্মনিয়ন্ত্রণের পিলের হিসেব ভিন্ন হতে পারে।
প্রশ্নঃ আমার বয়স ৩১ বছর। গত ৮ মাস যাবত আমি পিরিয়ডের অনিয়মিত অবস্থার শিকার হচ্ছি। কোনো কোনো মাসে একেবারেই পিরিয়ড হচ্ছে না। আবার গত মাসে একেবারে সামান্য পিরিয়ড হয়েছে। আমি পিল সেবন করি। আমার সমস্যা কি?
উত্তরঃ অনিয়মিত পিরিয়ডের কারণ কেবলমাত্র পিলই নয়। অন্য কোনো শারীরিক উপসর্গের জন্য এমন হতে পারে। আবার একেবারে কম পিরিয়ড অনেক সময় বিনা কারণেই হয়ে থাকে।

বিনা অপারেশনে পাইলস চিকিৎসা


বৃহদান্ত্র ও পায়ুপথ সার্জারি বিশেষজ্ঞ
সহযোগী অধ্যাপক, সার্জারি বিভাগ
ঢাকা মেডিকেল কলেজ
চিকিৎসা বিজ্ঞানীদের মতে কয়েক আউন্স ভুসির অভাবে আজ ইউরোপের ইতিহাস অন্যভাবে রচিত হয়েছে। কারণ ওয়াটারলু’র যুদ্ধে নেপোলিয়ন পাইলসে আক্রান্ত থাকায় সঠিক নেতৃত্ব দিতে সক্ষম হননি। খাদ্যে আঁশ জাতীয় খাবার কম থাকার কারণে নেপোলিয়ন তীব্র পাইলস সমস্যায় ভুগছিলেন বলে এ উক্তি করা হয়েছে...

চিকিৎসা বিজ্ঞানীদের মতে কয়েক আউন্স ভুসির অভাবে আজ ইউরোপের ইতিহাস অন্যভাবে রচিত হয়েছে। কারণ ওয়াটারলু’র যুদ্ধে নেপোলিয়ন পাইলসে আক্রান্ত থাকায় সঠিক নেতৃত্ব দিতে সক্ষম হননি। খাদ্যে আঁশ জাতীয় খাবার কম থাকার কারণে নেপোলিয়ন তীব্র পাইলস সমস্যায় ভুগছিলেন বলে এ উক্তি করা হয়েছে। একজন রোগী পাইলস বলতে বোঝেন মলদ্বারের চুলকানি, চাকা হওয়া, ব্যথা, ফুলে যাওয়া, রক্তপড়া, মলদ্বার ঝুলে পড়া ইত্যাদি। পাইলসের শিরাগুলো সাধারণভাবে সবার শরীরেই বিদ্যমান। পাইলসের উপসর্গগুলো পশ্চিমা সভ্যতায় খুবই সাধারণ। এ সমস্যাটি যে কোনো বয়সে যে কোনো লিঙ্গেই হতে পারে। যুক্তরাষ্ট্রে ৪.৪% লোকের পাইলসের সমস্যা রয়েছে। পঞ্চাশোর্ধ্ব লোকদের ৫০% কোনো না কোনো সময় পাইলসের উপসর্গ অনুভব করেন। উচ্চবিত্ত লোকদের এই রোগটি হওয়ার সম্ভাবনা বেশি।
কারণ
পাইলস কোনো বিশেষ একটি কারণের জন্য হয় না। অনেকগুলো কারণ এ জন্য দায়ী। যার অন্যতম হচ্ছে উত্তরাধিকার, গঠনগত বৈশিষ্ট্য, পুষ্টি, পেশা, আবহাওয়া, মানসিক সমস্যা, বার্ধক্য, হরমোনের পরিবর্তন, খাদ্য ও ওষুধ, সংক্রমণ, অন্তঃসত্ত্বা, ব্যায়াম, কাশি, মলত্যাগের শক্তিপ্রয়োগ, বমি, আঁটসাঁটো কাপড় পরা ও কোষ্ঠকাঠিন্য। বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে দেহের গঠনকে ধরে রাখার কলার ক্ষয় হতে থাকে যার কারণে মলদ্বারের ভেতরের কুশনটি ঢিলা হয়ে ঝুলে পড়তে থাকে। এমতাবস্থায় শিরাগুলো স্ফীত হতে থাকে এবং রক্তপাত হতে থাকে।
উপসর্গ ও লক্ষণসমূহ
এ রোগে রোগীরা বেশিরভাগ ক্ষেত্রে মলদ্বারে রক্ত পড়ার অভিযোগ করেন। এটি সাধারণত মলত্যাগের সময় অথবা তার পরে হয়ে থাকে। মলত্যাগের শক্তি প্রয়োগ করা অথবা বারবার মলত্যাগ করলে রক্ত যাওয়ার সম্ভাবনা বৃদ্ধি পায়। এটা কমোডে বা টয়লেট পেপারে দেখা যেতে পারে। অতিরিক্ত রক্ত যাওয়ার কারণে তীব্র রক্তশূন্যতা দেখা দিতে পারে। পাইলসে সাধারণত ব্যথা হয় না। কিন্তু যদি থ্রম্বসিস (রক্ত জমাট বাঁধা) ঘা অথবা পচন ধরে তখন ব্যথা হতে পারে। মলদ্বারে ব্যথার প্রধান কারণ এনালফিশার।
মলদ্বারের ভেতর থেকে মাংসপিন্ড ঝুলে পড়া বা গেজ হওয়া একটি সাধারণ ঘটনা। এটি হলে  কখনও কখনও হাত দিয়ে ভেতরে ঢুকিয়ে দিতে হয়। এমন হতে পারে যে এটা বাইরে ঝুলে আছে এবং কখনও ভেতরে যায় না। মাঝে মধ্যে মলদ্বারে চুলকানি হতে পারে। পাইলসের জন্য কোষ্ঠকাঠিন্য হয় না। কিন্তু ঘন ঘন পায়খানা হলে  অথবা থ্রম্বসিস হলে অনেকে রক্তপড়া বা ব্যথার জন্য টয়লেটে যেতে চায় না যার জন্য আস্তে আস্তে কোষ্ঠকাঠিন্য দেখা দেয়।
