Subscribe For Free Updates!

We'll not spam mate! We promise.

Showing posts with label পুরুষের স্বাস্থ্য. Show all posts
Showing posts with label পুরুষের স্বাস্থ্য. Show all posts

বাচ্চা নেয়ার চিন্তা-ভাবনা করছেন, এমন অবস্থাতে আপনার কিছু প্রিপারেশন এর প্রয়োজন আছে। সেইসব প্রিপারেশন নিয়েই এই পোস্ট।

☞আপনার বয়স অবশ্যই ১৮ এর বেশী হওয়া উচিত।

☞আগে একটি বাচ্চা থাকলে, নতুন বাচ্চা নেওয়ার জন্য অন্তত দুই বছর বিরতি নিন।

☞চিকিৎসক দেখিয়ে প্রয়োজনীয় চেক আপ করে নিন। আপনার কোন দীর্ঘমেয়াদি অসুস্থতা থাকলে তাকে জানাতে ভুলবেন না। কোন রোগের জন্য কি কি চিকিৎসা গ্রহণ করেছেন, কি কি ওষুধ গ্রহণ করেছেন- সব ডাক্তার কে জানান। এতে আপনি গর্ভকালীন সময়ে অনেক বেশী নিরাপদ থাকবেন।

☞যে কোন বংশগত রোগের কথা ডাক্তার কে জানান। বিশেষ করে আপনার নিকটত্মীয় দের মধ্যে কেউ প্রতিবন্ধী থাকলে অবশ্যই তা জানাবেন। অনেক ক্ষেত্রেই প্রতিবন্ধী বাচ্চা হয় জেনেটিক ত্রুটির কারনে। আপনি কোন ত্রুটিপূর্ণ জীন বহন করছেন কিনা তা গর্ভধারণের পূর্বে অবশ্যই জানুন। বাচ্চার পিতার নিকটত্মীয় দের মধ্যে কেউ প্রতিবন্ধী থাকলে, পিতারও জেনেটিক টেস্টিং এর প্রয়োজন হতে পারে।

☞আপনার পূর্বের কয়টি বাচ্চা আছে, কখনো গর্ভপাত হয়েছে কিনা, পূর্বে কোন মৃত বাচ্চা, জমজ বাচ্চা হয়েছিলো কিনা, বাচ্চাদের ওজন কত ছিলো, তাদের জন্মগ্রহণের পদ্ধতি কি ছিলো- সব ডাক্তার কে জানান।

☞সুষম খাদ্য (সবুজ শাক-সব্জী, চর্বিহীন আমিষ এবং আঁশ জাতীয় খাবার) গ্রহণের অভ্যাস গড়ে তুলুন।

☞ফলিক এসিড গ্রহণ শুরু করুন এটি শিশুর প্রথম দিককার কিছু জন্মগত ত্রুটি (যেমন ভ্রুনের Spina Bifida বা নিউরাল টিউবের ত্রুটি) হওয়াকে প্রতিরোধ করে। গর্ভধারণের তিনমাস আগে থেকে ফলেট ট্যাবলেট গ্রহণ শুরু করতে পারেন। বাজারে যেসব প্রন্যাটাল মাল্টিভিটামিন এ ফলেট আছে, সেগুলো ও গ্রহণ করতে পারেন। তাছাড়া স্পিনাচ, ব্রকলি, ডিম, কমলা, জাম্বুরা তেও ফলিক এসিড থাকে।

☞ভিটামিন এ অতিরিক্ত গ্রহণে শিশুর কিছু সমস্যা হতে পারে। সাধারন খাদ্যভাসে অতিরিক্ত ভিটামিন এ গ্রহণের সম্ভাবনা নেই। মাল্টি ভিটামিনে ভিটামিন এ থাকলেও তা কম পরিমাণেই থাকে। পূর্ণবয়স্ক মানুষের সাপ্তাহিক ভিটামিন এ গ্রহণের নিরাপদ মাত্রা প্রায় ২৫০০ IU. এতটুকু মেপে মাল্টি ভিট খেলে আর সাধারণ খাদ্যাভাস থাকলে আর ভয় নেই।

☞আপনি ধূমপায়ী হলে এই মুহূর্তে বর্জন করুন। ধূমপায়ী মায়ের ectopic pregnancy এর সম্ভাবনা বেশী। এই অবস্থায় শিশু, জরায়ুর বাইরে ফেলোপিয়ান টিউব এ অবস্থান করে। ফলে গর্ভপাতের পাশাপাশি মায়ের ও অভ্যন্তরীন রক্তপাতের মাধ্যমে মৃত্যু ঝুকি বেড়ে যায়।

☞গর্ভধারণের আগে ডেন্টিস্ট দেখিয়ে নিন। কারণ গর্ভবস্থায় আপনার দাত বা মাড়ীর সমস্যা হতে পারে যখন আপনার পক্ষে সাধারণ চিকিৎসা নেওয়া ঠিক হবে না। তাই আগেই চিকিৎসা নিয়ে রাখুন।

☞ক্যাফেইন গ্রহণে গর্ভধারণে সমস্যা হয় কিনা তা এখনো বিতর্কিত। অনেকে বলে যে ক্যাফেইন মাসিক ঋতুস্রাব অনিয়মিত করে দেয় ফলে গর্ভধারণে বিলম্ব হয়। উচ্চ ক্যাফেইন যুক্ত খাবারের মধ্যে আছে কোক, কফি, এনার্জি ড্রিঙ্কস আর মিল্ক চকোলেট।

☞রক্তের গ্রুপ জেনে রাখুন যেনো জরুরী প্রয়োজনে কাজে লাগে। তাছাড়া আপনার রক্তের গ্রুপ নেগেটিভ ও বাচ্চার পিতার রক্তের গ্রুপ পজিটিভ হলে কিছু বারতি সতর্কতার প্রয়োজন হয়। আপনার রক্তশূণ্যতা আছে কিনা, তাও পরীখা করে জেনে নিন।

☞আপনার শরীরে হেপাটাইটিস বি, সি, অন্য যৌনবাহিত রোগে বা এইচ আই ভি এর জীবানু আছে কিনা রক্ত পরীক্ষা করে নিশ্চিত হোন। একটি শিশুকে অসুস্থ অবস্থায় পৃথিবীতে আনার চাইতে ভালো যে আগে নিজের চিকিৎসা গ্রহণ পূর্বক সুস্থ শিশুর জন্ম নিশ্চিত করা।

☞আপনার ডায়বেটিস বা প্রেশার আছে কিনা অবশ্যই তা পরীক্ষা করে জেনে নেই। এই ধরণের মায়ের গর্ভবস্থায় প্রয়োজন বারত সতর্কতা।

☞আপনার অতিরিক্ত ওজন থাকলে প্রথমে তা নিয়ন্ত্রন করে এরপর সন্তান গ্রহণের কথা চিন্তা করুন। অতিরিক্ত ওজন ধারীদের অনেক সময় ই অনিয়মিত ঋতুস্রাব হয় ফলে চেষ্টা করেও সন্তান ধারণে বিলম্ব হয়। ওজন কম থাকলেও স্বাভাবিক করার চেষ্টা করুন।

☞গর্ভধারণের কয়েক মাস আগে থেকে আপনার ঋতুচক্র খেয়াল রাখুন। যাদের ঋতুস্রাব নিয়মিত, তারা ঋতুস্রাব শুরুর ১০ থেকে ২০ দিনের মধ্যে নিয়মিত মিলনে গর্ভধারণে সফল হবেন। এর মধ্যে ১২ থেকে ১৬ তম দিনে গর্ভধারণের সম্ভাবনা সবচেয়ে বেশী।

