Subscribe For Free Updates!

We'll not spam mate! We promise.

Showing posts with label নারীর স্বাস্থ্য. Show all posts
Showing posts with label নারীর স্বাস্থ্য. Show all posts

Bangla sex problem: মেয়েরা ত্বক পরিচর্যা করবেন কিভাবে

ত্বক পরিচর্যা যেভাবে করবেনঃ
সকলের চেহারার গঠন ও ত্বকের ধরন একইরকম নয়। কালো মুখ, রুক্ষ চুলে ভয় বা সঙ্কোচন না পেয়ে মুখের যত্নে নিম্নলিখিত সাধারণ নিয়মগুলো মেনে চললেই হবে।
ফর্সা মুখ নাকি কালো মুখ সুন্দর:
ফর্সাকারী ক্রিম, লোশন বা উপটান ইত্যাদি ভেষজ নামের উপাদান মেখে ফর্সা হওয়ার প্রতিযোগিতায় নেমেছে অনেকেই। প্রকৃতপক্ষে ত্বকের মেলানিন নামক রঞ্জক পদার্থই ঠিক করে দেয় যে কে ফর্সা বা কে কালো হবে। কালো চামড়ায় মেলানিন বেশি থাকে। এটি সূর্যের আলট্রাভায়োলেট রশ্মি থেকে ত্বক তথা মুখকে রক্ষা করে থাকে। ফলে মুখের ত্বকের স্বাস্থ্য থাকে স্বাভাবিক ও রোগহীন। ফর্সা চামড়ায় স্কিন ক্যান্সার হওয়ার আশঙ্কা বেশি থাকে। পক্ষান্তরে কালো চামড়ার মেলানিন মুখের ত্বককে আলট্রাভায়োলেট রশ্মির ক্ষতিকর প্রভাব থেকে সুরক্ষা দিয়ে থাকে। ফলে বয়সের কারণে ত্বকে ভাঁজ পড়া কালো চামড়ায় কম হয়।
শুষ্ক ও তৈলাক্ত মুখের যত্ন নেবেন কি ভাবে?:
শুষ্ক ত্বকের মুখ ভালো রাখতে চাইলে ময়েশ্চরাইজার ব্যবহার করতে হবে। এ ময়েশ্চারাইজারের ব্র্যান্ড একেক জনের ত্বকে একেকটি স্যুট করে। তৈলাক্ত মুখ যাদের, তাদের প্রতিদিন একবার কম ক্ষারযুক্ত সাবান দিয়ে মুখ ধোয়া উচিত। লক্ষ রাখবেন যে, দিনে একাধিকবার সাবান ব্যবহারের প্রয়োজন নেই।
মুখে ব্রণ হলে কী করবেন:
অবশ্যই নখ দিয়ে খুঁটাবেন না। খুটালে ব্রণের জায়গায় দীর্ঘমেয়াদি গর্ত বা দাগ হয়ে যাবে। তৈলাক্ত মুখে ব্রণ বেশি হ্যে থাকে। তাই এ ধরনের মুখের যত্ন বেশি নিতে হয় এবং এদের কোনো ধরনের ফেসিয়াল ম্যাসাজ করা যাবে না।
রোদ থেকে সাবধান:
রোদে ছাতা ব্যবহার করাটাই ভালো। মহিলারা মুখ ঢেকে রাখতে পারেন। সানস্ক্রিন নিয়মিত ব্যবহার করলে মুখে অ্যালার্জি, এমনকি ত্বকের ক্যান্সারও হতে পারে। ত্বক ভালো রাখতে চাইলে ধুলোবালি থেকেও দূরে থাকতে হবে।
মুখের সৌন্দর্যে চুলের প্রতিও যত্নবান হন:
চুলপড়া ও সাদা হওয়া যথাসম্ভব প্রতিরোধ করতে হবে। খুশকিরজন্য অ্যান্ডিড্যানড্রাফ এবং অ্যামাইলো প্রোটিনযুক্ত শ্যাম্পু ব্যবহার করতে হবে। বংশগত কারণে চুল পড়লে ওষুধ দিয়ে কিছু সময় পর্যন্ত- চুলপড়া বন্ধ রাখা যায়। চুল পড়ার অন্যান্য কারণের মধ্যে স্ট্রেস, অনিয়মিত খাওয়া-দাওয়া, স্ট্রেস ডায়েট করা অন্যতম। তাই খাদ্যাভ্যাস নিয়মিত ও পরিমিত হওয়া চাই। চুল পাকা রোধের জন্য শাক-সবজি, ফলমূল প্রভূতি ভিটামিন জাতীয় খাবার খেতে হবে এবং ক্ষতিকারক দ্রব্য মেশানো খাদ্য খাওয়া পরিত্যাগ করতে হবে।
খাদ্যাভ্যাসের দিকে লক্ষ রাখুন:
আমাদের দেশে রান্নার সয়াবিন বা সরিষার তেল বেশি পোড়ানোর ফলে পলি-আনস্যাচুরেটেড অ্যাসিড পরিবর্তিত হয়ে স্যাচুরেটেড হয়ে যায়। ফলে তেল খাওয়ার পুষ্টিগুণ থাকে না এবং এটি ভালো কোলেস্টেরল তৈরি করে হার্টকে সুস্থ রাখতেও ভূমিকা রাখে না। তাই তেল কম ভেজে খেলে মুখের ত্বকের জন্য ভালো।
ভিটামিন ট্যাবলেট খাওয়া কি উপকারী?:
আমরা প্রতিদিন যদি সুষম খাদ্যের দিকে লক্ষ রাখতে পারি, অর্থাৎ ডিম, দুধ, শাক-সবজি, মৌসুমি ফলমূল ইত্যাদি খাই, তবে দেহে ভিটামিনের অভাব পূরণ হয়ে যায়। তবে ত্বকের এজিং প্রসেস বিলম্বিত করতে মাঝে মাঝে চিকিৎসকের পরামর্শে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট খাওয়া যেতে পারে। ভিটামিন খেলে কেউ মোটা হয় না।
মুখে কালো বা ছোপ ছোপ দাগ হলে কি করবেন?:
সাধারণত পারফিউম এবং ইমিটেশন থেকে সে জাগায়র ত্বকে এ সমস্যা হতে পারে, সেক্ষেত্রে এগুলো ব্যবহার না করাই ভালো।
Related posts:অল্প বয়সে চুল পাকলে করণীয় 
                       পুরুষ কি বেশী শক্তিশালী