পরীক্ষা-নিরীক্ষা
মলদ্বারে  রক্ত পড়ার অনেক কারণ আছে তার মধ্যে সবচেয়ে ভয়াবহ হচ্ছে পায়ুপথের ক্যান্সার।
সিগময়ডস্কপি
মলদ্বার, পায়ুপথ ও বৃহদান্ত্রের ভেতরে এ যন্ত্র দিয়ে পরীক্ষা করতে হয়।
প্রকটস্কপি
এ যন্ত্র দিয়ে মলদ্বার ও পায়ুপথের নিচের দিক পরীক্ষা করতে হয়। রোগী যদি ৫০ বছর বয়সের ঊর্ধ্বে হয় এবং যদি পরিবারে কেউ বৃহদান্ত্র ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে থাকে তাহলে বেরিয়াম এনেমা বা কোলনস্কপি করা উচিত।
চিকিৎসা
প্রতিরোধ: কিছু অভ্যাস এবং উপদেশ পালন করলে পাইলস প্রতিরোধ বা নিয়ন্ত্রণ করা যায়। আঁশ জাতীয় খাবার যেমন শাকসব্জি, ইসপগুলের ভুসি এ ব্যাপারে উপকারী। আফ্রিকায় কিছু সম্প্রদায় আছে যারা মূলত শাকসব্জি ও ফলমূলের ওপর নির্ভর করে। এদের সাধারণত পাইলস দেখা যায় না। টয়লেটে অনেকক্ষণ বসে বই পড়া বা অহেতুক দীর্ঘক্ষণ বসে থাকা উচিত নয়। কোষ্ঠকাঠিন্য এবং ডায়রিয়ার সময়মতো যথাযথ চিকিৎসা করা উচিত। গরু এবং খাসির মাংস কম খাওয়া উচিত। ডায়রিয়া বা আমাশয়ের চিকিৎসা যথাসময়ে করিয়ে নেয়া উচিত।
পাইলসের বিভিন্ন পর্যায়ে বিভিন্ন চিকিৎসা রয়েছে। যদি কোনো কারণ খুঁজে পাওয়া যায় তার চিকিৎসা করতে হবে যেমন ডায়রিয়া বা কোষ্ঠকাঠিন্য। ক্যান্সার অথবা বৃহদান্ত্রের অন্য কোনো রোগ আছে কিনা অবশ্যই দেখে নিতে হবে।
আধুনিক যন্ত্রের সাহায্যে বিনা অপারেশনে ৮০-৯০% পাইলসে চিকিৎসা
এ পদ্ধতিতে ছোট যন্ত্রের সাহায্যে পাইলসে চিকিৎসা করলে সপ্তাহ খানেকের ভেতর পাইলসের মাংসপিন্ডটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে কেটে পড়ে যায়। চিকিৎসার সময় বা পরে বেশিরভাগ ক্ষেত্রে কোনোরূপ ব্যথা হয় না। কোনো অজ্ঞান বা অবশ করার প্রয়োজন নেই। প্রখ্যাত আমেরিকান সার্জন ডা. মারভিন এল করমান ও ডা. ডিএস স্টিনবার্গ এ পদ্ধতিতে চিকিৎসা করে বলেন, এ পদ্ধতিটি আবিষকারের ফলে ৮০-৯০% রোগী বিনা অপারেশনে ভালো হয়েছে। চিকিৎসায় ব্যয় খুবই কম। এ পদ্ধতি ব্যবহারের পূর্বে এনেমা দিলে ভালো হয়। পায়ুপথের ভেতর যন্ত্র দিয়ে পরীক্ষা করে নিতে হয়। যেহেতু আমাদের শরীরে প্রধান তিনটি পাইলস আছে অতএব সর্বোচ্চ তিনবার এরূপ চিকিৎসা লাগতে পারে। দু’বার চিকিৎসার মধ্যে সাধারণত ৩-৪ সপ্তাহ ব্যবধান থাকতে হয়। আমার অভিজ্ঞতায় দেখেছি অনেক রোগী চিকিৎসায় সম্পূর্ণ ভালো হয়েছেন।
অপারেশন
সাধারণত ১০/২০% রোগীর ক্ষেত্রে অপারেশন দরকার, যখন মলদ্বারের গঠন প্রণালী ভীষণভাবে পরিবর্তিত হয়ে যায় যেমন বহির্স্থিত পাইলস, ঘা, পচন ধরা, বিসতৃত থ্রম্বোসিস, মলদ্বারের ভেতরের বৃদ্ধিপ্রাপ্ত মাংসপিন্ড অথবা সঙ্গে ফিসার থাকলে। অজ্ঞান না করে কোমরে ইনজেকশন দিয়ে রোগী সজাগ অবস্থায় অপারেশন করা যায়। আমি সাধারণত বিকেলে ভর্তি করে এনেমা দিয়ে সকালে অপারেশন করে পরের দিন বা তার পরের দিন ছুটি দেই। কোনো এন্টিবায়োটিক, স্যালাইন অথবা প্যাক দেয়ার প্রয়োজন নেই। অপারেশনের ৬ ঘন্টা পর স্বাভাবিক খাবার দেয়া উচিত যাতে পরদিন রোগী স্বাভাবিক মলত্যাগ করতে পারে। দিনে ২ বার নিতম্ব লবণসহ গরম পানিতে ডুবিয়ে শেক দিতে হয় ১০ মিনিট ধরে। ব্যথা নাশক ওষুধ ও মলম ব্যবহার করা যেতে পারে।

এইড্‌স প্রতিরোধে বিয়ে

বিয়ের মাধ্যমে মানুষ তার মনকে নতুনত্বের স্বাদ দিতে পারে-দিতে পারে দুশ্চিন্তা-দুর্ভাবনা দূর করে মনের প্রফুল্লতা। বিয়ে হচ্ছে পরিবার ও সমাজের বুনিয়াদ। কেবল বিয়ের মাধ্যমেই যে কোনো মানুষ তার লজ্জা স্থানের শক্তি, সামর্থ্য, সক্ষমতা অক্ষুণ্ন রাখতে পারে...