বিবাহোন্মুখ পোলাপাইনদের জন্য অবশ্যপাঠ্যঃ প্রয়োজনীয় বিবাহ প্রস্তুতি

বয়স হয়ে গেলো, বসন্ত একের পর টা টা দিচ্ছে, অথচ অনেক এখন আবিয়াইত্যা। আমি পোলাপাইনদের কথা বলছি। যারা বিয়ে নিয়ে অনেক স্বপ্ন দেখে বসে আছে, বিয়ের পর কি কি করবে তার উষ্ণ পরিকল্পনাও করে রেখেছে। গল্প-উপন্যাস-মুভি-নাটক পড়ে/দেখে বা বন্ধুদের কথা শুনে কল্পনার ফানুস উড়াচ্ছে, অথচ ফানুস কিন্তু হঠাৎই ফুসস্ হয়ে যাবে, যদি কল্পনাটা বাস্তবসম্মত পরিকল্পনা না হয়।যেহেতু অনেকেরই ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা নাই দৈহিক সম্পর্ক বা বিবাহ পরিবর্তী প্রাথমিক কার্যকলাপের তাই অধিকাংশ ক্ষেত্রেই এই পোলাপাইনরা নানা রকম ভুল ধারনা নিয়ে বসে থাকে। তার সাথে পর্নোছবি-বই (চটি) আর অনেকের বাড়িয়ে বলা অভিজ্ঞতায় অনেকেই বিভ্রান্ত হয়। কেউবা একটা নির্দিষ্ট ফরম্যাটে চিন্তা ভেবে বসে থাকে, আর বিয়ের পর তার এদিক ওদিক হলে টেনশনে পরে। কেউ বা হীনমন্যতায় ভুগে বিয়ের দিকেই যেতে চায় না। দ্বিতীয় শ্রেনীর অবস্থা আরো কাহিল করে রাস্তায় বিলানো মঘা-ইউনানীর লিফলেটগুলো।এটা একটা ইন্ট্রো। বিস্তারিত পরের পর্ব গুলোতে আসবে। বিষয় গুলো আসবে বিয়ে ঠিক হবার পর কি কি করনীয় তার ভিত্তিতে।আবিয়াইত্যাদের জন্য বিবাহিত ভাইদের একটা উপহার সরুপ। তাই বিবাহিত ভাইদের মন খুলে বিভিন্ন বিষয়ে পরামর্শমুলক কমেন্টের আহবান জানানো হচ্ছে। এদের ভয় না দেখিয়ে কিভাবে বিয়ের জন্য ভালোভাবে তৈরি করে দেয়া যায় সেই প্রচেষ্টা থাকা উচিত। বিয়ে ঠিক হয়ে গেছে, আংটি পড়ানো শেষ। এবার বিয়ের তোরজোর চলছে। গায়ে হলুদ-বিয়ে আর বৌভাতের ডেট ঠিক করা হবে, এরপর মোহরানা, কমিন্যুটি সেন্টার, ক’জন অতিথী, গেটে কত দিতে হবে ইত্যাদি ইত্যাদি। ওসব মুলতঃ অভিভাবকরাই করবেন। পাত্র হিসেবে আপনার কাজ কি? করনীয় ১: মোবাইল নম্বর এতদিনে অবশ্যই আদান-প্রদান হয়েছে! এটা খুবই জরুরী। বিয়ের আগে অনেক কিছুই ফিক্স করা যাবে মোবাইলের মাধ্যমে। মানসিক-শারীরিক অনেক বিষয় আলোচনায় আসবে যা বিয়ে পরবর্তী জীবনের জন্য খুব প্রয়োজনীয়।অপশনালঃ বিয়ের ডেট ঠিক করা নিয়ে একটু বলি। অনেকেই বিয়ের রাতে আবিস্কার করে যে তার নববধুর পিরিয়ড চলছে। সো এতদিনের “প্রথম রাইতে বিলাই মারা”র প্ল্যান কুপোকাত। এটা যদিও খুব জরুরি কোন বিষয় না, পিরিয়ড শেষ হয়ে যাবে সর্বোচ্চ ৩-৪ দিনের মধ্যে। তারপর প্ল্যানমাফিক…তবে মেয়ে বা আত্মীয়াদের মধ্যে কারও সাথে যদি ফ্রি থাকেন তবে একটা ট্রাই করা যেতে পারে। যেমনঃ আপনার ভাবী আছে, তাকে বলুন যেনো বিয়ের সময় মেয়ের কোন শারীরিক সমস্যা না থাকে। ভাবীরা এই লাইনে “আকেলমন্দ”, তাই ইশারা বুঝে ঠিকই হবুবধুকে পরবর্তি পিরিয়ডের ডেট জিজ্ঞেস করে সেভাবে বিয়ের ডেট ফিক্সে ভুমিকা রাখতে পারেন। তারপরেও অনেক সময় বিয়ের টেনশনে অনেক সময় মেয়েদের অসময়ে পিরিয়ড শুরু হয়ে যায়। তাই আবারও বলছি এটা বড় কোন ইস্যু না। করনীয় ২: হবু বধুর সাথে ফ্রী হয়ে নিন। টেলিফোনে আলাপ যেহেতু শুরু হয়ে গেছে। এইবার তার সাথে শারীরিক বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলাপ শুরু করুন। তবে রয়ে-সয়ে। সরাসরি প্রথম ১/২ দিনেই শুরু করলে কিন্তু বিপদ। কিভাবে শুরু করবেন নিজেই চিন্তা করুন। মনে রাখবেন এই আধুনিক যুগে মেয়েরা কিন্তু সবই জানে। জানার সোর্স আপনার মতই। এটাকে নেগেটিভলি দেখার কিছু নাই। বরং পজেটিভলি দেখুন, ভাবুন তার এই জানা আপনার কাজকে সহজ করে দেবে। তবে মেয়েরা জানলেও প্রকাশ করবে না, কারন তার মনে ভয় কাজ করবে যে আপনি তাকে ভুল বুঝতে পারেন। তাই প্রথম স্টেপ আপনি নিন। জানা বিষয় আলাপ শুরু করুন, তবে তত্ত্বীয় বিষয় গুলো। করনীয় ৩: শারিরীক ভাবে সুস্থ থাকুন ও শক্তিশালী হোন। না, কোন বটিকা বা সালসা খাওয়ার কথা বলবো না। স্রেফ মধু খান ডেইলি এক চামচ করে। দুধে মিশিয়ে খেলে আরো ভালো। আর স্বাভাবিক খাবারতো খাবেনই। ভুড়িটাকে বেশি বাড়তে দিয়েন না। বাসর রাতে ফার্স্ট ইম্প্রেশনটা খারাপ হয়ে যাবে তাইলে। আর প্রচুর পানি খান। চেহারা ফ্রেশ থাকবে। পরর্বতী পর্বে আলাপ হবে সরাসরি বাসর রাতের প্রস্তুতি নিয়ে। কি কি কিনতে হবে আর সাথে রাখতে হবে।এই পোষ্টের বিষয়ে কারও কোন প্রশ্ন থাকলে করার আহবান জানাচ্ছি। এবং এই লাইনের গাযীদের মতামত আশা করছি। করনীয় ৪: লুব্রিকেন্ট বা জেল কিনে রাখুন। ভালো কোন ফার্মেসী থেকে লুব্রিকেন্ট কিনে রাখুন। বন্ধুরাও অনেক সময় গিফট দেয়, কিন্তু সে আশায় বসে থাকলে বিপদ। এই লুব্রিকেন্ট বলতে গাড়ীর লুব্রিকেন্ট বুঝানো হয় নি। এটা সার্জিক্যাল জেল। ভালো মানের একটা লুব্রিকেন্টের নাম বলি। জনসন এন্ড জনসনের “KY Gelly”। বড় ফার্মসীগুলোতে পাবেন, KY Gelly বল্লেই দিবে। আর এক টিউব দিয়ে দশ-বারোজন বন্ধুর সংসার শুরু হয়ে যাবে। কারন একজনের বেশি লাগে না। এই সার্জিকেল জেল না পেয়ে অনেকে নারিকেল তেল, গ্লিসারিন ইত্যাদি ব্যবহার করে। এদুটোই কিন্তু রাফ, ইভেন কনডম ফেটে যেতে পারে। গ্লিসারিন কখনও র’ অবস্থায় ইউজ করবেন না। পানি মিশিয়ে ব্যবহার করুন। তবে গ্লিসারিনের ব্যবহার সাধারনত নিরুৎসাহিত করা হয়।কেন ও কি ভাবে ব্যবহার করবেন:আমরা সবাই কম বেশি জানি যে অনাঘ্রাতা মেয়েদের যৌনাংগের প্রবেশপথটা খুব সরু থাকে। অর্থ্যাৎ চাইলেই সহজে সেখানে আপনার অংগ প্রবেশ করবে না। এর সাথে আছে হাইমেন বা বা সতিচ্ছেদ বা পর্দার প্রতিরোধ। তাই প্রথমদিকে প্রবেশ করাতে ব্যর্থ হয়ে অনেক হতাশ হয়ে পড়ে। এটা নিয়ে টেনশন না করে আপনি প্রথমে আপনার এসাইনমেন্ট ঠিক করুন “প্রবেশ করাতে হবে”।এই সরু পথে জোর করেই প্রবেশ করতে হবে, জোর করা মানেই শক্তি প্রয়োগ, এবং স্বাভাবিক ভাবেই এতে আপনার সংগীনি ব্যাথা পাবে। তাই শক্তি প্রয়োগটা গোয়াড়ের মত না করে ভালোবাসার সাথে করুন। দুইস্থানেই জেল লাগিয়ে এবার চেষ্টা করুন, একদিনে না হলে দুইদিনে হবে। আরো এক/দুইদিন বেশি লাগলেও পরিশ্রম কমবে, দুঃশ্চিন্তা কমবে, ব্যাথা কম পাবে, শুরু করা যাবে তাড়াতাড়ি।কিছু ভুল ধারনাঃপ্রথমতঃ অনেকে প্রথম প্রবেশের সময় নববধুর কুমারিত্বের পরীক্ষা নেয়ার ইচ্ছাও মনে মনে পোষন করে। ভুলেও একাজ করবেন না। একটা প্রচলিত ধারনা আছে কুমারী বা অনাঘ্রাতা মেয়ে মানেই সতিচ্ছেদ বা হাইমেন থাকবে, তাই স্বামীই সেটা বিদীর্ন করে বউনি করবে। এটা এই যুগে হাস্যকর। সাইকেল চড়লে-দৌড়াদৌড়ি-খেলাধুলা করলে হাইমেন ফেটে যাবেই, তাই সেটা ন্যাচারাল, স্বামীকে দায়িত্ব নিতে হবে না। কেউ হাইমেনের উপস্থিতি না পেলে আবার নববধু সম্বন্ধে খারাপ ধারনা করে বসে থাকবেন না।দ্বিতীয়তঃ আর একটা ভুল ধারনা হলো রক্তপাত না হলে মেয়ে কুমারী না। এটা বিশ্বাস করা মুর্খতার সামিল। যদি হাইমেন ফেটে গিয়ে থাকে আগেই, বা আপনি যদি লুব্রিকেন্ট ইউজ করেন তবে অনেক সময়ই রক্তপাত নাও হতে পারে। তাই এসব কোন মানদন্ড না।তৃতীয়তঃ বিভিন্ন পর্নো কাহিনী পড়ে অনেকের ধারনা হয় যে সেক্স করার সময় যোনীপথ পিচ্ছিল কামরসে ভেজা থাকবে, তাই উঠো..