বাচ্চা নেয়ার চিন্তা-ভাবনা করছেন, এমন অবস্থাতে আপনার কিছু প্রিপারেশন এর প্রয়োজন আছে। সেইসব প্রিপারেশন নিয়েই এই পোস্ট।

☞আপনার বয়স অবশ্যই ১৮ এর বেশী হওয়া উচিত।

☞আগে একটি বাচ্চা থাকলে, নতুন বাচ্চা নেওয়ার জন্য অন্তত দুই বছর বিরতি নিন।

☞চিকিৎসক দেখিয়ে প্রয়োজনীয় চেক আপ করে নিন। আপনার কোন দীর্ঘমেয়াদি অসুস্থতা থাকলে তাকে জানাতে ভুলবেন না। কোন রোগের জন্য কি কি চিকিৎসা গ্রহণ করেছেন, কি কি ওষুধ গ্রহণ করেছেন- সব ডাক্তার কে জানান। এতে আপনি গর্ভকালীন সময়ে অনেক বেশী নিরাপদ থাকবেন।

☞যে কোন বংশগত রোগের কথা ডাক্তার কে জানান। বিশেষ করে আপনার নিকটত্মীয় দের মধ্যে কেউ প্রতিবন্ধী থাকলে অবশ্যই তা জানাবেন। অনেক ক্ষেত্রেই প্রতিবন্ধী বাচ্চা হয় জেনেটিক ত্রুটির কারনে। আপনি কোন ত্রুটিপূর্ণ জীন বহন করছেন কিনা তা গর্ভধারণের পূর্বে অবশ্যই জানুন। বাচ্চার পিতার নিকটত্মীয় দের মধ্যে কেউ প্রতিবন্ধী থাকলে, পিতারও জেনেটিক টেস্টিং এর প্রয়োজন হতে পারে।

☞আপনার পূর্বের কয়টি বাচ্চা আছে, কখনো গর্ভপাত হয়েছে কিনা, পূর্বে কোন মৃত বাচ্চা, জমজ বাচ্চা হয়েছিলো কিনা, বাচ্চাদের ওজন কত ছিলো, তাদের জন্মগ্রহণের পদ্ধতি কি ছিলো- সব ডাক্তার কে জানান।

☞সুষম খাদ্য (সবুজ শাক-সব্জী, চর্বিহীন আমিষ এবং আঁশ জাতীয় খাবার) গ্রহণের অভ্যাস গড়ে তুলুন।

☞ফলিক এসিড গ্রহণ শুরু করুন এটি শিশুর প্রথম দিককার কিছু জন্মগত ত্রুটি (যেমন ভ্রুনের Spina Bifida বা নিউরাল টিউবের ত্রুটি) হওয়াকে প্রতিরোধ করে। গর্ভধারণের তিনমাস আগে থেকে ফলেট ট্যাবলেট গ্রহণ শুরু করতে পারেন। বাজারে যেসব প্রন্যাটাল মাল্টিভিটামিন এ ফলেট আছে, সেগুলো ও গ্রহণ করতে পারেন। তাছাড়া স্পিনাচ, ব্রকলি, ডিম, কমলা, জাম্বুরা তেও ফলিক এসিড থাকে।

☞ভিটামিন এ অতিরিক্ত গ্রহণে শিশুর কিছু সমস্যা হতে পারে। সাধারন খাদ্যভাসে অতিরিক্ত ভিটামিন এ গ্রহণের সম্ভাবনা নেই। মাল্টি ভিটামিনে ভিটামিন এ থাকলেও তা কম পরিমাণেই থাকে। পূর্ণবয়স্ক মানুষের সাপ্তাহিক ভিটামিন এ গ্রহণের নিরাপদ মাত্রা প্রায় ২৫০০ IU. এতটুকু মেপে মাল্টি ভিট খেলে আর সাধারণ খাদ্যাভাস থাকলে আর ভয় নেই।

☞আপনি ধূমপায়ী হলে এই মুহূর্তে বর্জন করুন। ধূমপায়ী মায়ের ectopic pregnancy এর সম্ভাবনা বেশী। এই অবস্থায় শিশু, জরায়ুর বাইরে ফেলোপিয়ান টিউব এ অবস্থান করে। ফলে গর্ভপাতের পাশাপাশি মায়ের ও অভ্যন্তরীন রক্তপাতের মাধ্যমে মৃত্যু ঝুকি বেড়ে যায়।