চিকিৎসা বিজ্ঞানের মতে, ৩৫ বছরের পর থেকে নারী-পুরুষ স্বাভাবিক যৌণক্ষমতা, উত্তেজনা ও যৌন আকাঙ্ক্ষা কমতে শুরু করে। দেখা দেয় যৌবনে ভাটা। গবেষণায় দেখা গেছে, ৩৫ বছরের বেশি বয়সের নারীদের অন্তত ৫ শতাংশ কখনই চূড়ান্ত যৌনসুখ (অর্গাজম) আস্বাদনে সক্ষম হন না। ফলে দেহমনে দেখা দেয় ক্লান্তির ছায়া। নানা প্রকার মানসিক চাপ। তাই আদর্শ বয়সে বিয়ে করাটা হবে আদর্শ বুদ্ধিমানের কাজ।
বিয়ের রেজিস্ট্রিকরণ
১৯৬১ ও ১৯৭৪ সালের অর্ডিন্যান্সের বিধান অনুযায়ী প্রতিটি বিয়ের রেজিস্ট্রি হতে হবে। কাজেই প্রতিটি নারী-পুরুষেরই এ বিষয়ে সজাগ সতর্ক দৃষ্টি রাখা প্রয়োজন যাতে বিয়েতে আইন অনুযায়ী রেজিস্ট্রি করা হয়। কারণ এতে করে বিয়ে হবে পাকাপোক্ত আরো মজবুত গ্রহণযোগ্য।
বিয়েতে স্বামী নির্বাচনে মেয়েদের অধিকার
মেয়ে তা সে অবিবাহিত হোক বা তালাকপ্রাপ্ত হোক কিংবা বিধবা হোক সে তার বিয়ের জন্য উত্থাপিত যে কোনো প্রস্তাব গ্রহণ বা প্রত্যাখানের ব্যাপারে পুরো স্বাধীন। কোনো মেয়ে বা মহিলাকে তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে বিয়ে দেয়ার অধিকার তার পিতা-মাতা, ভাই-বোন, ভগ্নিপতি, চাচা-চাচী, মামা-মামী বা কোনো দায়িত্বশীল অভিভাবক কারোরই নেই।
কারণ সংসার করবে যে মেয়ে সেই তার পছন্দমত জীবন সঙ্গী নির্বাচন করবে। এটাই স্বাভাবিক এটাইতো বাঞ্ছনীয় হওয়া প্রয়োজন। বিয়ের সময় মেয়ের কাছে যদি অনুমতি চাওয়া হয় এবং সে যদি তাতে চুপ করে থাকে এবং কোনোরূপ বাধা বা কোনো রকমের প্রতিক্রিয়া প্রকাশ না করে তবে সেটাকে তার অনুমতি হিসেবে গণ্য করা হয়ে থাকে। কিন্তু বিধবা বা তালাকপ্রাপ্ত মেয়ের বিয়ে যদি তার পরামর্শ ও স্পষ্ট ভাষায় অনুমতি ছাড়া করে দেয়া হয় তাহলে সে বিয়ে বাতিল হয়ে যায়। অন্যদিকে অবিবাহিত বা কুমারী মেয়ের থেকে যদি স্পষ্ট অনুমতি না নেয়া হয়ে থাকে তবে বিয়ের পর সেই বিয়েকে ভঙ্গ করা অথবা ঠিক রাখার ব্যাপারে ইসলামে তার স্বাধীনতা রয়েছে।
অবিবাহিত জীবন বা বৈরাগ্যবাদ
প্রাচীন সমাজে যৌন সম্পর্ক স্থাপনকারী ব্যক্তিকে আধ্যাত্মিকভাবে অপূর্ণ মনে করা হত এবং তাকে প্রভুর নৈকট্য লাভের অযোগ্য মনে করা হত। সুতরাং সে যুগের সাধু ব্যক্তিরা আধ্যাত্মিক পূর্ণতা লাভের জন্য সংসার ধর্ম বর্জনকে জরুরি মনে করতো। তারা সবরকমের পার্থিব তৎপরতা থেকে নিজেকে পৃথক করে নিয়ে ধ্যানে মগ্ন হয়ে পড়তো। এই জন্যে তপ্‌জপ্‌কারী ব্যক্তি বিয়ে শাদীর ঝামেলায় পড়তে চাইতো না কেননা তাদের মতে এতে করে মানুষের আবেগ উজ্জীবিত হয়ে উঠে এবং মানুষ সংসারমুখী হয়ে পড়ে। কিন্তু্তু প্রাচীন অন্ধকার যুগের সেই বাতিল ও ভুল ধারণাকে সমলে প্রত্যাখ্যান করে দিয়েছে ধর্ম এবং বিয়েকে পবিত্রতা ও আত্মশুদ্ধি অর্জনের সুন্দর মাধ্যম বলে অভিহিত করা হয়েছে। বিজ্ঞান ও বৈরাগ্যবাদকে সমর্থন করে না। করে না উৎসাহিত।
কারণ বিয়ের মাধ্যমে মানুষ তার মনকে নতুনত্বের স্বাদ দিতে পারে-দিতে পারে দুশ্চিন্তা-দুর্ভাবনা দূর করে মনের প্রফুলস্নতা। বিয়ে হচ্ছে পরিবার ও সমাজের বুনিয়াদ। কেবল বিয়ের মাধ্যমেই যে কোনো মানুষ তার লজ্জা স্থানের শক্তি, সামর্থ্য, সক্ষমতা অক্ষুণ্ন রাখতে পারে। বিয়েকে অস্বীকার করা মানেই হচ্ছে মানবতার মল অস্তিত্ব ও তার বিকাশকেই অস্বীকার করা। বন্ধ করে দেয়া নতুন মেহমানের আগমন পৃথিবীর বুকে। যা কারোরই কাম্য হওয়া উচিত নয়। সুতরাং বৈরাগ্যবাদ নয় বিয়েই হোক অস্তিত্ব রক্ষাকারী মল হাতিয়ার।
বিয়ে এবং যৌনতা