যাতো, আলাদা লুব্রিকেন্ট ইউজের প্রয়োজন নেই। আসলে ব্যাপারটা তা না। এই ফ্লুইডটা বের হবে উত্তেজিত হলেই। আর নতুন নতুন বাবা-মাকে ছেড়ে আসা ভয়-শংকা-লজ্জায় থাকা একটা মেয়ের পক্ষে উত্তেজিত হওয়া এত সহজ না। ইভেন অনেকে তো প্রথম প্রথম কোন অনুভুতিই পায় না। তাই ফ্লুইড না বের হলে ভয়ের কিছু নেই, সময় নিন কয়েকদিন, এমনিই ঠিক হয়ে যাবে।চতুর্থতঃ স্তনের স্থিতিস্থাপকতা ও কোমলতা দেখেও অনেকে টাচড-আনটাচড কন্ডিশন বের করতে চান। শক্ত-টানটান হলে নাকি আনটাচড। এটা সবচে বড় বোকামী। আমাদের মেয়েরা এমনিতেই শারীরিকভাবে নরম প্রকৃতির। তাই স্তনও নরম হতে পারে। মুভির নায়িকার টান-টান বুক বউয়ের কাছে আশা করবেন না, কারন বুক টানটান রাখতে শোবিজের লোকেরা অনেক টাকা খরচ করে, কসরত করেপঞ্চমতঃ টিনএজ থেকেই হস্ত-মৈথুনে অভ্যস্ত ছেলেরা অনেক সময় বিয়ের করতে ভয় পায়। মঘা-ইউনানীর লিফলেট পড়ে আবিস্কার করে তার “আগা মোটা গোড়া চিকন”,তাই তাকে দিয়ে স্ত্রীকে সুখ দেয়া সম্ভব হবে না। এটা নির্মম রসিকতা। এসব নিয়ে টেনশন না করে লাফ দিয়ে নেমে যান বিয়ে করতে। এত মানুষ দেখেন আশে পাশে সবাই কি ধোয়া-তুলসি পাতা? সবাই অনাঘ্রাতা বউই চাই আমরা। আর নিজে যদি অভিজ্ঞতাহীন হই, তবে একই আশা করবো নববধুর কাছ থেকে। সর্বোপরি কারও যদি সন্দেহপ্রবন মন থাকে, তবে সব কিছু ক্লিয়ার হয়ে নেয়া উচিত আগেই। এনগেজমেন্ট বা বিয়ের আগেই মেয়ে সম্বন্ধে সব খোজ-খবর নিয়ে নিন। বিয়ের পর আর এসব নিয়ে মাথা ঘামাবেন না। মনে রাখবেন, সন্দেহের পোকা একবার মনে ঢুকলে সেখানেই বাসা বেধে বসে যাবে। তাই আগে থেকেই সব ক্লিয়ার হোন। বিয়ের পর নো টেনশন আগের ব্যাপার নিয়ে। ভালবাসতে শুরু করুন যেভাবে পেয়েছেন সে অবস্থা থেকেই। করনীয় ৫: আত্মবিশ্বাসী হোন, অযথা ডাক্তারের কাছে দৌড়াবেন না। টিন-এজে স্বমেহনের কারনে অনেকেই অপরাধবোধে ভোগে, মনে শংকা তৈরি হয় শারীরিক ভালোবাসায় পারংগমতা দেখাতে পারবে কিনা। অনেকে দৌড়ায় ডাক্তারের কাছে। ডাক্তারের কাছে যাওয়া যাবে না তা নয়। তবে যদি নিজের দৈহিক সুস্থতা থাকে আর পুরুষাংগের প্রাত্যহিক উত্থান (সকালে, যাকে “মর্নিং গ্লোরী” বলা হয়।) হয় তবে ভয়ের কিছু নেই। ডাক্তারের কাছে যাওয়ার রিস্ক হচ্ছে অনেকে এই সুযোগে টু-পাইস কামানোর ধান্ধায় আপনার উল্টো ক্ষতি করে দিতে পারে। অনেকে আবার মঘা-ইউনানীর মত ফ্রডের কাছে যান, ওখানে গেলে নাকি লাইফ হেল করে দেয়।তবে পুরুষদের ক্ষেত্রে একটা বিষয় আমলে আনা হয় না, সেটা হলো ইউরিনারি ট্র্যাক্ট ইনফেকশন বা ইউরিন ইনফেকশন। ইউরিন ইনফেকশন হয় কিছু ব্যাকটেরিয়ার কারনে, এবং পুরুষরা এটাতে আক্রান্ত হয় টয়লেট ব্যবহারের মাধ্যমে। পুরুষদের সবাইকে কম-বেশি পাবলিক টয়লেট ব্যবহার করতে হয়। ইউনি’র হল-অফিসের টয়লেটকেও পাবলিক টয়লেট হিসেবে ট্রিট করুন এখানে। এসব টয়লেট নানা ধরনের মানুষ ব্যবহার করে। এবং অনেক টয়লেটেই পানির সুব্যবস্থা থাকে না। এদের মধ্যে কারও যদি ইনফেকশন থেকে থাকে তবে সে টয়লেট ব্যবহারের পর ভালো ভাবে পানি না দিয়ে গেলে, বা নতুন ব্যবহারকারী পানি দিয়ে ফ্লাশ না করে ব্যবহার করলে প্যানে থাকা ব্যাক্টেরিয়া আক্রমন করে। এভবেই পানি ইউজ না করলে ইনফেকশন হয়। এটা একটা “যৌনবাহিত রোড (STD)”, এবং স্বামীর কাছ থেকে স্ত্রীরা এটা পেয়ে থাকে। তাই যদি আপনি প্রসাবে জ্বালাপোড়া বা পেইন অনুভব করেন তবে বিয়ের আগেই একবার টেষ্ট করুন, থাকলে ব্যবস্থা নিন। মনে রাখবেন আপনার স্ত্রী আক্রান্ত হলে প্রেগন্যান্সির সময় এটা এক্সট্রা টেনশন এড করবে। হাই এন্টিবায়োটিক খেতে হবে তখন। করনীয় ৬: যৌনমিলনের সেফ পিরিয়ডঃ নিজে জানুন, হবু বধুকে জানান। সেফ পিরিয়ড মানে যে সময় কোন প্রতিরোধক (কনডম বা এ জাতীয়) ছাড়াই দৈহিক সম্পর্ক স্থাপন করতে পারবেন, এক্সিডেন্টালী প্রেগন্যান্ট হওয়ার ভয় থাকবে না। এটা অনেকেই জানেন, আবার একটু রিভাইস করে নেই।মেয়েদের মেন্স বা পিরিয়ডের সাথে সেফ পিরিয়ডের সম্পর্ক। ধরলাম কোন মেয়ের পিরিয়ড হয় ৩০ দিন পর পর (কম বেশিও হতে পারে) এবং এই মাসে তার পিরিয়ড শুরু হয়েছিলো ১ তারিখে। তার আগের মাসেও ১ তারিখে। এটাকে এক সাইকেল বলা হয়। নরম্যালি ওভুলেশন হয় সাইকেলের মাঝামাঝি সময়ে, ধরলাম ১৪ দিনে। তাহলে ১৪ তারিখে ওভুলেশন হচ্চে। এই ওভুলেশনের হওয়ার আগের এক সপ্তাহ ও পরের এক সপ্তাহ ফার্টাইল বা উর্বর সময়। এসময়ে প্রোটেকশন না নিলে প্রেগন্যান্ট হবেই। তাহলে মাসের ৭ তারিখ থেকে ২১ তারিখ প্রটেকশন ছাড়া এগোনো যাবে না। বাকী সময় সেফ, থিওরিটিক্যালী কোন প্রটেকশনের দরকার নেই।এটা ন্যাচারাল পদ্ধতি, তবে সমস্যা হলো পিরিয়ড এর ডেট বিয়ের পর বদল হতে দেখা যায়। এবং অনেকের ক্ষেত্রে সাইকেলটাও স্ট্যাবল থাকে না। তাই সাইকেল স্ট্যাবল না হওয়া পর্যন্ত প্রটেকশন নেয়াই উচিত। যদি দ্রুত বাচ্চা নেয়ার প্ল্যান না থাকে তাহলে প্রটেকশন নিয়েই শুরু করতে হবে। নো হান্কি পান্কি। তবে কখনই প্রথম বাচ্চা হবার আগে আপনার স্ত্রীকে বার্থকন্ট্রোল পিল খাওয়াবেননা। এটা স্বাভাবিক ডেলিভারিতে সমস্যা তৈরি করে থাকে বলে রিপোর্ট পাওয়া গেছে। করনীয় ৭: জানুন প্রি-ম্যাচ্যর ইজাকুলেশন কি? প্রি-ম্যাচুর ইজাকুলেশন মানে খুব দ্রুত বা সময়ের আগেই বীর্যপাত। সময়ের আগে মানে পার্টনারের অর্গাজমের আগেই আর দ্রুত সময় মানে ১.৫ মিনিটের কম সময়ের মধ্যে। অধিকাংশ পুরুষই (৯০-৯৫%) জীবনের প্রথম যৌনাভিজ্ঞতায় প্রি-ম্যাচুর ইজাকুলেশনের সম্মুখীন হয়। প্রথম দিকে এটা নরমাল, এবং সময়ের সাথে সাথে এটা ঠিক হয়ে যায়। কেন হয়?প্রথমেই দুটো কারন আসবে, অনভিজ্ঞতা ও অতিরিক্ত উত্তেজনা। অনভিজ্ঞ একজন পুরুষ তার প্রথম সেক্সের সময় প্রচন্ড উত্তেজিত থাকে। উত্তেজিত অবস্থায় নারী সংগীর সাথে শারীরিক খেলায় মেতে উঠার সময় থাকে তাড়াহুড়ার মধ্যে, অল্প সময়ে বেশি পথ বিচরনের চেষ্টায় নিজের উপর কন্ট্রল থাকে না। পাশাপাশি প্রবেশ করানোর পর যোনীর ভেতরের উচ্চ উষ্ণতায় দিশেহারা হয়ে যায় অনেক সময়ই। ফলাফল খুব অল্প সময়েই নারী সংগীর অরগাজম হবার আগেই বীর্যপাত।দ্বিতীয় কারন হিসেবে আসবে “টেনশন”। নতুন বিয়ে বা সম্পর্কে নিজেকে শারীরিক ভাবে সামর্থবান হিসেবে তুলে ধরতে চাওয়ার মানসিক চাপ থেকে সৃষ্টি হয় টেনশন, ফলে নিজের উপর কন্ট্রল থাকে না। তৃতীয় কারন হলো “সংগীনির তৈরি না হওয়া”। প্রথম দিকে শান্ত ও ধীর-স্থির ভাবে সংগীনিকে উত্তেজিত করার কাজটা অধিকাংশ পুরুষই করে না। ধরে নেয় তার নিজের মতই তার সংগীনিও উত্তেজিত হবে। ঘটনা উল্টা। মেয়েদের উত্তেজিত হতে পুরুষদের চেয়ে বেশি সময় লাগে। তাই সে তৈরি হবার আগেই পুরুষ সংগী উত্তেজনার চরমে পৌছে যায়। ফলাফল অকাল বীর্যপাত।সমাধানঃঅনভিজ্ঞতার সমস্যা সমাধানের দরকার নেই, এই খেলায় অভিজ্ঞতা কাম্য নয়। বাকি থাকলো অধিক উত্তেজনা ও টেনশন। নতুন বিয়ে, প্রথমবার কাছে পাওয়া, উত্তেজনা তো থাকবেই। এটা আপনার উপর এখন,অধিকাংশ পুরুষই উত্তেজনা নিয়ন্ত্রন করতে পারে না, যদি আপনি পারেন তাহলে “স্যালুট”। না পারলে কোন সমস্যা নেই। আপনি নিয়ন্ত্রন করতে পেরেছেন এটা পেপারে বা টিভিতেও আসবে না। তাই যা স্বাভাবিক তাই হোক।