☞গর্ভধারণের আগে ডেন্টিস্ট দেখিয়ে নিন। কারণ গর্ভবস্থায় আপনার দাত বা মাড়ীর সমস্যা হতে পারে যখন আপনার পক্ষে সাধারণ চিকিৎসা নেওয়া ঠিক হবে না। তাই আগেই চিকিৎসা নিয়ে রাখুন।

☞ক্যাফেইন গ্রহণে গর্ভধারণে সমস্যা হয় কিনা তা এখনো বিতর্কিত। অনেকে বলে যে ক্যাফেইন মাসিক ঋতুস্রাব অনিয়মিত করে দেয় ফলে গর্ভধারণে বিলম্ব হয়। উচ্চ ক্যাফেইন যুক্ত খাবারের মধ্যে আছে কোক, কফি, এনার্জি ড্রিঙ্কস আর মিল্ক চকোলেট।

☞রক্তের গ্রুপ জেনে রাখুন যেনো জরুরী প্রয়োজনে কাজে লাগে। তাছাড়া আপনার রক্তের গ্রুপ নেগেটিভ ও বাচ্চার পিতার রক্তের গ্রুপ পজিটিভ হলে কিছু বারতি সতর্কতার প্রয়োজন হয়। আপনার রক্তশূণ্যতা আছে কিনা, তাও পরীখা করে জেনে নিন।

☞আপনার শরীরে হেপাটাইটিস বি, সি, অন্য যৌনবাহিত রোগে বা এইচ আই ভি এর জীবানু আছে কিনা রক্ত পরীক্ষা করে নিশ্চিত হোন। একটি শিশুকে অসুস্থ অবস্থায় পৃথিবীতে আনার চাইতে ভালো যে আগে নিজের চিকিৎসা গ্রহণ পূর্বক সুস্থ শিশুর জন্ম নিশ্চিত করা।

☞আপনার ডায়বেটিস বা প্রেশার আছে কিনা অবশ্যই তা পরীক্ষা করে জেনে নেই। এই ধরণের মায়ের গর্ভবস্থায় প্রয়োজন বারত সতর্কতা।

☞আপনার অতিরিক্ত ওজন থাকলে প্রথমে তা নিয়ন্ত্রন করে এরপর সন্তান গ্রহণের কথা চিন্তা করুন। অতিরিক্ত ওজন ধারীদের অনেক সময় ই অনিয়মিত ঋতুস্রাব হয় ফলে চেষ্টা করেও সন্তান ধারণে বিলম্ব হয়। ওজন কম থাকলেও স্বাভাবিক করার চেষ্টা করুন।

☞গর্ভধারণের কয়েক মাস আগে থেকে আপনার ঋতুচক্র খেয়াল রাখুন। যাদের ঋতুস্রাব নিয়মিত, তারা ঋতুস্রাব শুরুর ১০ থেকে ২০ দিনের মধ্যে নিয়মিত মিলনে গর্ভধারণে সফল হবেন। এর মধ্যে ১২ থেকে ১৬ তম দিনে গর্ভধারণের সম্ভাবনা সবচেয়ে বেশী।

পুরুষের ও মহিলাদের ব্যায়াম নিয়ে কথা

প্রতিদিন ২০ থেকে ৩০ মিনিট ব্যায়াম করা উচিত। তবে ব্যায়াম শুধু পুরুষের জন্য নয়, মহিলাদেরও ব্যায়াম করা উচিত। শুধুমাত্র গর্ভবতী মহিলা ছাড়া অন্যসব বয়সের মহিলাদের ব্যায়াম করা ভালো। প্রতিদিন ব্যায়াম করাই উচিত। তবে যারা প্রতিদিন ব্যায়াম করতে চাননা তাদের অন্ততঃ সপ্তাহে ৫দিন ব্যায়াম করা উচিত। তাছাড়া অনেক ধরণের ব্যায়াম আছে যেসব ব্যায়াম ঘরে বসেই করা যায়। ব্যায়াম শরীরের মাংসপেশী সচল রাখে, রক্তচলাচল বৃদ্ধি করে, রক্তনালীতে চর্বি জমাতে দেয় না এবং হার্টকে অ্যাকটিভ রাখে, উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ করে এবং রক্তের কোলেষ্টরেল কমায়। তাই শুধু পুরুষ নয়, মহিলাদেরও নিয়মিত ব্যায়াম ও হাঁটাচলা করা উচিত।