যৌনতার প্রতি নারী-পুরুষের আকর্ষণ একেবারে প্রাকৃতিক, স্বাভাবিক। বিয়ের ফলে একজন নারী যৌন জীবনে প্রবেশ করে। বিয়ে হচ্ছে একটি সামাজিক বন্ধন-ভালোবাসার বন্ধন-দাম্পত্যের বন্ধন। একজন পুরুষ ও একজন নারীর একত্রে সহাবস্থানের অঙ্গিকারকে বিয়ে বলা যেতে পারে। নারীর জীবনে বিয়ের ফুল শয্যা একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা। অনেক নারীই এটিকে ভয় পায়। বিশেষ করে যারা নানা রকম কুসংস্কার দ্বারা আচ্ছন্ন থাকে তারা। বিয়ের প্রথম রজনীতে বিভিন্ন রকমের অপ্রীতিকর কর্মকান্ড ঘটতে পারে। আমাদের এই উপমহাদেশে বিয়ের সময় নানা রকমের অনুষ্ঠানের আড়ম্বরপূর্ণ ব্যবস্থা থাকলেও বিয়ের পরবর্তী যৌন জীবনের ওপর পারিবারিক কিংবা প্রাতিষ্ঠানিক কোনো শিক্ষা নারীকে দেয়া হয় না। নারীর বিয়ে পরবর্তী যৌন জীবনে বহু রকমের শারীরিক এবং মানসিক সমস্যা দেখা দিতে পারে।
কোনো কোনো ক্ষেত্রে এই জাতীয় সমস্যাগুলো জেনেটিক বা বংশগত কারণেও হতে পারে। আবার অনেক সময় এর কারণ নিতান্তই অজ্ঞানতা হয়ে থাকে। তবে যৌন জীবনে যে কোনো প্রকার সমস্যাই নারী এবং পুরুষ উভয়কেই ভাবিয়ে তুলতে পারে সমানভাবে। যা কিনা পরবর্তী জীবনেও কিছুটা প্রভাব ফেলতে পারে। তাই সবাইকে জানার চেষ্টা করতে হবে বিয়ের সাথে সেক্সের কি সম্পর্ক রয়েছে। জানতে হবে কিভাবে নারী-পুরুষ একে অপরের সাথে গভীরভাবে মিশে যায় একাকার হয়ে যায়। আর এই জানার মাধ্যমেই অনেক অজানা রহস্য উদঘাটিত হবে, প্রকাশিত হবে মানব-মানবীর বিয়ের মল রহস্য।
পরিণত বয়সে বিয়ে না হওয়া
ছেলে-মেয়েদের পরিণত বয়স কি এর সঠিক উত্তর দেয়া সহজ নয়। কেননা অবস্থাভেদে পারিপার্শ্বিক আবহাওয়ার ওপর ছেলে মেয়েদের শরীরে যৌন চেতনা আসে। সাধারণত ছেলেদের চরম যৌবন ও উত্তেজনারকাল হল সাধারণত ২০-২৫ বছর বয়সে। আর মেয়েদের চরম যৌবনের ও উত্তেজনার কাল ১৬-২২ বছর বয়সের মধ্যে (তবে মেয়েদের সাধারণত ৩০ বছর বয়সের পর যৌন চেতনা দারুণভাবে পূর্ণতা প্রাপ্ত হতে দেখা যায় এবং এ সময় তাদের যৌন তৃষ্ণা মারাত্মকভাবে বেড়ে ওঠে) এই সময়ের মধ্যে ছেলে ও মেয়েদের শরীরের যে প্রবল যৌবনের জোয়ার আসে তা কোনো কবি সাহিত্যেক বা দার্শনিকই তাদের ভাষায় ও বোঝাতে পারবেন না। এ জোয়ার হল আষাঢ়ের পাগলা জোয়ার। সমমুখে যা পায় ভেঙ্গে চুরে চুরমার করে রেখে যায়। জ্ঞান থাকে না, ধর্ম থাকে না, হুঁশ থাকে না। কোনো নৈতিকতার চিন্তা-ভাবনা থাকে না, থাকে শুধু উচ্ছ্বাসিত বেগে প্রবাহিত হবার দুর্বার গতি। এ গতির মুখে বাঁধ দিলে আটকায় না ভেঙ্গে যায় সবকিছু তেমনি ছেলে-মেয়েদের জীবনেও ঠিক তাই ঘটে। ছেলে-মেয়ে লেখা পড়া শেষ করে চাকরির নেশায় থাকে। যারা লেখা পড়া করে না তারা থাকে ভালো কাজের আশায় ভালো উপার্জনের আশায়। এই ভালো কাজ উপার্জন ও চাকরি পাবার পর চিন্তা করে সুন্দর বাড়ি ঘর করতে হবে ছোটদেরকে মানুষ করতে হবে, বাবা-মাকে সন্তুষ্টু করতে হবে তাই লজ্জা ও দায়িত্বের খাতিরে ছেলে মেয়ে বিয়ে থেকে বিরত থাকে। অনেক সময় বাবা-মার ওপর ভরসা করে করে লজ্জায় মুখ বুজে থাকে। কিন্তু বাবা-মা বোঝে না যে তাদের প্রিয় সন্তানটি আদরের দুলাল মানিক রতনটি যৌবনে পা দিয়েও পিছলে পড়ে যাচ্ছে। ভরা যৌবনে ভাটা পড়ে যাচ্ছে। এ সময় ছেলেদের স্নায়ুমন্ডলী যৌন উত্তেজনায় বারবার উত্তেজিত হতে হতে দেহ মন নিস্তেজ হয়ে আসে। আর বেচারা মা-বাবা বুঝতে পারে না কিংবা বুঝেও বোঝে না অবুঝ হয়। যখন ছেলের যৌবনে ভাটা পড়ে যৌবনের উন্মাদনা উত্তেজনা কমে যায় তখনই হয়তো এক ষোড়শী মেয়ের সঙ্গে পুত্রটিকে সাধ করে বিয়ে দেন। এতে করে বয়সের হয় বিশাল তারতম্য। ছেলে মেয়ের যৌন তৃষ্ণায় তখন হয় বয়সের কারণে অসামঞ্জস্য আর মানসিক চিন্তার বিরাট পার্থক্য। ফলে দেখা দেয় অশান্ত দাম্পত্য জীবন। দেখা দেয় অশান্তি মনোমালিন্য স্বামী-স্ত্রীর যৌন জীবনে।

সেক্স এডুকেশনঃ নিষিদ্ধ কিছু নয়

আধো বোল ছেড়ে কথা বলতে শুরু করতে না করতেই আপনার বাচ্চা দুম করে জানতে চাইতে পারে, ‘মা, আমি কিভাবে হলাম?’ কি উত্তর দেবেন আপনি? হয়তো আপনার বাচ্চা বড় হয়ে পা দিয়েছে বয়ঃসন্ধিতে। ওকে খুব অচেনা লাগছে আজকাল। এড়িয়ে চলছে আপনাকে। অবাক হচ্ছেন বা রেগে যাচ্ছেন ওর কিছু অভ্যাসে, আচরণে। অথচ আপনার হাত-পা বাঁধা। কিছুই করার নেই আপনার? হয়তো ক্লাস নাইনের মেয়ে জানতে চাইছে একান্তে, ‘ঋতুচক্রের ব্যাপারটা আসলে কি?