টেনশন কিভাবে দুর করবেন? প্রথমে ভাবুন আপনাকে কি আপনার সংগীনির সামনে নিজেকে বিশাল কিছু-প্রচন্ড সামর্থবান প্রমান করতে হবেই? নাকি স্বাভাবিক একজন মানুষ হিসেবে? যাই করুন না কেন আপনার স্ত্রী আপনারই থাকবে। সুপারম্যানের প্রতি মুগ্ধতা থাকে, ভালোবাসা থাকেনা, আপনি সুপারম্যান হতে চাচ্ছেন কিনা নিজেই ভাবুন।আর “সংগীনির তৈরি না হওয়ার” দোষটা পুরোপুরি পুরুষের উপর বর্তায় না। পুরুষকে ধৈর্য্য ধরে স্ত্রীকে উত্তেজিত করার চেষ্টা করতে হবে, শরীরের স্পর্শকাতর অংশগুলোতে কোমল ভাবে স্পর্শ করে বা ঘষে, কিস করে। ব্যাকনেক, কানের আশে-পাশে, ঠোট-জিহবা, স্তন-নিপল, তলপেট-নাভী, যৌনাংগ-উরু, হাত-পায়ের আংগুল ইত্যাদি স্পর্শকাতর স্থান বলে পরিচিত। স্ত্রীর নিজেরও দায়িত্ব থাকে এ চেষ্টায় সাড়া দেয়ার। এক হাতে তালি বাজে না। দীর্ঘায়িত করতে চাইলে সমাধানঃ ১। এর কোন স্বীকৃত ঔষধ নেই। তাই বাজারে প্রচলিত ঔষধ না খাওয়াই ভালো। ২। একটা কার্যকর এক্সারসাইজ আছে। এখন থেকেই নিজের বীর্যপাত ঠেকিয়ে রাখার প্র্যাক্টিস করতে পারেন। আমরা যে ভাবে প্রস্রাব আটকাই, সেভাবে ডেইলি বিভিন্ন সময় একলাগা ১০ বার প্রস্রাব আটকানোর কসরত করুন। যখন সময় পাবেন। প্রস্রাব না ধরলেও করুন। ৩। যখনই চরম মুহুর্ত আসবে মনে হয়, তার আগেই থেমে গিয়ে পুরুষাংগ বের করে নিন, প্রস্রাব আটকানোর মত করে বীর্যপাত আটকান। ৪। বীর্যপাত আটকানোর সাথে সাথে দীর্ঘায়িত করার জন্য অন্য কিছু চিন্তা করতে পারেন, এতে উত্তেজনা ডাইভার্ট হবে কিছুক্ষনের জন্য। ৫। আর একটা পদ্ধতি হলো আগেই একবার বীর্যপাত ঘটানো। এটা নিজে করে নিতে পারেন, অথবা সংগীনি যদি হেল্পফুল হয় তবে সেই হাত দিয়ে সাহায্য করবে। তবে এই পদ্ধতি জনপ্রিয় না। অনেকেই আগাম দুর্বল হতে চায় না। ৬। কনডমের ব্যবহার কিছুটা হেল্প করে সংবেদনশীলতা কমাতে, তাই উত্তেজনাও কিছুটা কমানো যায়।আর কোনো পদ্ধতি জানা থাকলে বলতে পারেন। করনীয় ৭: কনডম সম্বন্ধে জানুন। বাজারে অনেক ব্র্যান্ডের কনডম প্রচলিত আছে। সম্ভবত দেশে সবচে বেশি চলে সেনসেশন। এছাড়াও ইউ&মি, প্যান্থার, ল্যাটেক্স, টাইটানিক, ডুরেক্স, রাজাও ব্যবহৃত হয়। সেনসেশন সহ সব ব্র্যান্ডেরই কম বেশি নানা টাইপ/ফিচারড কনডম বাজারে পাওয়া যায়। যেমনঃ ডটেড, এক্সট্রা রিবড, সেন্টেড, প্লেইন, থিন, এক্সট্রা থিন, কন্ট্যুরড, লংলাস্টিং, ডটেড প্লাস রিবড, এক্সট্রা লং ইত্যাদি। এগুলো একেকটা একেক সময়ে/পর্যায়ে কার্যকর। সব সবার জন্য না, সব সময়ের জন্যও না।এক নতুন ব্যবহকারীর ক্ষেত্রে প্লেন অথবা ডটেড কনডম শুরু করার জন্য আদর্শ। অর্থ্যাৎ জাস্ট প্রটেকশনের জন্য। এক্সট্রা ফিচারড কনডম গুলো শুরুতে ব্যবহার না করাই ভালো, এতে প্রথমেই এক্সট্রা ফিচারডে অভ্যাস হয়ে গেলে কনডম ছাড়া বা নরমালী এত ভালো লাগবে না। এই কনডম গুলো সময়ের সাথে সাথে যৌনজীবনে বৈচিত্র্যতা আনার জন্য ব্যবহার করতে পারবেন।কিভাবে কনডম ব্যবহার করবেনঃএটা খুব কঠিন কিছু না। কনডমের প্যাকেটে লেখা থাকে ইন্সট্রাকশন। ফলো করলেই হবে। খেয়াল রাখতে হবে যেন ভেতরে কোন বাতাস না থাকে, তাই কনডমের টিপটা চেপে ধরে কনডম পড়তে হয়। বাতাস থাকলে সেক্সের সময় কনডম ফেটে যেতে পারে, তাতে প্রটেকশনের কাজ আর হলো না।এখানে পাবেন কিভাবে কনডম পড়তে হবে। করনীয় ৮: রোমান্টিক হউন, চিন্তা-চেতনায় বৈচিত্র্যতা আনুন। বিয়েটা শুধু সামাজিক ও ধর্মীয় ভাবে শারীরিক মিলনের অনুমোদন না, মনের মিলনের অনুমোদনও। ভালোবাসার এমন সহজ সুযোগ আর কোন সিস্টেমে নেই। তাই ভালোবাসুন, সুযোগটা কাজে লাগান। শরীরকে শুধু প্রাধান্য না দিয়ে মনের কথাও ভাবুন। একটা মানুষ সব ছেড়ে আপনার কাছে আসছে, এটা অনুভব করার চেষ্টা করুন, দেখবেন মনটা তার জন্য এমনিতেও নরম হয়ে আসছে। রোমান্টিক হোন, কবিতা পড়ুন, দু’একটা তার সামনে কোট করুন, রোমান্টিক গান শুনুন। গুনগুন করে গাইতে চেষ্টা করুন। বিয়ের পরে বাসর ঘরে প্রবেশের সময় যেনো সানাই বাজে সেই ব্যবস্থা করুন। রুমে ফুল রাখুন, হালকা সুগন্ধী ব্যবহার করুন, ডিমলাইট ব্যবহার করুন রাতে। কেয়ার করুন প্রথম দিন থেকেই, তাই বলে দৃষ্টিকটু ভাবে পিছু পিছু ঘুরে বেড়িয়ে তাকে সবার সামনে অস্বস্তিতে ফেলবেন না। ব্যালান্স রাখার চেষ্টা করুন। একলা থাকার অনুভুতিটা প্রথম কয়েকদিন যেনো না পায় সেদিকে খেয়াল রাখবেন। বাইরে যাচ্ছেন, সে তৈরি হলো, বলে দিন “খুব সুন্দর লাগছে তোমাকে”। ন্যাকামি না করেই বলে দিন তার সৌন্দর্যে আপনার মুগ্ধতার কথা, প্রকাশ করুন ভালোবাসার কথা, তবে লাউড স্পিকারে না, একান্ত ঘনিষ্ঠ মুহুর্তে। আর বাইরে যাওয়ার ৩-৫ ঘন্টা আগে জানিয়ে দিন কখন বেরোতে চান, নিজে তাড়া দিন যেনো তৈরি হয়। না হলে শাড়ি-গহনা চুজ করা-সাজগোজ করাতেই রাত হয়ে যাবে।শারীরিক মিলনের শুরুতেও ভালাবাসার প্রকাশ রাখুন, রোমান্টিকতা আগে, পড়ে পেরেক মারার কাজ।বাসর রাতে রোমান্টিক আলাপ দিয়েই শুরু করুন, এরপর ভবিষ্যত স্বপ্ন আর পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের কথা, পারিবারিক বিভিন্ন রীতি-নীতির কথা স্বাভাবিক টোনে বলে যান। জোর করার কিছু নেই, শুধু জানিয়ে দিন এসব দরকারী ব্যাপার। মন ভালো হলে সংসারের খারাপ চাইবেনা সে।হানিমুনের জন্য এক্সট্রা কিছু টাকা আগেই আলাদা করে রাখুন। বিয়ের ডামাডোলে সব টাকাই খরচ হয়ে যায়, তাই সাবধান।খুনসুটি করুন, মজা করুন, নরমাল ও ১৮+ কৌতুক গুলো বলার জন্য একজন রেডিমেড শ্রোতা পেয়ে গেছেন, কাজে লাগান। তবে বোকার মত নিজে অতীতে কি করেছেন, আপনি কত বাহাদুর তা একের পর এক না বলে গিয়ে তাকেও বলতে দিন। তার মজার কথা গুলো, বাবা-মা-ভাই-বোন-বন্ধু-বান্ধবী নিয়ে অভিজ্ঞতা গুলো বলার সুযোগ দিন। আপনি নিশ্চিত জেনে যাবেন তার পছন্দ-অপছন্দ-ভালো লাগা-দুর্বলতা। দুজন দুজনকে আবিস্কার করুন। জীবন আপনাদেরই, ভালোভাবে আপনাদেরই শুরু করতে হবে। তাকে বিশ্বাস করুন ১০০%। চিন্তা ভাবনায় বৈচিত্র্যতা আনুন। এটা আনন্দময় বিবাহিত জীবনের মুলমন্ত্র। বিবাহিত জীবনে অনেক সময়ই একঘেয়েমী চলে আসে। মন ও শরীর দুই ক্ষেত্রেই। বৈচিত্র্যতা আনুন দুই ক্ষেত্রেই। ঘুরতে যান, মুভি দেখুন। সেক্সের জন্য নানা রকম আসন ট্রাই করুন, নানা ধরনের কনডম ট্রাই করুন। অনেক সময় ভালো মানের পর্নো ছবিও যৌনজীবনে বৈচিত্র্যতা আনতে সাহায্য করে। করনীয় ৯: এন্টাসিড/ইমোটিল/ফ্ল্যাটামিল/ইনো সল্ট কিনে রাখুন। বিয়ে মানেই খাওয়া দাওয়া, জোর করেই খাওয়াবে। তেল-মসলার রকমারী। পেট কিন্তু বিদ্রোহ করে বসতে পারে। বদহজম কমন একটা ব্যাপার। এই ক্ষেত্রে ইনো সল্ট বা ফ্ল্যাটামিল খুব কাজে দেয়। মনে রাখবেন, পেটে শান্তি না থাকলে সেক্স করতে ইচ্ছেও করবে না। এসিডিটির প্রব্লেম মাথাচাড়া দিয়ে উঠতে পারে, ব্যবস্থা নিন। করনীয় ১০: মিষ্টি-ফল-দুধ-ডিম খান বেশি করে। সেক্সের পরেই মিষ্টি-মধু-দুধ-ডিম বা বিভিন্ন ধরনের ফল খান। প্রথম দিকে ক্লান্তিটা বেশি আসবে, তাই এসব শক্তিদায়ক খাবার সাথে রাখুন। পরে অভ্যাস হয়ে গেলে এত কিছু লাগবে না। বিয়ের আগের কয়েকদিন অযথা রাত না জেগে ঘুমানোর চেষ্টা করুন। অন্তত দিনে ৬ ঘন্টা যেনো পুরন হয়। নতুন জীবন সুস্থ-সবল ভাবে শুরু করুন। এর বাইরেও আর যদি আর কিছু জানার থাকে তবে প্রশ্ন করুন। আমার পাচাল শেষ। 