কম ঘুম মহিলাদের ব্লাড প্রেশার বাড়ায়


সারদিনের খাটুনির পর রাতের ঘুম দেয় প্রশান্তি। দূর করে সব ক্লান্তি। দেয় পরদিন নতুন উদ্যেমে কাজ করার শক্তি। কিন্তু ঘুমটি হওয়া চাই নির্বিঘ্ন ও অবশ্যই পর্যাপ্ত। ঘুম যদি পর্যাপ্ত না হয় তাহলে তা শরীরের ওপর অত্যন্ত নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। দীর্ঘদিন ধরে চলতে থাকা অপর্যাপ্ত ঘুম নিরবে শরীরের নানা ক্ষতি করে। সম্প্রতি একটি গবেষণায় বিজ্ঞানীরা দেখেছেন অপর্যাপ্ত ঘুম কীভাবে মহিলাদের ব্লাড প্রেশার বা রক্তচাপ বাড়িয়ে দেয়। গবেষণায় দেখা যায় যেসব মহিলা দিনে সাত ঘন্টারও কম ঘুমায় তাদের উচ্চ রক্তচাপ হওয়ার সম্ভাবনা বেশি থাকে।
যুক্তরাজ্যের গবেষকরা ১০ হাজারেরও বেশি পুরুষ ও মহিলার ওপর পাঁচ বছর ধরে গবেষণা চালিয়ে দেখেন, যেসব মহিলা দিনে ছয় ঘন্টা বা তারও কম ঘুমিয়েছে তারা অন্যদের তুলনায় বেশি উচ্চ রক্তচাপে আক্রান্ত হয়েছে। যেসব মহিলা রাতে সাত ঘন্টা করে ঘুমিয়েছে তাদের তুলনায় যারা ছয় ঘন্টা করে ঘুমিয়েছে তাদের উচ্চ রক্তচাপে ভোগার সম্ভাবনা ৪২ শতাংশ বেশি বলে গবেষকরা দেখতে পেয়েছেন।
তবে গবেষকরা পুরুষদের ক্ষেত্রে কম ঘুমের সাথে উচ্চ রক্তচাপের সর্ম্পক খুঁজে পাননি। যুক্তরাজ্যের কেভেন্টি’র ওয়ারউইক মেডিক্যাল স্কুল-এর ডক্টর ফ্রান্সিসকো পি• ক্যাপসিও-এর নেতৃত্ব গবেষকরা ১০ হাজার ৩০০ জনের ওপর দীর্ঘমেয়াদী এ গবেষণা চালান। তখন ঐ ব্যক্তিদের বয়স ছিল ৩৫ থেকে ৫৫ বছর। গবেষণা শেষে দেখা যায় ঐ ব্যাক্তিদের ২০ শতাংশ উচ্চ রক্তচাপে আক্রান্ত হয়েছে এবং তাদের বেশির ভাগই সেইসব মহিলা যারা কম ঘুমিয়েছে।
গবেষকরা ধারণা করছেন অপর্যাপ্ত ঘুম স্নায়ুতন্ত্রকে অতিমাত্রায় সক্রিয় রাখে যা হার্ট ও রক্তনালীসহ সারা শরীরেই নেতিবাচক প্রভাব ফেলে।

নারীর কি পুরুষের মতো বীর্যপাত হয়?

নারীর যোনিমুখের দু'পাশে বিশেষ
গ্রনথি আছে । কামোত্তেজনার সময় এই
গ্রনথি থেকে এক রকম তরল রস নির্গত
হয়,যা কিনা সারা যোনি- মুখকে ভিজিয়ে পিচ্ছিল করে দেয়, এর
ফলে পুরুষের লিঙ্গ তার
গভীরে প্রবিষ্টকরতে সুবিধে হয় ।

তরে বাইরে থেকে এই গ্রনথি দৃশ্যতনয়,
চামড়ার আড়ালে ঢাকা থাকে । কিন্তু
যোনিমুখে রস
নিঃসরণসরাসরি চোখে দেখা যায় । সব
সময় এই রস নিঃসৃত হয় না ।কেবল যখন প্রবল
কামোত্তেজনা সূষ্টি হয়-
তখনি বার্থোলিন গ্রনথি এই রস
সৃষ্টি করে । নারীর এই কামরসের
মতো পুরুষের কামোত্তেজনার প্রথম
অবস্হায় এক ধরনের তরল রস নিঃসরন হয় ।

অনেকের ভুল ধারনাআছে, সেই রসের
মধ্যে শুত্রূবীজানু থাকে । আসলে তাদের
সেই ধারনা ভুল । সেই রসেকোন
শুত্রূবীজানু থাকে না । আবার
নারীদেহের এই কামরসের
সঙ্গে ডিমবোকোষের কোন সস্পর্ক নেই ।

তবে একে যেঅন্যের সহায়কএ
কথা বলা নিস্পয়োজন ।
অনেকেইবলে থাকেন,
রতিক্রিয়া শেষে পুরুষের
মতো কি নারীর যোনি থেকেও
বীর্যপাত ঘটে ? এক কথায়এর জবাব হল
'না ।' মেয়েদের কোনো বীর্যপাত হয়
না । তাদের বীর্য হলো ডিমবোকোষ ।
তবে মানুষের মনে এ কথা জাগার কারন
হলো, যৌন-মিলনের
ইচ্ছা জাগলে কিংবা মিলনে প্রবৃত্ত
হলে,বিশেষকরে পুরুষের লিঙ্গ
সঞ্চারনের ফলে তাদের
যোনিপথেযে কামরস নিঃসৃত হয়,
অনেকেই ভুল করে সেই রসকে বীর্য
বা শুক্র বলে ধরে নেয় ।আর এ ধরনের রস-
নিঃসরন পুরুষের লিঙ্গ-নালী থেকেও
বেরিয়ে থাকে । নারী-দেহে এই রস
ক্ষরনরতি উত্তেজনা থাকা পর্যন্ত কম
বেশী বর্তমান থাকতেদেখা যায় ।