আধো বোল ছেড়ে কথা বলতে শুরু করতে না করতেই আপনার বাচ্চা দুম করে জানতে চাইতে পারে, ‘মা, আমি কিভাবে হলাম?’ কি উত্তর দেবেন আপনি? হয়তো আপনার বাচ্চা বড় হয়ে পা দিয়েছে বয়ঃসন্ধিতে। ওকে খুব অচেনা লাগছে আজকাল। এড়িয়ে চলছে আপনাকে। অবাক হচ্ছেন বা রেগে যাচ্ছেন ওর কিছু অভ্যাসে, আচরণে। অথচ আপনার হাত-পা বাঁধা। কিছুই করার নেই আপনার? হয়তো ক্লাস নাইনের মেয়ে জানতে চাইছে একান্তে, ‘ঋতুচক্রের ব্যাপারটা আসলে কি? কেন এমন হয়?’ কি বলবেন? হয়তো মানসিকভাবে ম্যাচিওরড হওয়ার আগেই শরীরে খুব বাড়ছে আপনার মেয়ে। খুব ভয় করছে আপনার। কখন কি বিপদ ঘটে যায়! চুপ করে থাকবেন? নাকি কিভাবে ব্যাপারটা বলা যায় ওকে ভাবতে ভাবেতই কাটিয়ে দেবেন সময়? বিয়ে ঠিক হয়েছে মেয়ের। বিয়ের ঠিক আগে ও জানতে চাইছে ‘সেফ পিরিয়ড’ কোনটা? এড়িয়ে যাবেন? লজ্জা পেয়ে সরে যাবেন? নাকি নিজেকে দুষবেন নিজেই ব্যাপারটা জানেন না বলে?
না, আপনাকে অস্বস্তিতে ফেলতে চাইছি না। শুধু জীবনের একান্ত জরুরি এক বিশেষ শিক্ষা সম্পর্কে আপনাকে সচেতন করে তোলার উদ্দেশ্য নিয়ে এই নিবন্ধ। জরুরি ব্যাপার হল ‘সেক্স এডুকেশন’। বাংলায় বিজ্ঞানসমমত যৌনশিক্ষা। এই শিক্ষার সবচেয়ে সুন্দর আর আদর্শ নাম হতে পারে ‘ফ্যামিলি লাইফ এডুকেশন’। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে এই নামটাই চলে। বাংলায় বলা যায় ‘পারিবারিক জীবনের শিক্ষা’।
কি ভাবছেন? এ সব আবার কেন? ভয় পাবেন না, বাজারি সেক্স ম্যানুয়াল পড়তে বলা হচ্ছে না আপনাকে। শুধুমাত্র জেনে বুঝে নিতে বলা হচ্ছে জীবনের গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ যৌনতার বিজ্ঞান আর মনস্তত্ত্বকে। জেনে বুঝে নিতে ব্যাঙের প্রজননতন্ততেই পাঠ শেষ করার দিন শেষ। জানতে হবে মানবপ্রজননের বিজ্ঞানকে, এর মল সত্রগুলোকে। জেনে বুঝে নিতে হবে যৌবনের শুরু আর শেষ, এই দুই প্রান্তিক সময়কালের পরিবর্তন আর সমস্যাগুলোকে। জন্মনিয়ন্ত্রণ আর যৌনরোগ-এই দুটো বিষয়েও তুচ্ছ, বাস্তবসমমত ধারণা তৈরি করে নেয়া দরকার সবার জন্য।
করতেই হবে, বিকল্প নেই। যৌনতাকে নিয়ে আজও আমাদের সমাজে যে ব্যাপক শুচিবাতিকগ্রস্ততা, তা আসলে ভাবের ঘরে চুরি, এক ধরনের চরম ভন্ডামি। জীবনের জরুরি একটা অঙ্গকে ‘নিষিদ্ধ আপেল’ বানিয়ে রেখে যতই বালিতে মুখ গুঁজে থাকি আমরা, আজকের সময় তার নিজের মতো কবে উশুল করে নিচ্ছে এই না-জানা না-বোঝার দাম, সুদেমলে। প্রাক বৈবাহিক যৌন সংসর্গের ঘটনা ক্রমাগত বাড়ছে, বাড়ছে অবৈধ গর্ভনাশ আর তার নানা জটিলতার ঘটনা। সিফিলিস, গনোরিয়ার পাশাপাশি যৌনরোগ এইডস ঢুকে পড়েছে আপনার-আমার দেহেও। চারপাশে যৌন অপরাধ বাড়ছে ক্রমাগত, লাফ দিয়ে দিয়ে বাড়ছে যৌন হয়রানি বা ‘সেক্সুয়াল হ্যারাসমেন্ট’-এর ঘটনা। এমন একটা বিপন্ন সময়ে ‘সেক্স এডুকেশন’-এর কোনো বিকল্প নেই। আশার কথা, অনেক দেরিতে হলেও বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার পরামর্শ মেনে মানবপ্রজনন আর এ সংক্রান্ত শিক্ষা এখন গ্রহণযোগ্য হয়ে উঠছে আমাদের দেশেও।
বাচ্চার প্রশ্নের ঠিক ঠিক উত্তর দিতে শিখুন