পুরুষের ও মহিলাদের ব্যায়াম নিয়ে কথা

প্রতিদিন ২০ থেকে ৩০ মিনিট ব্যায়াম করা উচিত। তবে ব্যায়াম শুধু পুরুষের জন্য নয়, মহিলাদেরও ব্যায়াম করা উচিত। শুধুমাত্র গর্ভবতী মহিলা ছাড়া অন্যসব বয়সের মহিলাদের ব্যায়াম করা ভালো। প্রতিদিন ব্যায়াম করাই উচিত। তবে যারা প্রতিদিন ব্যায়াম করতে চাননা তাদের অন্ততঃ সপ্তাহে ৫দিন ব্যায়াম করা উচিত। তাছাড়া অনেক ধরণের ব্যায়াম আছে যেসব ব্যায়াম ঘরে বসেই করা যায়। ব্যায়াম শরীরের মাংসপেশী সচল রাখে, রক্তচলাচল বৃদ্ধি করে, রক্তনালীতে চর্বি জমাতে দেয় না এবং হার্টকে অ্যাকটিভ রাখে, উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ করে এবং রক্তের কোলেষ্টরেল কমায়। তাই শুধু পুরুষ নয়, মহিলাদেরও নিয়মিত ব্যায়াম ও হাঁটাচলা করা উচিত।