অল্প বয়সে চুল পাকলে করণীয়

ছেলেদের চুল পাকার সমস্যা বেড়েই চলছে। প্রথমেই জানতে হবে কেন অল্প বয়সে চুল পাকে।
এক্ষেত্রে প্রতিষেধকের চেয়ে প্রতিরোধই উত্তম
কেন চুল পাকে...
*.১. স্পাইসি ফুড বেশি খাওয়া
*.২. ঘুম কম হওয়া
*.৩. চুলের যত্ন না করা,
*.৪. কম দামি হেয়ার প্রোডাক্ট ব্যবহার করা
*.৫. জেনেটিক বা হরমোনের সমস্যা...
চুল পাকা রোধে যা করবেন :
শুরুতেই পরিচর্যা করলে ইনশাআল্লাহ অনেকাংশে চুল পাকা রোধ করা সম্ভব।
*.সপ্তাহে দুই-তিন দিন তেল গরম করে তা মাথার স্কালপে ভালো করে ম্যাসাজ করতে পারেন। তেল চুলের
পুষ্টি জোগায়।
*.আপনার চুলের ধরন অনুযায়ী শ্যাম্পু বাছাই করুন। শ্যাম্পু ব্যবহার করার পর কন্ডিশনার ব্যবহার করুন।
*.চুলে # খুশকি দেখা দিলে শুরুতেই সাবধান হোন। কারণ অতিরিক্ত খুশকির কারণেও অসময়ে চুল পাকে।
*.সে ক্ষেত্রে সপ্তাহে এক দিন লেবুর রস বা পেঁয়াজের রস স্কালপে দিয়ে ৩০ মিনিট পর
ধুয়ে ফেললে খুশকি কমে যাবে।
*.প্রথম যখন দেখবেন চুল পাকতে শুরু করেছে তখন হেনা (মেহেদী ) , ডিমের কুসুম ও টক দই একসঙ্গে মিশিয়ে প্যাক
তৈরি করে মাথায় লাগান। এরপর শ্যাম্পু করে ধুয়ে ফেলুন। হেনা ব্যবহারের ফলে চুল পাকা রোধ হবে এবং চুলের
সাদা ভাবটা কম বোঝা যাবে ।
*.যাঁরা খুব বেশি রোদে কাজ করেন অর্থাৎ চুলে সরাসরি রোদ লাগে তাঁদের চুল দ্রুত পাকার প্রবণতা দেখা যায়।
সে ক্ষেত্রে রোদে কাজ করলে মাথা ঢেকে রাখুন। অথবা রোদ থেকে ফিরে ক্রিম সমৃদ্ধ # শ্যাম্পু দিয়ে চুল শ্যাম্পু
করুন।
*.অনেকে চুলে নানা ধরনের প্রসাধনী ব্যবহার করেন। যেমন: জেল, ক্রিম, কালার ইত্যাদি। এসব ব্যবহারে সতর্ক
থাকতে হবে। সব সময় ভালো ব্র্যান্ড ব্যবহার করা উচিত।
*.ভিটামিন-ই ক্যাপসুলও চুলে ব্যবহার করতে পারেন। তবে সরাসরি ভিটামিন-ই ক্যাপসুল চুলে বা স্কালপে ব্যবহার
না করাই ভালো। তেল বা জেলের সঙ্গে মিশিয়ে ব্যবহার করলে ভালো ফল পাওয়া যাবে।
অল্প বয়সে চুল পাকলে আরও কিছু পরামর্শ :
বংশগত হলে , অর্থাৎ আপনার বাবা-চাচা-কাকা-দাদার মত করে আপনারও চুল দ্রুত সাদা হয়ে পরলে ব্যাপারটা একটু
কঠিন। আর তা না হলে, এগুলো মেনে চলুনঃ
*.অতিরিক্ত পরিশ্রম, দুশ্চিন্তা করবেন না
*.অতিরিক্ত চা-কফি-ড্রিংক্স খাবেন না।*.বেশি তেলযুক্ত খাবার খাবেন না। বেশী মশলাযুক্ত খাবার খাবেন না।
*.বেশী টক বা এসিডিক খাবার খাবেন না।
এগুলো খাবেনঃ
আটার রুটি, সিরিয়াল, মাংস সব ধরনের, সয়া, গাঢ় সবুজ সবজি, হলুদ ফলমূল, সবুজ শাক, কলা, টমেটো, ফুলকপি, গরু-
খাশির কলিজা-ফেশকা, দই, পাউরুটি, কাজু-পেস্তা আর কাঠ বাদাম, ডিম, চিংড়ি মাছ, গাজর।
এই প্যাকগুলো দিতে পারেনঃ
*.শুকনো আমলকি নারিকেল তেলে ডুবিয়ে সিদ্ধ করে তেলটা কালো করে সেটা ভালো করে ঘষে ঘষে মাথায় দেবেন।
*.নারিকেল তেল আর লেবুর রস মিশিয়ে মাথায় দিতে পারেন।
*.এক চা চামচ লবন এক কাপ ১৫ মিনিট জ্বাল দেয়া কালো চা-এর সাথে মিশিয়ে সেটা মাথায় ম্যাসাজ করতে হবে।
*.দুই চামচ মেহেদি, এক চামচ দই, এক চামচ মেথি গুড়া, তিন চামচ কফি, ২ চামচ পুদিনার রস, ৩ চামচ মিন্ট রস
একসাথে মেখে মাথায় মেখে ৩ ঘন্টা পর শ্যাম্পু দিয়ে মাথা ধুয়ে ফেলবেন।