মাঝে-মধ্যে বাচ্চারা জন্মরহস্য নিয়ে নানা প্রশ্ন করবেই। ওদের চুপ করিয়ে দেবেন না বা অন্য কথায় ভোলাতে যাবেন না। এরকম প্রশ্নের উত্তর হবে বিজ্ঞানসম্মত অথচ বাস্তবমুখী। ঘাবড়ে যাবেন না, ফিসফিস করে বলবেন না, ছেলেমেয়ের এরকম প্রশ্নের উত্তর দিন সহজ-সরলভাভাবে, গল্পচ্ছলে। বাচ্চা যেন না ভাবে ব্যাপারটায় আপনি অতিরিক্ত গুরুত্ব দিচ্ছেন বা কিছু লুকোচ্ছেন।
‘আগে বড় হও, পরে সব জানতে পারবে’ বা ‘এ সব জানার জন্য তুমি এখনও খুব ছোট’-এরকম দায়সারা উত্তর বাচ্চার পক্ষে ক্ষতিকর। উত্তরটা কিভাবে দেবেন জানা না থাকলে বাচ্চাকে বলুন, ’বা! বেশ ভালো প্রশ্ন করেছ তুমি। এর উত্তরটা সহজে তোমাকে কিভাবে বোঝানো যাবে তা নিয়ে আমাকে একটু ভাবতে সময় দাও।’ বিশেষজ্ঞদের কাছ থেকে জেনে পরে বাচ্চাকে সহজ করে বুঝিয়ে দিন।
‘না’ দিয়ে বলবেন না
নর-নারীর সম্পর্ক বা জন্মরহস্য নিয়ে বাচ্চার প্রশ্নের মুখোমুখি আপনার উত্তর হবে আবশ্যিকভাবে সদর্থক। বাচ্চা অশ্লীল কথা বললে ‘এরকম কথা আর ভুলেও বলবে না’ বলে বাচ্চাকে বকলে ব্যাপারটাকে নিষিদ্ধ ভেবে এর প্রতি ওর আকর্ষণ আরও বাড়বে।
যৌনশিক্ষার বিজ্ঞান বলে, বাচ্চাকে নরম করে বলুন, ‘এরকম কথা বললে আমি খুব কষ্ট পাই। আমি কষ্ট পাই তা কি তুমি চাও? এই কথাগুলো বলতে পারেন নিজের মতো করেও।
বাচ্চাদের প্রশ্নের দুটি আদর্শ উত্তর হতে পারে এরকম-
মা আমি কি করে হলাম?
 তুমি হয়েছ আমার আর তোমার বাবার ভালোবাসা থেকে। আমরা দু’জনে ভালোবেসে তোমায় চাইলাম, তাই তো তুমি হলে সোনা!
মায়ের পেট থেকে বাচ্চা কিভাবে বেরোয়?
 মায়ের পেটের ভেতর একটা থলির মধ্যে বাচ্চা আস্তে আস্তে বড় হয়। তারপর অনেকটা বড় হয়ে জন্মের একটা রাস্তা আছে, সেই রাস্তা দিয়ে বাচ্চা মায়ের শরীর থেকে বাইরে বেরিয়ে আসে। ঠিক যেভাবে স্কুল ছুটি হয়ে তুমি ক্লাসের দরজা দিয়ে বেরিয়ে আস।
বাচ্চার ব্যাপারে যা করবেন না
  • টিভি বা ভিডিওর মারদাঙ্গা, ধর্ষণের চেষ্টা বা শারীরিক ঘনিষ্ঠতার ছবি বাচ্চাকে গিলতে দেবেন না। আপনি সচেতন হলেই পারবেন। যৌন রসিকতা বা গল্প বাচ্চার সামনে ভুলেও নয়।
  • একটু বড় বাচ্চার সামনে বা বাচ্চাকে কাছাকাছি রেখে শরীরী ঘনিষ্ঠতার দিকে এগোবেন না।
  • সম্ভব হলে সাত-আট বছরের পর থেকে বাচ্চাকে বাবা-মায়ের সঙ্গে এক বিছানায় শোয়াবেন না। সুন্দর বিকল্প হল, দাদা বা দাদীর সঙ্গে বা আলাদা বিছানায় বাচ্চাকে ঘুমাতে অভ্যস্ত করে তোলা।
  • যৌনাঙ্গ নিয়ে খেলা করছে বাচ্চা, নজরে এল আপনার। ভুলেও বাচ্চাকে বকবেন না বা মারধর করতে যাবেন না। ওকে বুঝিয়ে বলুন নরম করে। বলুন, ‘এই নরম জায়গা নিয়ে খেলা করলে যে তুমি ব্যথা পাবে, কষ্ট পাবে। আর তুমি কষ্ট পেলে সব চাইতে বেশি কষ্ট পাব আমি!।
  • যৌনতা বিষয়ক বাচ্চার কোনো আকস্মিক প্রশ্ন চেপে দিতে যাবেন না। গল্পচ্ছলে উত্তর দিন। না জানলে জেনে নিয়ে পরে বলুন।
  • ছেলে বা মেয়েকে কম বয়স থেকে বিকৃতকাম পরিণত বয়স্ক পুরুষ বা নারীর যৌন নির্যাতনের শিকার হয়ে পড়ার ব্যাপারে সাবধান হতে/সাবধান করতে ভুলবেন না। এরকম দুর্ভাগ্যজনক ঘটনার শিকার হয়ে অনেক ছেলে মেয়ে ভবিষ্যত জীবনে নানা মানসিক সমস্যায় আক্রান্ত হয়। সচেতন হন, সতর্ক থাকুন।
টিনএজের ছেলেমেয়ের বাবা-মায়েরা শিখুন