অল্প বয়সে চুল পাকলে করণীয়

ছেলেদের চুল পাকার সমস্যা বেড়েই চলছে। প্রথমেই জানতে হবে কেন অল্প বয়সে চুল পাকে।
এক্ষেত্রে প্রতিষেধকের চেয়ে প্রতিরোধই উত্তম
কেন চুল পাকে...
*.১. স্পাইসি ফুড বেশি খাওয়া
*.২. ঘুম কম হওয়া
*.৩. চুলের যত্ন না করা,
*.৪. কম দামি হেয়ার প্রোডাক্ট ব্যবহার করা
*.৫. জেনেটিক বা হরমোনের সমস্যা...
চুল পাকা রোধে যা করবেন :
শুরুতেই পরিচর্যা করলে ইনশাআল্লাহ অনেকাংশে চুল পাকা রোধ করা সম্ভব।
*.সপ্তাহে দুই-তিন দিন তেল গরম করে তা মাথার স্কালপে ভালো করে ম্যাসাজ করতে পারেন। তেল চুলের
পুষ্টি জোগায়।
*.আপনার চুলের ধরন অনুযায়ী শ্যাম্পু বাছাই করুন। শ্যাম্পু ব্যবহার করার পর কন্ডিশনার ব্যবহার করুন।
*.চুলে # খুশকি দেখা দিলে শুরুতেই সাবধান হোন। কারণ অতিরিক্ত খুশকির কারণেও অসময়ে চুল পাকে।
*.সে ক্ষেত্রে সপ্তাহে এক দিন লেবুর রস বা পেঁয়াজের রস স্কালপে দিয়ে ৩০ মিনিট পর
ধুয়ে ফেললে খুশকি কমে যাবে।
*.প্রথম যখন দেখবেন চুল পাকতে শুরু করেছে তখন হেনা (মেহেদী ) , ডিমের কুসুম ও টক দই একসঙ্গে মিশিয়ে প্যাক
তৈরি করে মাথায় লাগান। এরপর শ্যাম্পু করে ধুয়ে ফেলুন। হেনা ব্যবহারের ফলে চুল পাকা রোধ হবে এবং চুলের
সাদা ভাবটা কম বোঝা যাবে ।
*.যাঁরা খুব বেশি রোদে কাজ করেন অর্থাৎ চুলে সরাসরি রোদ লাগে তাঁদের চুল দ্রুত পাকার প্রবণতা দেখা যায়।
সে ক্ষেত্রে রোদে কাজ করলে মাথা ঢেকে রাখুন। অথবা রোদ থেকে ফিরে ক্রিম সমৃদ্ধ # শ্যাম্পু দিয়ে চুল শ্যাম্পু
করুন।
*.অনেকে চুলে নানা ধরনের প্রসাধনী ব্যবহার করেন। যেমন: জেল, ক্রিম, কালার ইত্যাদি। এসব ব্যবহারে সতর্ক
থাকতে হবে। সব সময় ভালো ব্র্যান্ড ব্যবহার করা উচিত।
*.ভিটামিন-ই ক্যাপসুলও চুলে ব্যবহার করতে পারেন। তবে সরাসরি ভিটামিন-ই ক্যাপসুল চুলে বা স্কালপে ব্যবহার
না করাই ভালো। তেল বা জেলের সঙ্গে মিশিয়ে ব্যবহার করলে ভালো ফল পাওয়া যাবে।
অল্প বয়সে চুল পাকলে আরও কিছু পরামর্শ :
বংশগত হলে , অর্থাৎ আপনার বাবা-চাচা-কাকা-দাদার মত করে আপনারও চুল দ্রুত সাদা হয়ে পরলে ব্যাপারটা একটু
কঠিন। আর তা না হলে, এগুলো মেনে চলুনঃ
*.অতিরিক্ত পরিশ্রম, দুশ্চিন্তা করবেন না
*.অতিরিক্ত চা-কফি-ড্রিংক্স খাবেন না।*.বেশি তেলযুক্ত খাবার খাবেন না। বেশী মশলাযুক্ত খাবার খাবেন না।
*.বেশী টক বা এসিডিক খাবার খাবেন না।
এগুলো খাবেনঃ
আটার রুটি, সিরিয়াল, মাংস সব ধরনের, সয়া, গাঢ় সবুজ সবজি, হলুদ ফলমূল, সবুজ শাক, কলা, টমেটো, ফুলকপি, গরু-
খাশির কলিজা-ফেশকা, দই, পাউরুটি, কাজু-পেস্তা আর কাঠ বাদাম, ডিম, চিংড়ি মাছ, গাজর।
এই প্যাকগুলো দিতে পারেনঃ
*.শুকনো আমলকি নারিকেল তেলে ডুবিয়ে সিদ্ধ করে তেলটা কালো করে সেটা ভালো করে ঘষে ঘষে মাথায় দেবেন।
*.নারিকেল তেল আর লেবুর রস মিশিয়ে মাথায় দিতে পারেন।
*.এক চা চামচ লবন এক কাপ ১৫ মিনিট জ্বাল দেয়া কালো চা-এর সাথে মিশিয়ে সেটা মাথায় ম্যাসাজ করতে হবে।
*.দুই চামচ মেহেদি, এক চামচ দই, এক চামচ মেথি গুড়া, তিন চামচ কফি, ২ চামচ পুদিনার রস, ৩ চামচ মিন্ট রস
একসাথে মেখে মাথায় মেখে ৩ ঘন্টা পর শ্যাম্পু দিয়ে মাথা ধুয়ে ফেলবেন।

যৌনশক্তি বাড়ানোর ঔষধনিয়ে কিছু কথা

যারা সহবাসেরপূর্বে বা শখের বসের
যৌন শক্তি বাড়ানো ঔষধ
ইয়াবা অথবা ট্যাবলেট সেবন
করেন.তাদের জন্য একটি পরামর্শ
সেক্স বাড়ানো জন্য যৌন
শক্তি বর্ধক ট্যাবলেট খাবেন না ।

এই ঔষধ পুরুষ কে ধ্বজভংগ রোগের
দিকে ঠেলে দেয় কিছু
ক্ষেত্রে মানুষকে মৃত্যুর
ঠেলে দেয় ।

যৌন শক্তি বাড়ানো জন্য কোন ঔষধ
সেবনের প্রয়োজন
নেই.গবেষনায়দেখা যায় পুরুষের
পুষ্টিকর খাদ্য খাওয়ার
মাধ্যমেযৌন শক্তি পেয়ে থাকে ।
এক্ষেত্রে গাভীর খাঁটি দুধ ও
ডিমের ভূমিকা অসাধারন।
যৌনশক্তি বাড়ানোর
ক্ষেত্রে ইউনানী ঔষধগুরুত্বপূর্ন
ভূমিকা রাখতে পারে । এজন্য অবশ্যই
অভিঞ্জ ও রেজিষ্টার্ড হাকীমের
পরামর্শ নিতে হবে । মনে রাখবেন
রাস্তা ফুটপাতে থেকে যৌন
শক্তিবর্ধক ট্যাবলেট
কেনাথেকে বিরত থাকুন ।

যৌন বাড়ানোর কোন মন্ত্র
আছে বলেবিঞ্জান বিশ্বাস করেন
না। যারা আপনাকে মন্ত্র
পড়ে সহবাসের পরামর্শ দেয়.নিছক
আপনার সাথে প্রতারনা করে মাত্র।

তাই যে কোন
চিকিত্সা বা হাকীমের পরামর্শের
জন্য রেজিষ্টার্ড চিকিত্সকের
পরামর্শ নিন !

পুরুষ কি বেশী শক্তিশালী


উত্তরঃ নারী-পুরুষের শারীরিক এবং প্রবৃত্তিগত প্রভেদের মূলে আছে নারী ও পুরুষের যৌন হরমোন। নারীদের যৌন হরমোনের নাম ইস্ট্রোজেন ও প্রাজেস্টেরন এবং পুরুষের যৌন হরমোনের নাম এন্ড্রোজেন। পুরুষ এবং নারী উভয়ের শরীরেই (রক্তে) ইস্ট্রোজেন এবং এন্ড্রোজেন বর্তমান। পুরুষদের ক্ষেত্রে এন্ড্রোজেনের পরিমাণ ইস্ট্রোজেনের তুলনায় অনেকগুণ বেশি এবং নারীদের বেলায় ইস্ট্রোজেনের পরিমাণ এন্ড্রোজেনের তুলনায় অকেন বেশি থাকে স্বাভাবিক অবস্থায়। কয়েক ধরনের অসুখে (অথবা ওষুধ ব্যবহারের ফলে) এই পরিমাণ (অনুপাত) কমে-বেড়ে যেতে পারে অর্থাৎ পুরুষদের শরীরে ইস্ট্রোজেনের পরিমাণ বেড়ে যেতে পারে অথবা নারীদের শরীরে এন্ড্রোজেনের আধিক্য হতে পারে। এই অবস্থায় পুরুষদের বেলায় নারীদেহের লক্ষণসমূহ এবং নারীদেহে পুরুষালী লক্ষণসমূহ দেখা দিতে পারে।
ইস্ট্রোজেন বা এন্ড্রোজেনের প্রধান ভূমিকা হলো যৌনজীবনকে প্রভাবিত এবং নিয়ন্ত্রণ করা। তাছাড়া এরা শরীরের কোষকলার (বিশেষ করে মাংসপেশী এবং হাড়) বৃদ্ধিকে প্রভাবিত করে। এই ক্ষমতাকে এনাবোলিক গুণ বলা হয়। এন্ড্রোজেনের (প্রধানত টেস্টোস্টেরন)-এর এনাবোলিক গুণ ইস্ট্রোজেনের তুলনায় অনেক বেশি। এই কারণে সাধারণত নারীদেহের তুলনায় পুরুষের দেহের কাঠামো (হাড়) বেশি বড়সড় এবং পেশীবহুল হয়ে থাকে। এ প্রসঙ্গে উল্লেখ করা প্রয়োজন যে, পেশীর গড়নের সঙ্গে শক্তির সম্পর্ক প্রত্যক্ষ। পেশীবহুল নারীর তুলনায় অল্প পেশীযুক্ত পুরুষ বেশি শক্তিশালী হবে, শুধু সে পুরুষ বলে-এ রকম ধারণা করা ঠিক হবে না। সারা বিশ্বের মহিলা ক্রীড়াবিদ বা জিমন্যাস্টদের দৃষ্টান্ততো আমাদের চোখের সামনেই রয়েছে।

যা জানা জরুরীঃ(সেক্স করার সময়)

অনেক ছেলেই আছেন যারা তার
সঙ্গিনী কে ভালভাবে উত্তেজিত
না করেই করা শুরু করে।আবার
অনেক মেয়েই অভিযোগ করে যে তার
হ্যাজবেন্ড বা বয়ফ্রেন্ড
তাকে তৃপ্তি দিতে পারেনা। মেয়েদের
মূল
অভিযোগটা হচ্ছে,ছেলেরা তাদের
ভালভাবে উত্তেজিত
না করেই করা শুরু করে বা সেক্সের সময়
বার বার জিজ্ঞেস করে যে মজা পাচ্ছ
কি??যা তাদের
কাছে খুবি বিরিক্তিকর।
এতে নাকি তাদের মনযোগ নস্ট হয়।
আরে ভাই সেক্সের সময় যত কথা কম
বলা যায় তত সেটা উপভোগ্য
হয়ে ওঠে।এই সময় মেয়েদের কোন প্রশ্ন
করা যাবেনা তার
বডি ল্যাংগুয়েজ দেখে আপনাকে সব
বুঝে নিতে হবে।আসেন
সে বিষয়ে কিছু শিখে নেইঃ নারীর
উত্তেজনার লক্ষণঃ 