যৌনশক্তি বাড়ানোর ঔষধনিয়ে কিছু কথা

যারা সহবাসেরপূর্বে বা শখের বসের
যৌন শক্তি বাড়ানো ঔষধ
ইয়াবা অথবা ট্যাবলেট সেবন
করেন.তাদের জন্য একটি পরামর্শ
সেক্স বাড়ানো জন্য যৌন
শক্তি বর্ধক ট্যাবলেট খাবেন না ।

এই ঔষধ পুরুষ কে ধ্বজভংগ রোগের
দিকে ঠেলে দেয় কিছু
ক্ষেত্রে মানুষকে মৃত্যুর
ঠেলে দেয় ।

যৌন শক্তি বাড়ানো জন্য কোন ঔষধ
সেবনের প্রয়োজন
নেই.গবেষনায়দেখা যায় পুরুষের
পুষ্টিকর খাদ্য খাওয়ার
মাধ্যমেযৌন শক্তি পেয়ে থাকে ।
এক্ষেত্রে গাভীর খাঁটি দুধ ও
ডিমের ভূমিকা অসাধারন।
যৌনশক্তি বাড়ানোর
ক্ষেত্রে ইউনানী ঔষধগুরুত্বপূর্ন
ভূমিকা রাখতে পারে । এজন্য অবশ্যই
অভিঞ্জ ও রেজিষ্টার্ড হাকীমের
পরামর্শ নিতে হবে । মনে রাখবেন
রাস্তা ফুটপাতে থেকে যৌন
শক্তিবর্ধক ট্যাবলেট
কেনাথেকে বিরত থাকুন ।

যৌন বাড়ানোর কোন মন্ত্র
আছে বলেবিঞ্জান বিশ্বাস করেন
না। যারা আপনাকে মন্ত্র
পড়ে সহবাসের পরামর্শ দেয়.নিছক
আপনার সাথে প্রতারনা করে মাত্র।

তাই যে কোন
চিকিত্সা বা হাকীমের পরামর্শের
জন্য রেজিষ্টার্ড চিকিত্সকের
পরামর্শ নিন !

যা জানা জরুরীঃ(সেক্স করার সময়)

অনেক ছেলেই আছেন যারা তার
সঙ্গিনী কে ভালভাবে উত্তেজিত
না করেই করা শুরু করে।আবার
অনেক মেয়েই অভিযোগ করে যে তার
হ্যাজবেন্ড বা বয়ফ্রেন্ড
তাকে তৃপ্তি দিতে পারেনা। মেয়েদের
মূল
অভিযোগটা হচ্ছে,ছেলেরা তাদের
ভালভাবে উত্তেজিত
না করেই করা শুরু করে বা সেক্সের সময়
বার বার জিজ্ঞেস করে যে মজা পাচ্ছ
কি??যা তাদের
কাছে খুবি বিরিক্তিকর।
এতে নাকি তাদের মনযোগ নস্ট হয়।
আরে ভাই সেক্সের সময় যত কথা কম
বলা যায় তত সেটা উপভোগ্য
হয়ে ওঠে।এই সময় মেয়েদের কোন প্রশ্ন
করা যাবেনা তার
বডি ল্যাংগুয়েজ দেখে আপনাকে সব
বুঝে নিতে হবে।আসেন
সে বিষয়ে কিছু শিখে নেইঃ নারীর
উত্তেজনার লক্ষণঃ 

১. নারী উত্তেজিত
হয়ে পড়লে এবং কামবিহ্বল হলে তার
দু’টি চোখ অর্দ্ধনিমীলিত ও রক্তবর্ণ
ধারণকরে।
২. জোরে জোরে নিশ্বাস পড়তে থাকে।
৩. চেহারার মধ্যে উত্তেজনার ভাব
স্পষ্ট ফুটে ওঠে।
৪. হাত পা শিথিল হয়ে পড়ে।
৫. চোখ বুজে থাকতে চায়।

৬. তার
লজ্জা কমে যায়, পুরুষ তার অঙ্গস্পর্শ
করলে সে তাতে বাধা দেয় না।
৭. পুরুষ তার গোপন স্থানে হাত
দিলে বা চাপ
দিলে সে তা উপভোগ করে।
৮. সব রকম ভয়, সঙ্কোচ
কাটিয়ে সারাটা দেহই
সে পুরুষকে অর্পণ করে। 

৯. পুরুষের সব
কথাই সে মেনে নেয়। নারীর তৃপ্তির
লক্ষণঃ


১. দেহ নুইয়ে পড়ে।
২. সারাটা দেহে যেন অবসান আসে।
৩. দ্রুত হৃৎস্পন্দন হ’তে থাকে।
৪. আবেশে চোখ বুজে থাকে।
৫. যোনি থেকে রসস্রাব নির্গত হয়।
৫. নারীর সারা দেহে পুনঃপুনঃ শিহরণ
হতে থাকে।

৬. অনেকে পূর্ণ তৃপ্তির
আবেশে অজ্ঞান পর্যাপ্ত
হ’তে পারে এমন ঘটনাও জানা যায়।
৭. সে পুরুষকে জোর করে বুকে চেপেও
ধরে রাখতে পারে।
৮. ঠোট কামড়াতে দেখা যায়।
৯. মুখ দিয়ে মৃদু শিতকার
করতে দেখা যায়।
আশা করি আপনারা এখন থেকে আগের
চেয়ে আরও
ভালভাবে আপনাদের
সঙ্গীনী কে তৃপ্তি দিতে পারবেন।

ঋতুস্রাব শুরু হবার পূর্ববর্তী লক্ষণ!