বয়ঃসন্ধি সব ছেলে মেয়ের জীবনেই এক ধরনের পরীক্ষা। শরীর-মনে দ্রুতলয়ে ঘটতে থাকা পরিবর্তনগুলোর সঙ্গে মানিয়ে উঠতে না পেরে এই সময় ছেলে মেয়েরা শরীর মনে নানা সমস্যার মুখোমুখি হয়। ওদের এই বিশেষ সমস্যাগুলোকে জেনে বুঝে নিন, সমস্যা কাটিয়ে উঠতে ওদের পাশে থাকুন বন্ধুর মতো। ওদের মনের দ্বিধাদ্বন্দ্বগুলোকে এড়িয়ে যাবেন না, সহানুভূতির সঙ্গে ওদের সমস্যাগুলো বুঝুন। ওদের সঙ্গে আলোচনা করুন খোলাখুলি, বন্ধুর ভূমিকা নিন। ছেলেদের সমস্যায় বাবা আর মেয়েদের সমস্যায় মা হতে পারেন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ মুশকিল আসান।
  • বয়ঃসন্ধির সমস্যা আর মনস্তত্ত্ব নিয়ে আলোচনা করুন, বইপত্র পড়ূন সুস্থ স্বাভাবিক জীবনবোধের আলোয় ছেলে মেয়ের মধ্যে সুস্থ যৌনচেতনা গড়ে তুলতে আপনি করতে পারেন অনেকটাই।
  • প্রজন্মবাহিত ভুল ধারণা, সংস্কার আর অন্ধকার ভুলেও ছেলে মেয়ের মধ্যে ঢুকিয়ে দিয়ে ওদের সর্বনাশ করবেন না। যৌনতা ‘নোংরা, ’নিষিদ্ধ’ বা ‘খারাপ’ কোনো ব্যাপার নয়, এ হল জীবনের স্বাভাবিক এক অঙ্গ। নিজের ভুল আগে শুধরে নিন, তারপর ছেলেমেয়েদের শেখান। ‘ছেলেদের সঙ্গে মেয়েদের বন্ধুর মতো মেশা খারাপ’ নয়, এরকম সুস্থ সম্পর্ক যৌবনের সমস্যা কমায়। পিরিয়ডের রক্ত ‘বদরক্ত’ নয়, এতে ‘পাপ’ ধুয়ে বেরিয়ে আসে না। এ হল যৌবনের স্বাভাবিক এক শারীরবৃত্তীয় ঘটনা।
যৌবনের পরিবর্তনগুলোর বিজ্ঞানকে জেনে বুঝে নিন। ছেলে মেয়েদের বোঝান।
  • কথায় কথায় তর্ক করা বা বড়দের অগ্রাহ্য করার প্রবণতা এ বয়সে থাকবেই। উত্তেজিত হবেন না, ছেলে মেয়েকে মারধর করতে যাবেন না। শাসনের আতিশয্যে সমস্যাকে জটিল না করে ওদের ভালটা ওদের বুঝিযে বলুন। সুস্থ বিতর্কে অংশ নিন।
  • এই বয়সে ছেলে মেয়ের ওপর সতর্ক নজর অবশ্যই রাখবেন। তবে সব ব্যাপারে নাক গলাতে যাবেন না। ওদের স্বাধীনতার বোধকে সমমান করতে শিখুন। এতে আপনাদের  দূরত্ব কমবে।
  • সব সময় ‘ওটা ভালো না’, ‘এটা কর না’ করতে যাবেন না। যা বলার ভালো করে, যুক্তি দিয়ে, ভালোবেসে বুঝিয়ে বলুন।
  • ওদের নিজস্ব জগতে ঢুকতে চাইবেন না। ওদের কল্পনার জগতটাকে ভেঙে দেবেন না। ওদের জগতটাকে আপনি আপনার ছাঁচে গড়তে চাইলে ওদের ভবিষ্যত ক্ষতিগ্রস্ত হবেই।
  • ১৫-১৬ বছরে মা মেয়েকে বুঝিযে দিন। যৌনতার বাস্তবতা, শরীর-মনের সম্পর্ক, ঋতুচক্রের বিজ্ঞান, অতি যৌনতার বিপদ, ব্যক্তিগত সতর্কতা।
  • এই বয়সে বাবা ছেলেকে বুঝিয়ে বলুন- যৌনতার বাস্তবতা, অতি যৌনতার বিপদ, পর্ণো-গ্রাফিক ফাঁদ, অতিরঞ্জন আর অসারতা, যৌনরোগের বিস্তার আর বিপদ।
  • আর একটু বড় হলে ১৭-১৮ বছরে ওদের বুঝিয়ে বলুন- জন্মরোধের ব্যবস্থাগুলো সম্পর্কে, প্র্যাক বিবাহ মেলামেশার বিপদ নিয়ে, অবাধ যৌনতার সর্বনাশ আর মারাত্মক যৌনরোগে আক্রান্ত হয়ে পড়ার বিপদ সম্পর্কে। আগে নিজে জানুন, তারপর ওদের জানান। ছেলেদের সতর্ক করুন নেশা বা মাদকাসক্তির বিপদ সম্পর্কে।
  • ছেলে বা মেয়েকে বৈজ্ঞানিক যৌনশিক্ষা পেতে সাহায্য করুন। এ ব্যাপারে বইপত্র নির্বাচনে ওদের সাহায্য করুন, ‘স্বঘোষিত বিশেষজ্ঞ’-দের থেকে সাবধান করুন।
  • ছেলে বা মেয়েকে স্বমেহন(Masturbation)-এ রত বা পর্ণোগ্রাফির বইপত্র পড়তে দেখে ফেললে তখনকার মতো সরে যান। তখনই বকাবকি বা শাসন করতে যাবেন না। পরে সময় করে ব্যাপারটা নিয়ে আলোচনা করুন ছেলেমেয়েদের সঙ্গে। যুক্তি দিয়ে, বিজ্ঞানের আলোয়। আদেশ বা নির্দেশ নয়, ভালোবাসা দিয়ে।