১. নারী উত্তেজিত
হয়ে পড়লে এবং কামবিহ্বল হলে তার
দু’টি চোখ অর্দ্ধনিমীলিত ও রক্তবর্ণ
ধারণকরে।
২. জোরে জোরে নিশ্বাস পড়তে থাকে।
৩. চেহারার মধ্যে উত্তেজনার ভাব
স্পষ্ট ফুটে ওঠে।
৪. হাত পা শিথিল হয়ে পড়ে।
৫. চোখ বুজে থাকতে চায়।

৬. তার
লজ্জা কমে যায়, পুরুষ তার অঙ্গস্পর্শ
করলে সে তাতে বাধা দেয় না।
৭. পুরুষ তার গোপন স্থানে হাত
দিলে বা চাপ
দিলে সে তা উপভোগ করে।
৮. সব রকম ভয়, সঙ্কোচ
কাটিয়ে সারাটা দেহই
সে পুরুষকে অর্পণ করে। 

৯. পুরুষের সব
কথাই সে মেনে নেয়। নারীর তৃপ্তির
লক্ষণঃ


১. দেহ নুইয়ে পড়ে।
২. সারাটা দেহে যেন অবসান আসে।
৩. দ্রুত হৃৎস্পন্দন হ’তে থাকে।
৪. আবেশে চোখ বুজে থাকে।
৫. যোনি থেকে রসস্রাব নির্গত হয়।
৫. নারীর সারা দেহে পুনঃপুনঃ শিহরণ
হতে থাকে।

৬. অনেকে পূর্ণ তৃপ্তির
আবেশে অজ্ঞান পর্যাপ্ত
হ’তে পারে এমন ঘটনাও জানা যায়।
৭. সে পুরুষকে জোর করে বুকে চেপেও
ধরে রাখতে পারে।
৮. ঠোট কামড়াতে দেখা যায়।
৯. মুখ দিয়ে মৃদু শিতকার
করতে দেখা যায়।
আশা করি আপনারা এখন থেকে আগের
চেয়ে আরও
ভালভাবে আপনাদের
সঙ্গীনী কে তৃপ্তি দিতে পারবেন।

•|• পুরুষত্বে সমস্যা •|•

ডাক্তারের কাছে যেতে কুন্ঠিত বোধ
করছেন? তবে চিন্তা করবেন না কারণ
এর চিকিত্সা আপনি এখন আপনার
বাড়িতেও করতে পারেন৷ আর
আপনি একবার এইসমস্যার সন্মুখীন
হলে পরবর্তী সম্পূর্ণ জীবন
আপনাকে এভাবে কাটাতে হবে এমন কোন
আশঙ্কাতে আপনি থাকবেন না৷
হোম রেমেডি পুরুষের এই
সমস্যা সমাধানের জন্য
এগিয়ে এসেছে৷ তারা যাতে আবার
তাদের পূর্ণ যৌন ইচ্ছা ফিরেপায় তার
উপায় বার করেছে হোম রেমেডি৷
যাদের মধ্যে এই অসুবিধা সবে মাত্র
দেখা দিয়েছে তাদের ক্ষত্রে হোম
রেমেডি কার্যকরী হতে পারে৷ কিছু
কিছু ক্ষেত্রে হোম
রেমেডি দ্বারা চিকিত্সাকরা যায়
কিন্তু সবক্ষেত্রে হোম
রেমেডি প্রযোজ্য নয়৷
এবার আসুন জানা যাক যৌন অক্ষমতার
প্রথম ধাপের চিকিত্সাতে দৈনন্দিন
জীবনে ব্যবহার্য
কিকি সামগ্র্রী কাজেলাগতে পারে বা তা ব্যবহারে কি উপকার
সাধিত হয়–
রসুন :
যৌন অক্ষমতার ক্ষেত্রে রসুন খুব
ভালো ফল দিয়ে থাকে৷ কারণ
এটি অ্যান্টিসেপ্টিক এবং immune
booster হিসাবে কাজ করে আর
এটি অতিঅ সহজলভ্য
সব্জী যা আমারা প্রায়
প্রতিনিয়্তখাদ্য হিসাবে গ্রহন
করে থকি৷ আপনার যৌন
ইচ্ছা ফিরে আনার ক্ষেত্রে এর ব্যবহার
খুবই কার্যকরী৷ কোন রোগের
কারণে বা দুর্ঘটনায় আপনার যৌন
ইচ্ছা কমে গেলে এটি আপনাকে তা পুনরায়
ফিরে পেতে সাহায্য
করে৷এছাড়া যদি কোন ব্যক্তির যৌন
ইচ্ছা খুব বেশী হয়
বা তা মাত্রাতিরিক্ত হয় যার অত্যধিক
প্রয়োগ তারনার্ভাস সিস্টেমের
ক্ষতি করতে পারে এমন ক্ষেত্রে ও রসুন
খুব ই কার্যকরী৷
প্রতিদিন দু থেকে তিনটি রসুনের
কোয়া কাঁচা অবস্থায় চিবিয়ে খান৷
এতে আপনার যৌন
ইচ্ছা কমে গিয়ে থাকলে তা বৃদ্ধি পাবে৷
এ ছাড়া গমের তৈরি রুটির সঙ্গে রসুন
মিশিয়ে খেলে তাআপনার
শরীরে স্পার্ম উত্পাদনের
মাত্রা বাড়ায় এবং সুস্থ স্পার্ম
তৈরিতে এটি সাহায্য করে৷
পেঁয়াজ :
কাম-উত্তেজক ও
কামনা বৃদ্ধিকারী হিসাবে পেঁয়াজ
বহুদিন থেকে ই ব্যবহূত হয়ে আসছে৷
কিন্তু এটি কিভাবে এই
বিষয়েকার্যকরী তা এখন ও পর্যন্ত
সঠিক ভাবে জানা যায় নি৷
সাদা পেঁয়াজ
পিষে নিয়ে তাকে মাখনের
মধ্যে ভালো করে ভেঁজে নিয়ে তা প্রতিদিন
মধুর সঙ্গে খেলে তা থেকে উপকার
পাওয়া যায়৷ কিন্তু একটি বিষয়
মনে রাখবেন, এটি খাওয়ার
আগে ঘণ্টা দুয়েক সময় আপনার পেট
খালি রাখবেন৷ এইভাবে প্রতিদিন
খেলে স্খলন, শীঘ্রপতন বা ঘুমের
মধ্যে ধাতুপতন (যাকে এক কথায়
spermatorrhea বলা হয়)
ইত্যাদি সমস্যার সমাধান
হওয়া সম্ভব৷
এছাড়া পেঁয়াজের রসের
সঙ্গে কালো খোসা সমেত বিউলির
ডালের গুঁড়ো সাত দিন পর্যন্ত
ভিজিয়ে রেখে তাকে শুকিয়ে নিন৷
এঅটির নিয়্মিত ব্যবহার আপনার কাম-
উত্তেজনা বজায়রাখবে এবং শারীরিকমিলনকালী
ন সুদৃঢ়তা বজায় রাখবে৷
গাজর :
150গ্রাম গাজর কুঁচি এক টেবিল চামচ
মধু এবং হাফ-বয়েল ডিমের
সঙ্গে মিশিয়ে দুমাস খেলে আপনার
শারীরিক এই অক্ষমতা কম হতে পারে৷
কাজেই এখন আর দুধ্চিন্তা করবেন না৷
সমস্যার একেবারে প্রথম
ধাপে আপনি বাড়িতে এই
পদ্ধতি গুলি মেনে চলে দেখুনহয়তঃ প্রাথমিক
ধাপে এই সমস্যার সমাধান হতে পারে

ছেলেদের জন্য কিছু টিপস :

সুস্থ ও সুন্দর ত্বকের মধ্যেই লুকিয়ে রয়েছে সৌন্দর্যের মূল কথা। ক্লিনজিং, টোনিং, ময়শ্চারাইজিংয়ের প্রয়োজন তো রয়েছেই, কিন্তু তার সঙ্গেও জরুরি শারীরিক সুস্থতা। কারণ সৌন্দর্য শুধু রূপচর্চার ওপর নির্ভর করে না। এর সঙ্গে রয়েছে
সিজনাল চেঞ্জ, পলিউশন, মেন্টাল স্ট্রেস, দীর্ঘক্ষণ এয়ারকন্ডিশন্ড রুমে থাকার মতো সমস্যা। তাই ইন্টারনাল ও এক্সটারনাল কেয়ারের মধ্যে যথাযথ ব্যালেন্স রাখার চেষ্টা করুন। কিভাবে, কোন পদ্ধতিতে আপনার ত্বক সুস্থ ও সুন্দর হয়ে উঠবে তা জেনে নিন।?