কৈশোর থেকে পরিপূর্ণ নারী হয়ে ওঠার জন্য শরীরের ভেতরে ও বাইরে ১২ থেকে ১৪ বছর বয়সের মেয়েদের বিভিন্ন রকম পরিবর্তন হয়। অনেক পরিবর্তনের অন্যতম একটি হলো রজঃস্রাব বা ঋতুস্রাব, যা সাধারণত মাসে মাসে হয়—তাই এটাকে মাসিক বা পিরিয়ড অথবা সাইকেলও বলা হয়।

লক্ষণ ও উপসর্গঃ
১. স্তনের ফুলে ওঠা এবং স্পর্শকাতরতা স্পর্শে ব্যথা লাগা।
২. মাথা ব্যথা।
৩. মাথা ঘোরা।
৪. অবসাদ।
৫. যৌন মিলনের আকাঙ্খায় হন্সাস কিংবা বৃদ্ধি।
৬. খাবারের প্রতি তীব্র আগ্রহ।
৭. গ্যাস হওয়া বা ঢেকুর তোলা এবং ওজন বৃদ্ধি।
৮. একনি হওয়া।
৯. মেজাজের পরিবর্তন, বিরক্তিভাব বেড়ে যাওয়া, অস্থিরতা এবং বিষাদগ্রস্ততা।
১০. ডায়রিয়া কিংবা কোষ্ঠকাঠিণ্য।

কি করা উচিত?
১. লবন, চিনি, ক্যাফেইন জাতীয় পানীয় যেমন চা, কফি, এবং দুধ দিয়ে তৈরি খাবার ইত্যাদি ঋতুস্রাব হবার এক সপ্তাহ আগে থেকেই বর্জন করে চলুন।
২. আপনার যদি মদ পানের অভ্যাস থাকে সেক্ষেত্রে ঋতুস্রাব হবার এক সপ্তাহ আগে থেকে সেটা বর্জন করুন। মদ পানের দরুন আপনার মাথা ব্যথা, অবসাদ এবং বিষাদগ্রস্ততার তীব্রতা বেড়ে যেতে পারে।
৩. অল্প অল্প করে একটু পর পর আহার করুন যাতে করে শরীরে রক্তের সাথে চিনির পরিমাণের খুব বেশি ঘাটতি না হয় এবং হঠাৎ করে শরীরে শক্তির হন্সাস না হয়।
৪. ঋতুস্রাব হবার এক সপ্তাহ আগে থেকে প্রতিদিন বেশি করে ঘুমান এবং নিজেকে আরাম দেবার জন্যে বেশি সময় নিয়ে স্নানও করতে পারেন।

কখন ডাক্তার দেখাবেন?
১. যদি উপরোক্ত পরামর্শগুলো পালন করার পরও লক্ষণগুলো আপনার দৈনন্দিন স্বাভাবিক কার্যকলাপ এবং সম্পর্কগুলোতে ক্ষতিকর প্রভাব রাখতে থাকে।

কীভাবে প্রতিরোধ করবেন?
যদিও পিএমএস এর লক্ষণগুলোর প্রতিরোধ করার মতো তেমন কোন বিশেষ ব্যবস্থা নেই, তবে নিম্নোক্ত বিষয়গুলো মেনে চললে এই লক্ষণগুলো আপনার দৈনন্দিন কাজ কর্মে বাধার সৃষ্টি করতে পারবে না:-

১. যেসব খাবারের মধ্যে জটিল শর্করা রয়েছে যেমন (আলু, রুটি কিংবা পাসটা ইত্যাদি)।
২. আপনার উপর মানসিক কিংবা শারীরিক চাপ থাকলে নিজেকে চাপ মুক্ত রাখার চেষ্টা করুন। যোগ ব্যায়াম কিংবা ধ্যান চর্চা করতে পারেন।
৩. প্রতিদিন শরীর চর্চা করুন।
৪. যদি আপনার ধুমপানের অভ্যাস থাকে, পরিত্যাগ করুন।

আপনাদের সুখী জীবনই আমাদের কাম্য। ধন্যবাদ।

মহিলাদের প্রস্রাবে জ্বালাপোড়া

প্রস্রাবে প্রদাহ যেকোনো বয়সেই হতে পারে। তবে বেশির ভাগ ক্ষেত্রে বয়ঃসন্ধির পর থেকে বৃদ্ধ বয়সের যেকোনো সময়। মূল উৎস হচ্ছে অপরিচ্ছন্নতা, দেহে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কম থাকা, পায়ুনালী, ঘন ঘন কৃমি কর্তৃক সংক্রমণ, সহবাসের কারণে মূত্রনালীতে জীবাণু প্রবেশ করতে পারে। পায়ুনালী থেকেই, কোলাই নামক জীবাণু কর্তৃক শতকরা ৭০-৮০ ভাগ প্রস্রাবের প্রদাহ হয়ে থাকে। অন্যান্য জীবাণুর মধ্যে প্রোটিয়াস, ক্লেবসিনা ও সিওডোমনাসের নাম উল্লেখযোগ্য। সম্প্রতি স্টেফাইলোক্কাস স্কোরোফাইটিকাস নামক জীবাণু মেয়েদের ১৫ থেকে ৩০ ভাগ প্রস্রাবের কারণ। 