বয়ঃসন্দির ছেলেমেয়ের বাবা-মায়েরা জানুন
  • আপনাকে দেখেই আপনার ছেলে মেয়ে শিখবে। আপনার আচার আচরণে সংযত থাকুন।
  • ওদের সঙ্গে বসে টিভিতে সেক্স ভায়োলেন্সে ঠাসা বই দেখবেন না।
  • স্বমেহজন যৌবনের স্বাভাবিক এক অভ্যাস। এতে শরীর দুর্বল হবার, স্মৃতিশক্তি কমে যাবার বা ভবিষ্যত যৌন জীবন বিপন্ন হবার আশঙ্কা অপপ্রচার মাত্র। পরিণত স্বমেহন স্বাভাবিক, ব্যাপারটাকে বাতিক (obsession) বানিয়ে ফেললে তা অবশ্যই অস্বাভাবিক।
  • ঋতুচক্র, উর্বর সময়কাল(Unsafe Period), অনুর্বর সময়কাল (Safe Period) সম্পর্কে জানুন। ১৮ বছর নাগাদ ছেলে মেয়েকে এই ব্যাপারগুলো জানতে-বুঝতে সাহায্য করুন।
  • অবাধ যৌন সংসর্গের বিপদ নিয়ে চুপ করে থাকবেন না। ছেলে মেয়েকে এই বিপদ সম্পর্কে সতর্ক করুন।
  • মুহর্তের আবেগে শরীরী রোমাঞ্চর আবেশে যৌন সংসর্গের লিপ্ত হয়ে সারা জীবন অনুতাপ করতে হয় অনেককেই। ওদের বুঝিয়ে বলুন।
  • কারও প্ররোচনায় বা ভুলে যৌনকর্মীদের কাছে গিয়ে কেউ কেউ এ বয়সে নানা যৌনরোগ বা মানসিক সমস্যায় আক্রান্ত হয়। সতর্ক থাকুন ওদের সব বুঝিয়ে সতর্ক থাকতে বলুন।
বিবাহিত জীবনের যৌনশিক্ষা
‘সামাজিক ও মানসিক দিক দিয়ে বিয়ে যে কোনো মানুষের জীবনে নতুন একটা মাত্রা, যা ভালোবাসার খুব কাছাকাছি’। যৌন সম্পর্ক দাম্পত্যের গুরুত্বপূর্ণ একটা ভিত্তি, যৌন সম্পর্ক আর দাম্পত্য তবু সমার্থক নয়। কমবয়স থেকে যৌনশিক্ষার অভাবে নববিবাহিত দম্পতি বেশিরভাগ সময় একে অন্যকে না বুঝেই যৌন সম্পর্ক শুরু করেন। লজ্জা আর অস্বস্তি দিয়ে শুরু হয় দাম্পত্যের ভিত গড়া।
এ দেশে যুগযুগ ধরে মেয়েদের শেখানো হয়েছে, পুরুষের যৌন আকাঙ্ক্ষায় সাড়া দেয়াই নারীর এক মাত্র কাজ। বিজ্ঞান বলে পুরুষের মতো নারীরও রয়েছে স্বাভাবিক যৌন চাহিদা। যৌনতার আনন্দ দাম্পত্যের আনন্দের একটা অংশ। যৌনতার আনন্দ উপভোগ করতে না পারা অনেকটা ভালো খাবার আনন্দ করে খেতে না পারার মতো ব্যাপার।
বিবাহিত জীবনের  একেবারে শুরুতে আস্তে আস্তে পারসপরিক বোঝাপড়ার মাধ্যমে সুস্থ শরীরী সম্পর্ক গড়ে উঠতে শুরু করে। শরীর- মনের এই বোঝাপড়া তৈরি না হলে সুস্থ শরীরী সম্পর্ক গড়ে না ওঠার বিবাহিত নারী-পুরুষ সুখের বৃত্তে ঢুকতে বাধা পান। এর জন্য দায়ী শরীর-মনের পারসপরিক সম্পর্ক নিয়ে ধারণার অভাব, ন্যনতম যৌনবিজ্ঞানের অভাব আর এ নিয়ে নানা ধরনের সংস্কার।
দম্পতিতে দম্পতিতে যৌন চেতনায় বা যৌনরোধ তারতম্য থাকবেই। কোনো দম্পতির বেলায় শরীরী ভালোবাসা হয় তো তেমন গুরুত্বপূর্ণ কোনো ব্যাপার নয়। আবার এমন দম্পতিও রয়েছেন যাদের ভালোবাসার মল কথাই হল শরীর। বিবাহিত জীবনে দু’জনের বোঝাপড়া গড়ে উঠতে সময় লাগে। এই বোঝাপড়ার ওপর ভিত্তি করে সুস্থ যৌননীতি তৈরি করে নেয়া একান্ত প্রয়োজন। যৌনজীবন ‘নোংরা’ বা ‘পাশবিক’ কোনো জীবন নয়, মানসিক ভালোবাসার গাছের মাটির উপরকার ডালপালা হলে, শারীরিক ভালোবাসা হল মাটির নিচে থাকা গাছের শিকড়বাকড়। যৌনচাহিদা খিদে বা তেষ্টার মতোই স্বাভাবিক, এতে ‘নোংরামি’-র কিছু থাকতে পারে না।