ব্যালেন্সড ডায়েট: ত্বকের সুস্থতার জন্য ন্যাচারাল ফুড জরুরি। ন্যাচারাল ফুড মানে সবজি, ফল, অঙ্কুরিত ছোলা, দই, সিরিয়াল ত্বকের পক্ষে উপকারী। প্রতিদিন ৬ থেকে ৮ গ্লাস পানি পান জরুরি। এছাড়া ফল বা সবজির রসও শরীরের প্রয়োজনীয় পুষ্টি সরবরাহ করার জন্য উপকারী। শরীরের প্রয়োজন অনুযায়ী খাবারে ভিটামিন, মিনারেল, এনজাইম যথাযথ পরিমাণে থাকলে ব্যয়বহুল ফেশিয়াল ট্রিটমেন্টের তেমন প্রয়োজন পড়ে না।

এক্সারসাইজ: এক্সারসাইজ রক্ত চলাচল ও শ্বাস-প্রশ্বাসের কার্যকলাপে সাহায্য করে। এর ফলে স্কিন ও স্ক্যাল্পে ব্লাড সার্কুলেশন ভালো হয়। মেন্টাল ট্রেস থেকে ত্বক ও চুলে নানারকম সমস্যা দেখা যায়। সে ক্ষেত্রে নিয়মিত এক্সারসাইজ এ সমস্যার সমাধানে কাজ করে।

ঘুম ও রিল্যাক্সেশন: ডায়েট ও এক্সারসাইজের সঙ্গে জরুরি ঘুম ও রিল্যাক্সেশনের। ঘুমের সময় বডি সিস্টেম স্লো ডাউন হয়ে যায়। সেল রিনিউয়াল প্রসেস শুরু হয়।

নিজের ত্বকের ধরন বুঝে নিন: কসমেটিক ব্যবহারের আগে নিজের স্কিন টাইপ বুঝে নেওয়া সবচেয়ে প্রয়োজন। সকালে ঘুম থেকে ওঠে মুখ ধোয়ার আগে টিস্যু দিয়ে মুখ মুছুন। টিস্যু পরিষ্কার হলে বুঝবেন আপনার নর্মাল ও ড্রাই স্কিন। সমান্য তেলাভাব থাকলে নর্মাল ও অয়েলি স্কিন। কপাল, নাক, থুতনি মুখের বিভিন্ন অংশের জন্য আলাদা আলাদা টিস্যু ব্যবহার করুন। কম্বিনেশন স্কিন কি না বুঝতে সুবিধা হবে। অয়েল গ্লান্ডের ওপর আপনার ত্বক কি ধরনের তা অনেকটা নির্ভর করে। ত্বকে সেবাম অয়েলের এ ব্যালেন্স নানা কারণে ব্যাহত হতে পারে, যেমন বেশিক্ষণ রোদে থাকা, শুকনো আবহাওয়া, সাবান, ক্লোরিন যুক্ত পানির ব্যবহার, এয়ারকন্ডিশন্ড রুমে বেশিক্ষণ থাকা, হরমোনাল ইমব্যালেন্স। এর ফলে ত্বক অতিরিক্ত শুষ্ক হয়ে যায়, অ্যাকনে বা র‌্যাশের মতো সমস্যা দেখা যায়। তাই ক্লিনজার, টোনার, ময়শ্চারাইজার কেনার সময় নিজের স্কিন টাইপের সঙ্গে সঙ্গে এ সমস্যাগুলোর কথাও মনে রাখা দরকার। যেমন বেশিক্ষণ রোদে ঘুরে কাজ করতে হলে আপনার প্রয়োজন সানস্ক্রিন, পলিউশনের জন্য দরকার ভালো ক্লেনজার।

ধুলো-ময়লা, পলিউশন থেকে নিজেকে রক্ষা করুন: এয়ার পলিউশনের কারণে ত্বকের ওপর টঙ্কিন জাতীয় পদার্থ জমতে শুরু করে, ফলে স্কিন সাপোর্টিভ টিস্যু ড্যামেজড হয়। প্রে-ম্যাচিউর এজিংয়ের সমস্যা শুরু হয়। এর থেকে ত্বককে সুরক্ষার জন্য জরুরি নিয়মিত ক্লিনজিং। ক্লিনজিং ক্রিম বা ক্লিনজিং মিল্ক এ ক্ষেত্রে ভালো কাজ করে। সানস্ক্রিনও ব্যবহার করতে পারেন। রোদ থেকে সুরক্ষারপাশাপাশি ধুলো-ময়লা থেকে ত্বককেও রক্ষা করবে। সপ্তাহে না পারলেও মাসে অন্তত এক বার ফেসিয়াল করুন।

উত্তেজক ওষুধ নিষেধ


আজকাল তরুণ থেকে বয়স্ক লোক পর্যন্ত কারণে-অকারণে উত্তেজক ওষুধ সেবন করেন। এমনকি উত্তেজক ওষুধ সেবনকারীদের একটি বড় অংশ অবিবাহিত তরুণ, ছাত্র, যুবক। ওষুধের দোকানে চাইলেই এসব মারাত্মক ক্ষতিকর ওষুধ পাওয়া যায়। কোন প্রকার ব্যবস্থাপত্র লাগে না। ফলে হাজার হাজার পুরুষ অযথা এসব ওষুধের ক্ষতিকর পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার শিকার হচ্ছেন। কেবলমাত্র যাদের শারীরিক সমস্যা আছে তারাই কোন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী এ ধরনের ওষুধ সেবন করতে পারেন। উত্তেজক ওষুধের সহজপ্রাপ্যতার কারণে বেশীরভাগ ক্ষেত্রে ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া এসব ওষুধের মারাত্মক অপব্যবহার হচ্ছে। ফলে তরুণদের স্বাভাবিক শারীরিক ক্ষমতা নষ্ট হচ্ছে। এসব কারণে একেবারে নবাগতদের দাম্পত্য জীবনও হয়ে উঠেছে দুর্বিসহ। তরুণদের মধ্যে জন্ম নিচ্ছে বিবাহ-ভীতি। তাই কোন অবস্থাতেই তরুণদের কোন ধরণের উত্তেজক ওষুধ সেবন বাঞ্ছনীয় হতে পারে না। তবে যাদের বয়স ৫০ এর বেশী, শারীরিক সমস্যা রয়েছে এমন পুরুষ সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞের পরামর্শে ওষুধটি নির্দেশিকা অনুযায়ী সেবন করতে পারেন। আর যাদের ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ, কিডনির সমস্যা, বুকে ব্যথা সহ অন্যান্য হার্টের সমস্যা রয়েছে তারা সংশ্লিষ্ট চিকিৎসকের পরামর্শ ব্যতীত উত্তেজক ওষুধ খাবেন না। এছাড়া বাজারে হারবাল টনিক ও হার্বাল শক্তি বর্ধকের নামে যেসব ওষুধ অবাধে নিয়ন্ত্রনহীন ভাবে বিক্রয় হচ্ছে তাও অত্য- ক্ষতিকর। এসব ওষুধের চেয়ে মনের জোর বাড়ানো ও নিয়মিত ব্যায়াম করা ফলদায়ক।

**************************
ডাঃ মোড়ল নজরুল ইসলাম
চর্ম, এলার্জি ও যৌন সমস্যা বিশেষজ্ঞ এবং লেজার এন্ড কসমেটিক সার্জন।
সহকারী অধ্যাপক, গণস্বাস্থ্য নগর হাসপাতাল, ধানমন্ডি, ঢাকা।

মানসিক চাপ থেকে শারীরিক সমস্যা

মানসিক চাপ থেকে নানা ধরনের সমস্যা হতে পারে। তম্মধ্যে মানসিক ও শারীরিক সমস্যা অন্যতম। বেশীরভাগ ক্ষেত্রে পুরুষ বা মহিলা অথবা কোন দম্পতিই এ বিষয়টিকে তেমন কোন গুরুত্ব দেননা। এটা পুরুষ এবং মহিলা উভয়ের ক্ষেত্রে সমভাবে প্রযোজ্য। এরিজোনা স্টেট ইউনিভার্সিটির এক গবেষণায় বলা হয় বিশেষজ্ঞগণ ৫৮ জন সক্ষম মহিলার ওপর জরীপ চালান যাদের মানসিক চাপ ছিল তীব্র। গবেষণায় উল্লেখ করা হয় এসব মহিলাদের মানসিক চাপের কারণে শারীরিক ফিটনেস কম প্রতীয়মান হয়। একই তথ্য পাওয়া যায় পুরুষদের ক্ষেত্রেও। গবেষকগণ দেখেছেন যেসব পুরুষ ও মহিলার মানসিক চাপ ছিলোনা, মেজাজ ছিলো প্রফুল্ল তাদের শারীরিক ফিটনেস ও দাম্পত্য সম্পর্ক ছিলো অধিকতর কাঙ্খিত। তাই গবেষকগণ মনে করেন পুরুষ ও মহিলাদের শারীরিক ফিটনেস-এর জন্য অবশ্যই স্ট্রেচ ম্যানেজমেন্ট বা মানসিক চাপ কমানোর ক্ষেত্রে গুরুত্ব দেয়া উচিত। স্বামী বা স্ত্রী যে কোন একজনের মানসিক চাপ বা অধিক স্ট্রেচ থাকলে অন্যের ওপর এর প্রভাব পড়ে। তাই সুন্দর সম্পর্ক স্থাপনের ক্ষেত্রে অবশ্যই াঁমী-স্ত্রী উভয়ের মানসিক চাপ সমভাবে নিয়ন্ত্রিত করতে হবে। 

************************** 
ডাঃ মোড়ল নজরুল ইসলাম চর্ম, এলার্জি ও যৌনসমস্যা বিশেষজ্ঞ