জীবণু প্রস্রাবের পথে প্রবেশের পর মূত্রনালী দিয়ে ক্রমেই কিডনি পর্যন্ত যেতে পারে। প্রস্রাবের প্রদাহের প্রথম শর্ত হচ্ছে জীবাণু প্রস্রাবের রাস্তায় জমা হতে হবে। তবে যেকোনো কারণে প্রস্রাবের রাস্তায় জীবাণু জমতে পারে। জীবাণু সেখানে থেকে মূত্রথলিতে প্রবেশ করার পর প্রস্রাবের প্রদাহ হবে কি না তা নির্ভর করছে অনকে কারণের ওপর। এর মধ্যে মূত্রথলির প্রতিরোধ শক্তি একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। মূত্রথলির ভেতরের দেয়ালে ইমিউনো গ্লোবিউলিন নামক একটি স্তর রয়েছে, যে জন্য জীবাণু মূত্রথলির কোষের সাথে সংযুক্ত হতে পারে না। 

প্রস্রাব এমনিতেই অ্যাসিডিক, এ অ্যাসিডের স্বাভাবিক মাত্রা বজায় থাকলে জীবাণু বাড়তে পারে না। শুধু তা-ই নয়, পরিমিত পানি খেলে প্রতিবার প্রস্রাবের মাধ্যমে মূত্রথলির ভেতর থেকে জীবাণু বের হয়ে যায়। 
মূত্রথলির প্রদাহের উপসর্গ হচ্ছে, বারবার প্রস্রাবের বেগ হওয়া, প্রস্রাব করার সময় জ্বালা অনুভূত হওয়া, মাঝে মধ্যে তলপেটে ব্যথা হওয়া, কখনো কখনো পরিমাণে কমে গিয়ে ফোঁটায় ফোঁটায় প্রস্রাব হওয়া। এ অবস্থা সৃষ্টি হলে প্রস্রাবের রঙ ধোয়াটে ও দুর্গদ্ধযুক্ত হতে পারে। তবে একটি ব্যাপার খুবই লক্ষণীয়, তা হলো প্রস্রাব করে আসার পরপরই আবার প্রস্রাবের বেগ অনুভব করা। 

এই প্রদাহ ক্রমেই কিডনিকেও আক্রান্ত করতে পারে। এ অবস্থায় নাভীর দু’দিক থেকে পেছন পর্যন্ত ব্যথা ছড়াতে পারে। কেঁপে কেঁপে জ্বর আসতে পারে। প্রস্রাবের রঙ রক্ত বর্ণও হতে পারে। খওয়ায় অরুচি, মাথা ঘোরানো, বমি বমি ভাব, সমস্ত শরীর ব্যথা ইত্যাদি হতে পারে। বাসর রাতের পর অথবা তারও দু-এক সপ্তাহ পর নববিবাহিত মেয়েরা মূত্রথলির প্রদাহে আক্রান্ত হতে পারে, একে হানিমুন সিসটাইটস বলে। অবশ্য প্রস্রাবের প্রদাহ ছেলেদের চেয়ে মেয়েদের বেশি হয়। তবে শতকরা প্রায় ৬০ ভাগ মহিলা বিশেষ করে যৌন সক্রিয় বয়সে এ রোগে আক্রান্ত হয়। এর কারণ হচ্ছে মহিলাদের মলত্যাগের রাস্তা ও প্রস্রাবের রাস্তার মধ্যে দূরত্ব অনেক কম। কাজেই জীবাণু পায়ুনালীর রাস্তা থেকে প্রস্রাবের পথে সহজেই প্রবেশ করতে পারে। 
রোগের বিস্তারিত ইতিহাস, লক্ষণ, উপসর্গ ও ল্যাবরেটরি পরীক্ষা-নিরীক্ষার সাহায্যে সঠিক রোগ নির্ণয় করা সম্ভব। প্রস্রাবের রুটিন পরীক্ষা, কালচার করে জীবাণু নির্ণয় করা হয়। এ কালচার করার দু’টি দিক আছে, একটি জীবাণু বিঘ্নিতকরণ ও অপরটি এই বিঘ্নিত জীবাণুটির বিরুদ্ধে সঠিক ওষুধ বাছাই করা। এমন অনকে মহিলা আছে, যাদের প্রায়ই প্রস্রাবে জ্বালাপোড়া ও ঘন ঘন প্রস্রাব হওয়ার উপসর্গ থাকে এবং তাদের প্রস্রাব পরীক্ষা করলে শুধু শ্বেতকণিকা পাওয়া যেতে পারে। কিন্তু প্রস্রাব কালচার করলে কোনো জীবাণু পাওয়া যায় না, আর যদি জীবাণু পাওয়াও যায় তার পরিমাণ খুবই কম থাকে। মহিলাদের এ অসুবিধাকে ইউরেথ্রাল সিনড্রোম বলা হয়। বর্তমানে এ ইউরেথ্রাল সিনড্রোম সম্বন্ধে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করার পর দেখা গেছে এর শতকরা ৩০ ভাগ ক্ষেত্রে সত্যিকারের কোনো প্রদাহ থাকে না। 


**************************
ডাঃ মিজানুর রহমান কল্লোল
লেখকঃ জেনারেল ও ল্যাপারোস্কপিক সার্জন। চেম্বারঃ কমপ্যাথ লিমিটেড, ১৩৬ এলিফ্যান্ট রোড (বাটা সিগনাল ও হাতিরপুল বাজারের সংযোগ সড়কের মাঝামাঝি), ঢাকা।